Dhaka 4:34 am, Monday, 15 June 2026

গলাচিপা উপজেলা হাসপাতালকে দালালমুক্ত করলেন ডা. মো. মেজবাহউদ্দিন

পটুয়াখালীর গলাচিপা পৌর শহরের প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত ৫০ শয্যা বিশিষ্ট গলাচিপা উপজেলা হাসপাতালে রোগীদের সেবার মান উন্নত করতে নিরলস চেষ্টা করে যাচ্ছেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. মেজবাহ উদ্দিন।

 

আর এরই অংশ হিসেবে তিনি হাসপাতালের মধ্যে বিচরণ করা দালালদের বিরুদ্ধে শক্ত হাতে কঠোর পদক্ষেপ নিয়েছেন। এতে দালালদের রোষানলেও পড়তে হয়েছে তাকে। কিন্তু এতে তিনি দমবার পাত্র নন। রোগীরা যেন তার সবচেয়ে আপনজন। রোগীরা যাতে সঠিক চিকিৎসা সেবা পান সেজন্য তিনি হাসপাতাল থেকে দালাল নির্মুল করতে সক্ষম হন। এ বিষয়ে ডা. মো. মেজবাহ উদ্দিন এর সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, হাসপাতালে কোন ধরনের দালালের দৌরত্ব এখন আর নেই। আমি দায়িত্ব নেয়ার পর কঠোর হস্তে দালাল প্রতিহত করতে পেরেছি।

তিনি বলেন, সরকারি হসপিটালে দালালের উপদ্রব সব যায়গায় কমবেশি থাকে। এখানেও ছিল, আমি এখানে যোগদানের পর থেকেই চেষ্টা করছি এদের উপদ্রব কমানোর জন্য। পাশাপাশি নার্সদের সতর্ক করা হয়েছে, স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলেছি, স্টাফদের সঙ্গে কথা বলেছি, তারা বলছেন আমরাও দেখছি। এই হাসপাতালে অনেকগুলো উন্নয়নমূলক কাজ করা হয়েছে। আমাদের এখানে ল্যাবে স্বল্প খরচে রক্তের পরীক্ষা করা হয়। মাত্র ৩ টাকা দিয়ে চোখের চিকিৎসা করানো যায়। এছাড়া বিনামূল্যে কফ পরীক্ষা ও যক্ষার চিকিৎসা করা হয়। রোগীর সেবায় কোন বিঘœ ঘটলে হেল্প ডেক্স নম্বরে অভিযোগ দিলে যথাযথ ব্যবস্থা নেয়া হয়। বর্তমানে ০৯ মাস থেকে ১৫ বছর বয়সী শিশুদের জন্য টাইফয়েড ভ্যাকসিন কার্য্যক্রম চলমান আছে। হাসপাতালের সেবা ২৪ ঘন্টাই দেওয়া হয়। আমাদের এখানে খাবার পরিবেশনের মান খুবই ভালো।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

‘আমরা জুলাই যোদ্ধা’র ৫১ সদস্যের আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা

গলাচিপা উপজেলা হাসপাতালকে দালালমুক্ত করলেন ডা. মো. মেজবাহউদ্দিন

আপডেটের সময় : 07:16:16 pm, Monday, 27 October 2025

পটুয়াখালীর গলাচিপা পৌর শহরের প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত ৫০ শয্যা বিশিষ্ট গলাচিপা উপজেলা হাসপাতালে রোগীদের সেবার মান উন্নত করতে নিরলস চেষ্টা করে যাচ্ছেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. মেজবাহ উদ্দিন।

 

আর এরই অংশ হিসেবে তিনি হাসপাতালের মধ্যে বিচরণ করা দালালদের বিরুদ্ধে শক্ত হাতে কঠোর পদক্ষেপ নিয়েছেন। এতে দালালদের রোষানলেও পড়তে হয়েছে তাকে। কিন্তু এতে তিনি দমবার পাত্র নন। রোগীরা যেন তার সবচেয়ে আপনজন। রোগীরা যাতে সঠিক চিকিৎসা সেবা পান সেজন্য তিনি হাসপাতাল থেকে দালাল নির্মুল করতে সক্ষম হন। এ বিষয়ে ডা. মো. মেজবাহ উদ্দিন এর সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, হাসপাতালে কোন ধরনের দালালের দৌরত্ব এখন আর নেই। আমি দায়িত্ব নেয়ার পর কঠোর হস্তে দালাল প্রতিহত করতে পেরেছি।

তিনি বলেন, সরকারি হসপিটালে দালালের উপদ্রব সব যায়গায় কমবেশি থাকে। এখানেও ছিল, আমি এখানে যোগদানের পর থেকেই চেষ্টা করছি এদের উপদ্রব কমানোর জন্য। পাশাপাশি নার্সদের সতর্ক করা হয়েছে, স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলেছি, স্টাফদের সঙ্গে কথা বলেছি, তারা বলছেন আমরাও দেখছি। এই হাসপাতালে অনেকগুলো উন্নয়নমূলক কাজ করা হয়েছে। আমাদের এখানে ল্যাবে স্বল্প খরচে রক্তের পরীক্ষা করা হয়। মাত্র ৩ টাকা দিয়ে চোখের চিকিৎসা করানো যায়। এছাড়া বিনামূল্যে কফ পরীক্ষা ও যক্ষার চিকিৎসা করা হয়। রোগীর সেবায় কোন বিঘœ ঘটলে হেল্প ডেক্স নম্বরে অভিযোগ দিলে যথাযথ ব্যবস্থা নেয়া হয়। বর্তমানে ০৯ মাস থেকে ১৫ বছর বয়সী শিশুদের জন্য টাইফয়েড ভ্যাকসিন কার্য্যক্রম চলমান আছে। হাসপাতালের সেবা ২৪ ঘন্টাই দেওয়া হয়। আমাদের এখানে খাবার পরিবেশনের মান খুবই ভালো।