Dhaka 8:06 pm, Sunday, 14 June 2026

গলাচিপায় বন্ধ হওয়ার উপক্রম প্রতিবন্ধীদের স্কুল

পটুয়াখালীর গলাচিপায় বন্ধ হওয়ার উপক্রম হয়েছে প্রতিবন্ধীদের স্কুলগুলো। চরম অর্থনৈতিক সংকটে বন্ধ হওয়ার উপক্রম হয়েছে শরৎ বিহারী সমন্বিত প্রতিবন্ধী স্কুল।

পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডে ২০১৬ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় স্কুলটি। ওই সময় থেকে এখন পর্যন্ত ব্যক্তিগত অনুদানের টাকায় স্কুলটি পরিচালিত হয়ে আসছে। নিয়োগপ্রাপ্ত শিক্ষক কর্মচারীবৃন্দ সরকারি বেতনের আশায় বছরের পর বছর বিদ্যালয়ে শ্রম দিয়ে যাচ্ছে। দীর্ঘদিন পরেও সরকারি কোন সুযোগ সুবিধার ব্যবস্থা না হওয়ায় চরম অর্থনৈতিক সংকটে পরেছেন শিক্ষক কর্মচারীবৃন্দ।

কেউ অন্যের দোকানে কাজ করে কেউবা আবার কৃষি কাজ করে কোন রকম জীবন যাপন করছেন। এর জন্য বিদ্যালয়ের শিক্ষা কার্যক্রম চরমভাবে ব্যাহত হচ্ছে। স্কুলটি বন্ধ হয়ে গেলে প্রায় ২ শত প্রতিবন্ধী শিশুর শিক্ষা জীবন অনিশ্চিত হয়ে পড়বে। অতি দ্রুত বিদ্যালয়টিকে সরকারি সুযোগ সুবিধা দিতে সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করছেন প্রতিবন্ধী শিশুদের অভিভাবক বৃন্দ।

যাতে তাদের প্রতিবন্ধী শিশুরা শিক্ষার আলো থেকে বঞ্চিত না হয়। তারাও যেন আর দশটা সাধারণ শিশুর মত পেতে পারে জ্ঞানের আলো। তাই তো এই বিদ্যালয়ের জন্য দরকার জরুরী ভিত্তিতে সরকারি অনুদান।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

‘আমরা জুলাই যোদ্ধা’র ৫১ সদস্যের আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা

গলাচিপায় বন্ধ হওয়ার উপক্রম প্রতিবন্ধীদের স্কুল

আপডেটের সময় : 08:14:53 pm, Wednesday, 5 April 2023

পটুয়াখালীর গলাচিপায় বন্ধ হওয়ার উপক্রম হয়েছে প্রতিবন্ধীদের স্কুলগুলো। চরম অর্থনৈতিক সংকটে বন্ধ হওয়ার উপক্রম হয়েছে শরৎ বিহারী সমন্বিত প্রতিবন্ধী স্কুল।

পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডে ২০১৬ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় স্কুলটি। ওই সময় থেকে এখন পর্যন্ত ব্যক্তিগত অনুদানের টাকায় স্কুলটি পরিচালিত হয়ে আসছে। নিয়োগপ্রাপ্ত শিক্ষক কর্মচারীবৃন্দ সরকারি বেতনের আশায় বছরের পর বছর বিদ্যালয়ে শ্রম দিয়ে যাচ্ছে। দীর্ঘদিন পরেও সরকারি কোন সুযোগ সুবিধার ব্যবস্থা না হওয়ায় চরম অর্থনৈতিক সংকটে পরেছেন শিক্ষক কর্মচারীবৃন্দ।

কেউ অন্যের দোকানে কাজ করে কেউবা আবার কৃষি কাজ করে কোন রকম জীবন যাপন করছেন। এর জন্য বিদ্যালয়ের শিক্ষা কার্যক্রম চরমভাবে ব্যাহত হচ্ছে। স্কুলটি বন্ধ হয়ে গেলে প্রায় ২ শত প্রতিবন্ধী শিশুর শিক্ষা জীবন অনিশ্চিত হয়ে পড়বে। অতি দ্রুত বিদ্যালয়টিকে সরকারি সুযোগ সুবিধা দিতে সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করছেন প্রতিবন্ধী শিশুদের অভিভাবক বৃন্দ।

যাতে তাদের প্রতিবন্ধী শিশুরা শিক্ষার আলো থেকে বঞ্চিত না হয়। তারাও যেন আর দশটা সাধারণ শিশুর মত পেতে পারে জ্ঞানের আলো। তাই তো এই বিদ্যালয়ের জন্য দরকার জরুরী ভিত্তিতে সরকারি অনুদান।