Dhaka 2:20 pm, Saturday, 9 May 2026

মাত্র ৫ হাজার টাকা পেয়েই হত্যার মিশনে নামে খুনিরা

মাদারীপুরের রাজৈরে ক্ললেস হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন করেছে পুলিশ। সোমবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে পুলিশ সুপার গোলাম মস্তফা রাসেল তার কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে এ তথ্য প্রদান করেন।

 

 

তিনি জানান, গত ২৩ মে রাজৈর উপজেলার মজুমদারকান্দি গ্রামের মৃত কালু দর্জির ছেলে ভ্যান চালক মোতাহার দর্জি বাড়ীর পাশে মসজিদে নামাজ আদায় করে বাড়ি ফিরছিল। এ সময় আসামিরা তাকে পেছন থেকে মাথায় আঘাত করলে তিনি মাটিতে শুয়ে পড়েন। এ সময় অন্যান্য আসামিরা শরীরে আঘাত ও শ্বাসরোধ করে নৃশংসভাবে হত্যা করে একটি পাট ক্ষেতের মধ্যে ফেলে রাখে। এ ঘটনায় নিহতের স্ত্রী সামলা বেগম ২৫ মে বাদী হয়ে অজ্ঞাত আসামি করে একটি মামলা দায়ের করেন। পরবর্তীতে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই মো. সাব্বির সেখ তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে
হত্যাকাণ্ডের সাথে সরাসরি জড়িত মজুমদারকান্দি গ্রামের মৃত নেছার উদ্দিন মোল্লার ছেলে মো. ইলিয়াস মোল্লা (৪৮) কে গ্রেপ্তার করেন।

 

 

 

 

গ্রেপ্তার ইলিয়াস বিজ্ঞ আদালতে ১৬৪ ধারায় হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেন।

তার দেওয়া তথ্য মতে, গত ৯ জুন রাতে রাজৈর থানা-পুলিশ একই গ্রাম থেকে রোকন মোল্লার ছেলে আনোয়ার মোল্লা (৪০) মো. জেলেম মোল্লার ছেলে মহিদুল মোল্লা (৪৮) এবং বাসাবাড়ী গ্রামের মৃত আক্কাস ফরাজীর ছেলে এমরত ফরাজী (৫০) কে গ্রেপ্তার করেন।

 

 

 

 

সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ সুপার বলেন, নিহত মোতাহার দর্জির সাথে আসামি এমারত ফরাজীর দীর্ঘদিন ধরে জমি-জমা নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল। তারই ধারাবাহিকতায় এমারত ফরাজী মোতাহার দর্জিকে হত্যার জন্য অন্য আসামিদের সাথে দুই লাখ টাকার চুক্তি করে। এর মধ্যে অগ্রিম ৫ হাজার টাকা প্রদান করা হয় এবং খুনের পর আরো ২০হাজার টাকা প্রদান করে। হত্যাকাণ্ডে সাতজন অংশ গ্রহণ করে। যার মধ্যে চার জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং বাকি আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

 

 

 

 

এ সময় উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ডিএসবি চাই লাউ মারমা, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সদর হেড কোয়ার্টার মো. মনিরুজ্জামান ফকির, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল ) এহ্ধসঢ়;সানুর রহমান ভ‚ইয়া, রাজৈর থানার ওসি শেখ সাদী, ডিবি ওসি মো. আল মামুন, টিআই শাহ আলম মৃধা ও মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এস.আই মো. সাব্বির সেখ।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয় সংবাদ

কুয়াকাটায় আবারও বিতর্কের শীর্ষে পৌর মৎস্যজীবী দলের এক নেতা।

মাত্র ৫ হাজার টাকা পেয়েই হত্যার মিশনে নামে খুনিরা

আপডেটের সময় : 06:27:14 pm, Monday, 14 June 2021

মাদারীপুরের রাজৈরে ক্ললেস হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন করেছে পুলিশ। সোমবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে পুলিশ সুপার গোলাম মস্তফা রাসেল তার কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে এ তথ্য প্রদান করেন।

 

 

তিনি জানান, গত ২৩ মে রাজৈর উপজেলার মজুমদারকান্দি গ্রামের মৃত কালু দর্জির ছেলে ভ্যান চালক মোতাহার দর্জি বাড়ীর পাশে মসজিদে নামাজ আদায় করে বাড়ি ফিরছিল। এ সময় আসামিরা তাকে পেছন থেকে মাথায় আঘাত করলে তিনি মাটিতে শুয়ে পড়েন। এ সময় অন্যান্য আসামিরা শরীরে আঘাত ও শ্বাসরোধ করে নৃশংসভাবে হত্যা করে একটি পাট ক্ষেতের মধ্যে ফেলে রাখে। এ ঘটনায় নিহতের স্ত্রী সামলা বেগম ২৫ মে বাদী হয়ে অজ্ঞাত আসামি করে একটি মামলা দায়ের করেন। পরবর্তীতে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই মো. সাব্বির সেখ তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে
হত্যাকাণ্ডের সাথে সরাসরি জড়িত মজুমদারকান্দি গ্রামের মৃত নেছার উদ্দিন মোল্লার ছেলে মো. ইলিয়াস মোল্লা (৪৮) কে গ্রেপ্তার করেন।

 

 

 

 

গ্রেপ্তার ইলিয়াস বিজ্ঞ আদালতে ১৬৪ ধারায় হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেন।

তার দেওয়া তথ্য মতে, গত ৯ জুন রাতে রাজৈর থানা-পুলিশ একই গ্রাম থেকে রোকন মোল্লার ছেলে আনোয়ার মোল্লা (৪০) মো. জেলেম মোল্লার ছেলে মহিদুল মোল্লা (৪৮) এবং বাসাবাড়ী গ্রামের মৃত আক্কাস ফরাজীর ছেলে এমরত ফরাজী (৫০) কে গ্রেপ্তার করেন।

 

 

 

 

সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ সুপার বলেন, নিহত মোতাহার দর্জির সাথে আসামি এমারত ফরাজীর দীর্ঘদিন ধরে জমি-জমা নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল। তারই ধারাবাহিকতায় এমারত ফরাজী মোতাহার দর্জিকে হত্যার জন্য অন্য আসামিদের সাথে দুই লাখ টাকার চুক্তি করে। এর মধ্যে অগ্রিম ৫ হাজার টাকা প্রদান করা হয় এবং খুনের পর আরো ২০হাজার টাকা প্রদান করে। হত্যাকাণ্ডে সাতজন অংশ গ্রহণ করে। যার মধ্যে চার জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং বাকি আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

 

 

 

 

এ সময় উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ডিএসবি চাই লাউ মারমা, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সদর হেড কোয়ার্টার মো. মনিরুজ্জামান ফকির, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল ) এহ্ধসঢ়;সানুর রহমান ভ‚ইয়া, রাজৈর থানার ওসি শেখ সাদী, ডিবি ওসি মো. আল মামুন, টিআই শাহ আলম মৃধা ও মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এস.আই মো. সাব্বির সেখ।