1. sbtv24@sadhinbangla.tv : asd barta : asd barta
মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬, ১২:০৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
কুয়াকাটায় আবারও বিতর্কের শীর্ষে পৌর মৎস্যজীবী দলের এক নেতা। পটুয়াখালীতে অনলাইন জুয়ার ভয়াবহ বিস্তার! নিঃস্ব হচ্ছে হাজারো পরিবার। পটুয়াখালীতে বরগুনার ব্যবসায়ীর রহস্যজনক মৃত্যু: ঝুলন্ত লাশের পায়ের নিচে বালিশ! পটুয়াখালীতে নদীখেকোদের রাজত্বের অবসান! পটুয়াখালী বাস টার্মিনালে এখনো কেন বহাল তবিয়তে ফ্যাসিস্টের দোসররা? প্রশ্ন তুলছে ছাত্র-জনতা পটুয়াখালী-৩ আসনে ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী মুফতি আবু বকর সিদ্দিকের গণসংযোগ ও পথযাত্রা অবৈধ মাটি দস্যুদের তাণ্ডব রুখে দিলো প্রশাসন শহীদ ওসমান হাদির শোকে জাতি যখন স্তব্ধ, পটুয়াখালীতে তখন উৎসবের ‘ধৃষ্টতা’ যৌতুক মামলায় হাজিরা দিতে এসে, সতিনের বর্বরোচিত হামলা! পটুয়াখালী জজ কোর্টে রক্তাক্ত প্রথম স্ত্রী। পটুয়াখালীর রাজনীতিতে নতুন মোড়!

এ সময় চোখ উঠলে যা করবেন

অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেটের সময় : শনিবার, ১ অক্টোবর, ২০২২
  • ১৩৯ সময় দর্শন

চোখের পাতার নিচে ঝিল্লির মতো পাতলা স্বচ্ছ পর্দার নাম ‘কনজাঙ্কটিভা’। এটি চোখের সাদা অংশ ও চক্ষুপল্লবের ভেতর অংশকে ঢেকে রাখে। ভাইরাসের সংক্রমণে কনজাঙ্কটিভায়

তৈরি হয় প্রদাহ, ফুলে যায় চোখের ছোট ছোট রক্তনালি। তখন চোখের রং লালচে হয়ে চোখে ব্যাথা হয়, যাকে আমরা ‘চোখ ওঠা’ বলি।মেডিকেলের ভাষায় একে বলে ‘কনজাঙ্কটিভাইটিস’।

 

কনজাঙ্কটিভাইটিস বা চোখ ওঠা রোগটি ইদানিং বেশ হচ্ছে। এটি একটি চোখের ছোঁয়াচে রোগ যা একজনের হলে অন্য জনের হতে পারে। শিশুদের বেশি দেখা গেলেও এই রোগ সবার মাঝে ছড়ায়। চোখ ওঠা রোগের সমস্যা সাধারণত কয়েকদিন থেকে চার সপ্তাহের মতো থাকে। এ বিষয়ে ব্যাপক সতর্কতামূলক পদক্ষেপ নেয়া দরকার।

উপসর্গ
চোখ ওঠা রোগের ক্ষেত্রে সাধারণত যেসব উপসর্গ  দেখা যায় সেগুলি হল:

  • সংক্রমিত চোখের সাদা অংশটি গোলাপি বা লালচে বর্ণের হয়।
  • চোখ দিয়ে পানি পড়া, জ্বালা এবং চুলকানির ভাব থাকে।
  • চোখে অতিরিক্ত পিঁচুটি আসে।
  • চোখের পাতা ফুলে ওঠে ও কনজাঙ্কটিভা ফুলে ওঠে।
  • চোখে অস্বস্তিবোধ বা দেখতে অসুবিধা হয়।
  • চোখের ভেতরে কিছু একটা রয়েছে বলে মনে হয়।
  • আলোর প্রতি সংবেদনশীলতা দেখা দেয়।
  • সকালে ঘুম থেকে ওঠার সময় চোখের পাতায় চটচটে পদার্থ লেগে থাকে ইত্যাদি।

