Dhaka 12:07 pm, Monday, 15 June 2026

গভির সাগরের তলদেশে তিন কিলোমিটারজুড়ে প্রবালের গোলাপ।

সমুদ্রের তাপমাত্রা বৃদ্ধির কারণে যখন বিপন্ন পরিবেশ আর বিলুপ্ত হচ্ছে নানা রঙের উদ্ভিদ। ঠিক এমন সময় সাগরের তলদেশে তিন কিলোমিটারজুড়ে খোঁজ পাওয়া গেল প্রবালের গোলাপ।

 

বৈশ্বিক উষ্ণায়নের এই বিশ্বে গড় তাপমাত্রা বৃদ্ধির পরেও অক্ষত রং বেরঙের এসব প্রবাল দেখে অবাক হয়েছেন পরিবেশবিদরাও।
প্রশান্ত মহাসাগরের তাহিতির উপকূলে ডুবুরিরা যখন সাগরের তলদেশে ঢুব দিচ্ছিলেন তারা দেখছিলেন একটি রহস্যময় ও আবছা আলোকিত অঞ্চল। তবে আরো কাছে যেতেই তাদের চোখে পড়ে নয়নাভিরাম দৃশ্য। যত দূর দেখা যায়, তত দূর চোখজুড়নো রং বেরঙের গোলাপ আকৃতির প্রবাল সারি।

সারা বিশ্বেই সমুদ্রের তাপমাত্রা বৃদ্ধির কারণে হারিয়ে যাচ্ছে প্রবালের নজরকাড়া রঙ। ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে অস্ট্রেলিয়ার গ্রেট ব্যারিয়ার রিফ। ইউনেসকোর তথ্য বলছে, উষ্ণ পানিতে প্রবালপ্রাচীরগুলোর অবস্থান সর্বোচ্চ ২৫ মিটার গভীর পর্যন্ত হয়ে থাকে। তাহিতির প্রবালপ্রাচীরটির গভীরতা ৩০ থেকে ১২০ মিটারের মধ্যে।
অবাক বনেছেন পরিবেশবিদরাও, বিশেষজ্ঞেরা বলছেন, সমুদ্রের গভীরে অবস্থানের কারণেই এগুলি সুরক্ষিত রয়েছে। এটি প্রায় তিন কিলোমিটার এটি বৃস্তিত, এই বিপন্ন পরিবেশে এমন দৃশ্য সত্যি আমাদের মানবজাতীকে আশা দেখাচ্ছে।

এমন অজানা রহস্য জানতে আমাদের গবেষণা আরো বাড়ানো উচিত তাহিতির এই প্রবালপ্রাচীরের আবিষ্কার ইঙ্গিত দিচ্ছে মহাসাগরগুলিতে আরও এমন বড় প্রবালপ্রাচীর থাকতে পারে।
ইউনেসকোর বিজ্ঞানীদের হিসাব মতে, সাগরের তলদেশের মাত্র ২০ শতাংশ এখনও পর্যন্ত সামনে এসেছে। আগামী দিনে এরকম আরও রহস্য উদঘাটিত হবে।

 

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

‘আমরা জুলাই যোদ্ধা’র ৫১ সদস্যের আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা

গভির সাগরের তলদেশে তিন কিলোমিটারজুড়ে প্রবালের গোলাপ।

আপডেটের সময় : 01:02:32 am, Monday, 24 January 2022

সমুদ্রের তাপমাত্রা বৃদ্ধির কারণে যখন বিপন্ন পরিবেশ আর বিলুপ্ত হচ্ছে নানা রঙের উদ্ভিদ। ঠিক এমন সময় সাগরের তলদেশে তিন কিলোমিটারজুড়ে খোঁজ পাওয়া গেল প্রবালের গোলাপ।

 

বৈশ্বিক উষ্ণায়নের এই বিশ্বে গড় তাপমাত্রা বৃদ্ধির পরেও অক্ষত রং বেরঙের এসব প্রবাল দেখে অবাক হয়েছেন পরিবেশবিদরাও।
প্রশান্ত মহাসাগরের তাহিতির উপকূলে ডুবুরিরা যখন সাগরের তলদেশে ঢুব দিচ্ছিলেন তারা দেখছিলেন একটি রহস্যময় ও আবছা আলোকিত অঞ্চল। তবে আরো কাছে যেতেই তাদের চোখে পড়ে নয়নাভিরাম দৃশ্য। যত দূর দেখা যায়, তত দূর চোখজুড়নো রং বেরঙের গোলাপ আকৃতির প্রবাল সারি।

সারা বিশ্বেই সমুদ্রের তাপমাত্রা বৃদ্ধির কারণে হারিয়ে যাচ্ছে প্রবালের নজরকাড়া রঙ। ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে অস্ট্রেলিয়ার গ্রেট ব্যারিয়ার রিফ। ইউনেসকোর তথ্য বলছে, উষ্ণ পানিতে প্রবালপ্রাচীরগুলোর অবস্থান সর্বোচ্চ ২৫ মিটার গভীর পর্যন্ত হয়ে থাকে। তাহিতির প্রবালপ্রাচীরটির গভীরতা ৩০ থেকে ১২০ মিটারের মধ্যে।
অবাক বনেছেন পরিবেশবিদরাও, বিশেষজ্ঞেরা বলছেন, সমুদ্রের গভীরে অবস্থানের কারণেই এগুলি সুরক্ষিত রয়েছে। এটি প্রায় তিন কিলোমিটার এটি বৃস্তিত, এই বিপন্ন পরিবেশে এমন দৃশ্য সত্যি আমাদের মানবজাতীকে আশা দেখাচ্ছে।

এমন অজানা রহস্য জানতে আমাদের গবেষণা আরো বাড়ানো উচিত তাহিতির এই প্রবালপ্রাচীরের আবিষ্কার ইঙ্গিত দিচ্ছে মহাসাগরগুলিতে আরও এমন বড় প্রবালপ্রাচীর থাকতে পারে।
ইউনেসকোর বিজ্ঞানীদের হিসাব মতে, সাগরের তলদেশের মাত্র ২০ শতাংশ এখনও পর্যন্ত সামনে এসেছে। আগামী দিনে এরকম আরও রহস্য উদঘাটিত হবে।