Dhaka 9:59 pm, Monday, 18 May 2026

নিজেদের দেশে তৈরি করোনা টিকার জরুরি ব্যবহার শুরু করেছে ইরান

প্রাণঘাতী করোনাভাইরাস মোকাবেলার জন্য দেশে তৈরি টিকার জরুরি ব্যবহার শুরু করেছে ইরান। ইরানের এই টিকা কোভ-ইরান বারেকাত নামে পরিচিত।

গতকাল (সোমবার) ইরানের স্বাস্থ্যমন্ত্রী সায়ীদ নামাকি আরাক ইউনিভার্সিটি অব মেডিক্যাল সায়েন্স- এ আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এ ঘোষণা দেন।

তিনি জানান, আগামী সপ্তাহ থেকে ইরান এবং কিউবার যৌথভাবে তৈরি পাস্তুর টিকা ব্যবহারের অনুমতি দেয়া হয়েছে। কিউবার টিকা ব্যবহারের অনুমতি দেয়ার পর ‘রাজি’ এবং ‘ফাকরা টাকা’ ব্যবহারের তালিকায় আনা হবে।

রাজি ভ্যাকসিন হচ্ছে ইরানে উৎপাদিত করোনা-বিরোধী দ্বিতীয় ভ্যাকসিন যা ইরানের রাজি ও সিরাম রিসার্চ ইনস্টিটিউট যৌথভাবে উৎপাদন করেছে।

এছাড়া, ইরানের ফাখরা ভ্যাকসিন উৎপাদন করেছে দেশের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের গবেষণা কেন্দ্র। শহীদ পরমাণু বিজ্ঞানী মোহসেন ফাখরিজাদে এই প্রতিষ্ঠানের প্রধান ছিলেন।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী সাঈদ নামাকি বলেন, সামনের শরৎকালের মধ্যেই ইরানের সমস্ত জনগণকে ভ্যাকসিনের আওতায় আনার পরিকল্পনা নিয়ে সরকার কাজ করছে।

তিনি বলেন, এই ভ্যাকসিন তৈরি করতে সবচেয়ে কম খরচ হচ্ছে এবং এর পার্শপ্রতিক্রিয়া খুবই কম। অন্যদিকে, এটি সারা বিশ্বের মধ্যে সবচেয়ে দ্রুত এবং কার্যকরভাবে করোনাভাইরাসের বিরুদ্ধে কাজ করে।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয় সংবাদ

কুয়াকাটায় আবারও বিতর্কের শীর্ষে পৌর মৎস্যজীবী দলের এক নেতা।

নিজেদের দেশে তৈরি করোনা টিকার জরুরি ব্যবহার শুরু করেছে ইরান

আপডেটের সময় : 11:44:29 am, Tuesday, 15 June 2021

প্রাণঘাতী করোনাভাইরাস মোকাবেলার জন্য দেশে তৈরি টিকার জরুরি ব্যবহার শুরু করেছে ইরান। ইরানের এই টিকা কোভ-ইরান বারেকাত নামে পরিচিত।

গতকাল (সোমবার) ইরানের স্বাস্থ্যমন্ত্রী সায়ীদ নামাকি আরাক ইউনিভার্সিটি অব মেডিক্যাল সায়েন্স- এ আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এ ঘোষণা দেন।

তিনি জানান, আগামী সপ্তাহ থেকে ইরান এবং কিউবার যৌথভাবে তৈরি পাস্তুর টিকা ব্যবহারের অনুমতি দেয়া হয়েছে। কিউবার টিকা ব্যবহারের অনুমতি দেয়ার পর ‘রাজি’ এবং ‘ফাকরা টাকা’ ব্যবহারের তালিকায় আনা হবে।

রাজি ভ্যাকসিন হচ্ছে ইরানে উৎপাদিত করোনা-বিরোধী দ্বিতীয় ভ্যাকসিন যা ইরানের রাজি ও সিরাম রিসার্চ ইনস্টিটিউট যৌথভাবে উৎপাদন করেছে।

এছাড়া, ইরানের ফাখরা ভ্যাকসিন উৎপাদন করেছে দেশের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের গবেষণা কেন্দ্র। শহীদ পরমাণু বিজ্ঞানী মোহসেন ফাখরিজাদে এই প্রতিষ্ঠানের প্রধান ছিলেন।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী সাঈদ নামাকি বলেন, সামনের শরৎকালের মধ্যেই ইরানের সমস্ত জনগণকে ভ্যাকসিনের আওতায় আনার পরিকল্পনা নিয়ে সরকার কাজ করছে।

তিনি বলেন, এই ভ্যাকসিন তৈরি করতে সবচেয়ে কম খরচ হচ্ছে এবং এর পার্শপ্রতিক্রিয়া খুবই কম। অন্যদিকে, এটি সারা বিশ্বের মধ্যে সবচেয়ে দ্রুত এবং কার্যকরভাবে করোনাভাইরাসের বিরুদ্ধে কাজ করে।