তিস্তা মহাপরিকল্পনার কাজ দ্রুত শুরু করার অনুরোধ জানাতে আবারও উত্তর প্রকাশ করুন। ‘জাগোহে তিস্তাই বাঁচা’ আন্দোলনের অংশ হিসেবে রংপুর বা নীল পাঁচটি জেলা (লালমনিরহাট, রংপুর, কুড়িগ্রাম গাইবান্ধা) একযোগে ১১টি পয়েন্টে মশাল প্রজ্জ্বলন ক্রীড়াকামনা ভালো হয়েছে।
বৃহস্পতিবার
(১৬ অক্টোবর) সন্ধ্যায় একই সময়ে এই পালিত হয়। আন্দোলনের প্রধান প্রধানক, উপমন্ত্রী এবং কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক গুরুত্বপূর্ণ অধ্যক্ষ আসাদুল দুলু ভোটার বলেন। মশাল প্রজ্জ্বলন শুরুতে গণ সমাগম হয়।
প্রীত
১৩০ প্রতিবাদ প্রতিবাদের তি নদী পালায় ১৮ তারিখ থেকে শুরু আন্দোলনের তীব্রতা বাহিরে গঠন। নীলফামারী, লালমনিরহাট, ওইবা গ্রামা জেলা ভেদ করে এই ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করা না হলে বৃহত্তর আন্দোলন আন্দোলন করা হবে—এমন হুঁশিয়ারি মুসলিম স্তাতি নদী আন্দোলন আন্দোলনের প্রধান নির্দেশক। অধ্যক্ষ আসাদুল হাবিব দুলু।
তিনি
বলেন, “তিস্তা শুধু জনগণের উত্তর নয়, অর্থনীতির শক্তি। অবিলম্বে মহাকল্পনার কাজ শুরু করতে হবে এখন গণনাট্য ন্যায্য অধিকারে ব্যাখ্যা দিয়েছেন।”
আলোচ্য
আয়োজনের সময় দুলু বলেন, “তিস্তা সমস্যা কোনো স্থানীয় ইস্যু নয়—এটি জাতীয় সমস্যা। এখনও আমাদের কান্না থামেনি৷ তিনি জানান, তিস্তা মহাপরিকল্পনা নিয়ে আরও শুরু হয়েছে এবং ধীরগতির জীবিত৷ থাকার কারণে অভিযোগের প্রতি লক্ষ্য করা হয়েছে৷ কড়া হুঁশিয়ারি দিয়ে তিনি বলেন, ”
তিস্তার এক সঙ্গে তার সরকারকে নভেম্বরের মধ্যে মহাপরিকল্পনার কাজ শুরু করতে হবে। তিনি আরও বলেন, জাতীয় নির্বাচনের তিন মাস তিস্তা মেগা প্রকল্পের কাজ শুরু করা। যদি সময়মতো কাজ শুরু না করা হয়, তাহলে বৃহত্তর আন্দোলনের সাথে রংপুর অচল এবং স্তব্ধ রং প্রদান করেন। কৃষিজমি ভিক্ট, বাড়িঘর খুলি বিলীন ও পরিবেশগত ক্ষতির বিরুদ্ধে স্থানীয়রা উদ্যোক্তা হয়েছেন। লারা বলে, বাসের অবহেলতিস্তার বুকে জেগে উঠেছে অসংখ্য, চরনে বিলীন হচ্ছে ঘরবাড়ি ও কৃষিজমি। ফলে প্রতিনিয়ত স্বাধীন মানুষ। এর আগে তি নদী আন্দোলনের পার্টি থেকে লালমনিরহাটে গণমিছিল, গণসমাবেশ, পদযাত্রা ও স্মারকলি প্রদানসহ বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করা হয়। মশাল প্রজ্জ্বলন অংশগ্রহণকারী অংশ নিয়ে বিভিন্ন দল, সামাজিক সংস্থা, ছাত্র ও সমাজের সমর্থন। তাদের স্লোগান ছিল— “জাগো বাহে তিস্তাই বাঁচাই, তিস্তার নায্য হিস্যা চাই।”
দুলুর দাবি, নদী নিয়ন্ত্রণ জনগণের এই ঐক্যবদ্ধ অবস্থান করে যে তি ইস্যুটি এখন কেবল পরিবেশগত বা অর্থনৈতিক বিষয় নয়, এটি উত্তরের দিকে মানুষের জীবন-মৃত্যুর প্রশ্ন। তিনি আরও বলেন, এই অঞ্চলে দুর্ভিক্ষের অধিকারী সরকারকে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে। তিনি সতর্ক করেন, মহাপরিকল্পনা না হলে এই এলাকার মানুষের খাদ্যের নিরাপত্তার জন্য অভিলংমার্চ করতে হবে।
‘
ডেস্ক রিপোর্ট Sadhin BanglaTV 













