Dhaka 7:56 pm, Tuesday, 5 May 2026

লঞ্চ থেকে পড়ে যাওয়ার দুইদিন পর যাত্রীর মরদেহ উদ্ধার

ঢাকা-রাঙ্গাবালী রুটের লঞ্চ থেকে পড়ে যাওয়ার দুইদিন পর নদীতে ভাসমান অবস্থায় যাত্রী সাইফুল বিশ্বাসের (২৬) মরদেহ উদ্ধার করেছে নৌ-পুলিশ।

রোববার (১২ মার্চ) বেলা ১১টায় পটুয়াখালীর দশমিনা উপজেলার আউলিয়াপুর সংলগ্ন তেতুলিয়া নদী থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
দশমিনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. মেহেদী হাসান ও নৌ-পুলিশের ইনচার্জ মো. সুরুজ আল মামুন এ তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, সকালে তেতুলিয়া নদীর চঙ্গারচর নামক এলাকায় মাছ শিকারি জেলেরা একটি মরদেহ দেখতে পায়। পরে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে পুলিশের একটি দল মরদেহটি উদ্ধার করে। জানা যায়, উদ্ধার হওয়া মরদেহটি নিখোঁজ সাইফুলের বলে পরিবারের লোকজন শনাক্ত করেছেন। মরদেহ হস্তান্তরের পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে পুলিশ জানায়।

নিখোঁজ সাইফুলের বাড়ি রাঙ্গাবালী উপজেলার চরমোন্তাজ ইউনিয়নের উত্তর চরমোন্তাজ গ্রামে। তিনি ওই গ্রামের হানিফ বিশ্বাসের ছেলে এবং পেশায় একজন কৃষক ছিলেন। উল্লেখ্য, ঢাকায় তরমুজ বিক্রি করে বৃহস্পতিবার (৯ মার্চ) রাতে সাইফুল তার বাবা ও ভাইয়ের সঙ্গে ঢাকা-রাঙ্গাবালী নৌরুটের পূবালী-৫ নামের লঞ্চযোগে বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা হন।

পথিমধ্যে শুক্রবার ভোর পাঁচটার দিকে দশমিনা উপজেলার বাঁশবাড়িয়া ইউনিয়নে বীজ ভাণ্ডার সংলগ্ন তেতুলিয়া নদী অতিক্রমকালে ফজরের নামাজের জন্য লঞ্চের পেছনের দিকে ওজু করতে গিয়ে নদীতে পড়ে যায় সাইফুল।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয় সংবাদ

কুয়াকাটায় আবারও বিতর্কের শীর্ষে পৌর মৎস্যজীবী দলের এক নেতা।

লঞ্চ থেকে পড়ে যাওয়ার দুইদিন পর যাত্রীর মরদেহ উদ্ধার

আপডেটের সময় : 06:48:51 pm, Monday, 13 March 2023

ঢাকা-রাঙ্গাবালী রুটের লঞ্চ থেকে পড়ে যাওয়ার দুইদিন পর নদীতে ভাসমান অবস্থায় যাত্রী সাইফুল বিশ্বাসের (২৬) মরদেহ উদ্ধার করেছে নৌ-পুলিশ।

রোববার (১২ মার্চ) বেলা ১১টায় পটুয়াখালীর দশমিনা উপজেলার আউলিয়াপুর সংলগ্ন তেতুলিয়া নদী থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
দশমিনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. মেহেদী হাসান ও নৌ-পুলিশের ইনচার্জ মো. সুরুজ আল মামুন এ তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, সকালে তেতুলিয়া নদীর চঙ্গারচর নামক এলাকায় মাছ শিকারি জেলেরা একটি মরদেহ দেখতে পায়। পরে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে পুলিশের একটি দল মরদেহটি উদ্ধার করে। জানা যায়, উদ্ধার হওয়া মরদেহটি নিখোঁজ সাইফুলের বলে পরিবারের লোকজন শনাক্ত করেছেন। মরদেহ হস্তান্তরের পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে পুলিশ জানায়।

নিখোঁজ সাইফুলের বাড়ি রাঙ্গাবালী উপজেলার চরমোন্তাজ ইউনিয়নের উত্তর চরমোন্তাজ গ্রামে। তিনি ওই গ্রামের হানিফ বিশ্বাসের ছেলে এবং পেশায় একজন কৃষক ছিলেন। উল্লেখ্য, ঢাকায় তরমুজ বিক্রি করে বৃহস্পতিবার (৯ মার্চ) রাতে সাইফুল তার বাবা ও ভাইয়ের সঙ্গে ঢাকা-রাঙ্গাবালী নৌরুটের পূবালী-৫ নামের লঞ্চযোগে বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা হন।

পথিমধ্যে শুক্রবার ভোর পাঁচটার দিকে দশমিনা উপজেলার বাঁশবাড়িয়া ইউনিয়নে বীজ ভাণ্ডার সংলগ্ন তেতুলিয়া নদী অতিক্রমকালে ফজরের নামাজের জন্য লঞ্চের পেছনের দিকে ওজু করতে গিয়ে নদীতে পড়ে যায় সাইফুল।