কারণ

  • কনজাঙ্কটিভাইটিস বা চোখ ওঠার মূল কারণই হলো সংক্রমণ। অ্যালার্জি ও পরিবেশের যন্ত্রণা সৃষ্টিকারী পদার্থগুলির সংষ্পর্ষে এই রোগটি দেখা দেয়।
  • সাধারণত স্ট্যাফাইলোকক্কাস, ক্ল্যামাইডিয়া ও গোনোকক্কাসের মতো ব্যাকটেরিয়া এবং ভাইরাসের কারণে এই সংক্রমণ হয়।
  • সংক্রমিত ব্যক্তির চোখ, সংক্রমিত কসমেটিক, ব্যবহৃদ পদার্থ বা প্রসাধন সামগ্রী থেকেও ছড়াতে পারে।
  • ফুলের রেণু, ধুলোর কণা, পশুপাখির লোম/পালক, দীর্ঘক্ষণ ধরে শক্ত বা নরম কন্ট্যাক্ট লেন্স একনাগাড়ে ব্যবহার করলে চোখের অ্যালার্জি হতে পারে।
  • পরিবেশ দূষণ, ধোঁয়া, বাষ্প, প্রভৃতি সহ পানিতে থাকা ক্লোরিন ও বিষাক্ত রাসায়নিকের কারনে হতে পারে।

করণীয়
লক্ষণ ও উপসর্গ জেনে চক্ষু পরীক্ষার মাধ্যমে চক্ষুরোগ বিশেষজ্ঞরা নির্ণয় করেন যে, কারো কনজাঙ্কটিভাইটিস হয়েছে কি না। এজন্য কিছু করণীয় হলো :

  • বারবার চোখে হাত দেবেন বা চুলকাবেন না। হাত দিলেও ধুয়ে ফেলুন।
  • টিস্যু দিয়ে অতি সাবধানে চোখের পানি বা ময়লা মুছে নিন। ব্যবহার করা সেই টিস্যু নিরপদ স্থানে ফেলুন।
  • বেশিক্ষণ পিসি বা সেলফোনে কাজ করবেন না। করলেও কালো চশমা ব্যবহার করুন।
  • বাইরে গেলে রোদচশমা ব্যবহার করুন।
  • নিজের ব্যবহৃত গামছা, রুমাল, প্রসাধনসামগ্রী অন্যদের ব্যবহার করতে দেবেন না।
  • আই ড্রপ অন্যের সঙ্গে শেয়ার করবেন না।
  • হ্যান্ডশেকের মাধ্যমেও এই রোগ ছড়াতে পারে। তাই বারবার পরিষ্কার করে হাত ধোয়ার অভ্যাস করতে হবে।

চিকিৎসা
কনজাঙ্কটিভাইটিস বা চোখ ওঠা রোগের ক্ষেত্রে সংক্রমণের কারণ অনুযায়ী চিকিৎসা দেয়া হয়। ব্যাকটেরিয়া ঘটিত সংক্রমণের জন্য অ্যান্টিবায়োটিক ড্রপ ব্যবহার করতে হয়। আবার ভাইরাস-ঘটিত সংক্রমণ সারাতে একটু সময় লাগতে পারে।
উপসর্গ অনুযায়ী ঠান্ডা সেঁক দিলে এবং আর্টিফিশিয়াল টিয়ার্স বা কৃত্রিম চোখের পানি ব্যবহার করলে উপশম মেলে।  তবে এক সপ্তাহের মধ্যে ভালো না হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেয়া উচিৎ

আরো পড়ুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

পড়ুন এই বিভাগের আরও খবর

Chairman Md. Azadul Islam. CEO Md. Amir Hossain. Editor S, M, Shamim Ahmed. Managing Director Md. Lokman Mridha, office House # 43 ( Ground Flooor ) 47 Road No. 30, Mirpur, Dhaka Division - 1216

 

ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Smart iT Host
Hwowlljksf788wf-Iu