Dhaka 4:13 pm, Sunday, 31 May 2026

সর্বকালের সর্বনিম্নে ব্রিটিশ পাউন্ড

১৯৭১ সালের পর মার্কিন ডলারের বিপরীতে ব্রিটিশ পাউন্ডের মান সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে এসেছে। ব্রিটেনের অর্থমন্ত্রী কোয়াসি কোয়ার্টেং কর কমানোর ঘোষণা দেওয়ার পর পাউন্ডের মান কমতে থাকে। মার্কিন ডলারের বিপরীতে ব্রিটিশ পাউন্ডের দর কমে ১ দশমিক ০৫২৭ ডলার দাঁড়ায়।  

বিবিসি খবরে বলা হয়েছে, মার্কিন কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সুদের হার বাড়ানো অব্যাহত থাকায় ডলারের দাম বেড়ে যাওয়ায় পাউন্ডও চাপে পড়েছে।

দ্য ইউএস ডলার ইনডেক্স অনুযায়ী, গত ২০ বছরের মধ্যে ডলারের মান এখন সবচেয়ে বেশি। বিশ্লেষকদের মতে, এ মুহূর্তে ডলারের সাপেক্ষে অন্যান্য মুদ্রার দামের পতনের বহুবিধ কারণ থাকলেও প্রধান কারণ দুটি। এক, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের ফলে পেট্রোলিয়াম থেকে রকমারি পণ্য—সবকিছুরই দাম বেড়েছে। দুই, যুক্তরাষ্ট্রে নীতি সুদহার বৃদ্ধি।

গত সপ্তাহে ইউএস ফেডারেল রিজার্ভ এবং ব্যাংক অফ ইংল্যান্ডসহ অন্যান্য প্রধান কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলো ক্রমবর্ধমান দাম নিয়ন্ত্রণ করার চেষ্টা করার সময় সুদের হার বাড়ানোর পরে বিশ্ব বাজারগুলি ভেঙে পড়ে।

ডলারের বিপরীতে পাউন্ড এই নিম্ন পর্যায়ে থাকলে তেল ও গ্যাসসহ ডলার মূল্যের পণ্য আমদানি আরও ব্যয়বহুল হবে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে অন্যান্য পণ্যগুলিও যথেষ্ট বেশি ব্যয়বহুল হতে পারে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয় সংবাদ

কুয়াকাটায় আবারও বিতর্কের শীর্ষে পৌর মৎস্যজীবী দলের এক নেতা।

সর্বকালের সর্বনিম্নে ব্রিটিশ পাউন্ড

আপডেটের সময় : 11:33:21 am, Monday, 26 September 2022

১৯৭১ সালের পর মার্কিন ডলারের বিপরীতে ব্রিটিশ পাউন্ডের মান সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে এসেছে। ব্রিটেনের অর্থমন্ত্রী কোয়াসি কোয়ার্টেং কর কমানোর ঘোষণা দেওয়ার পর পাউন্ডের মান কমতে থাকে। মার্কিন ডলারের বিপরীতে ব্রিটিশ পাউন্ডের দর কমে ১ দশমিক ০৫২৭ ডলার দাঁড়ায়।  

বিবিসি খবরে বলা হয়েছে, মার্কিন কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সুদের হার বাড়ানো অব্যাহত থাকায় ডলারের দাম বেড়ে যাওয়ায় পাউন্ডও চাপে পড়েছে।

দ্য ইউএস ডলার ইনডেক্স অনুযায়ী, গত ২০ বছরের মধ্যে ডলারের মান এখন সবচেয়ে বেশি। বিশ্লেষকদের মতে, এ মুহূর্তে ডলারের সাপেক্ষে অন্যান্য মুদ্রার দামের পতনের বহুবিধ কারণ থাকলেও প্রধান কারণ দুটি। এক, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের ফলে পেট্রোলিয়াম থেকে রকমারি পণ্য—সবকিছুরই দাম বেড়েছে। দুই, যুক্তরাষ্ট্রে নীতি সুদহার বৃদ্ধি।

গত সপ্তাহে ইউএস ফেডারেল রিজার্ভ এবং ব্যাংক অফ ইংল্যান্ডসহ অন্যান্য প্রধান কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলো ক্রমবর্ধমান দাম নিয়ন্ত্রণ করার চেষ্টা করার সময় সুদের হার বাড়ানোর পরে বিশ্ব বাজারগুলি ভেঙে পড়ে।

ডলারের বিপরীতে পাউন্ড এই নিম্ন পর্যায়ে থাকলে তেল ও গ্যাসসহ ডলার মূল্যের পণ্য আমদানি আরও ব্যয়বহুল হবে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে অন্যান্য পণ্যগুলিও যথেষ্ট বেশি ব্যয়বহুল হতে পারে।