Dhaka 9:13 pm, Monday, 18 May 2026

করোনাতেও থেমে যায়নি জাতিসংঘসহ বিশ্বে ২১ ফেব্রুয়ারির কর্মসূচি

শুধু বাংলাদেশে না, ২১ ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে স্বীকৃতি পাওয়ার পর থেকে জাতিসংঘসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে দিবসটি পালিত হচ্ছে। দিবসটির এবারের প্রতিপাদ্য ‘‘শিক্ষা ও সমাজ ব্যবস্থায় অন্তর্ভুক্তির জন্য বহুভাষিকতাকে উৎসাহিত করা। এ বছর করোনার কারণে বিশ্ব কিছুটা থমকে গেলেও থেমে যায়নি একুশের কর্মসূচী।

বাংলা ভাষার অমূল্য ইতিহাসের স্বীকৃতি দিয়ে ১৯৯৯ সালের ১৭ই নভেম্বর ২১শে ফেব্রুয়ারীকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ঘোষণা করে জাতিসংঘ। এরপর থেকেই দেশে-দেশে একুশের চেতনা আরো ব্যাপক পরিসরে ছড়িয়ে পড়ে। ভাষা শহীদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদনের মাধ্যমে দিবসটি পালন করে সমগ্র বিশ্ব।

এ বছর জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী মিশন, জাতিসংঘ সদরদপ্তর ও ইউনেস্কো এবং জাতিসংঘে নিযুক্ত ব্রাজিল, কানাডা, মিশর জর্ডান, লিথুনিয়া এবং নিউজিল্যান্ড মিশনের যৌথ উদ্যোগে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালিত হচ্ছে।

তবে করোনার কারণে কর্মসূচীর ধরণ কিছুটা পরিবর্তন করে ভার্চুয়াল অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। ২২ ফেব্রুয়ারী যুক্তরাষ্ট্রের স্থানীয় সময় বেলা ১২ টায় এই ভার্চুয়াল অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। যেখানে আলোচনার পাশাপাশি একটি বহুভাষিক সাষ্কৃতিক পর্ব অনুষ্ঠিত হবে।

সব মিলিয়ে বর্তমানে সারাবিশ্বের ৩০ কোটি মানুষের ভাষা এখন বাংলা। আর তাই ভাষাবিদরা মনে করেন, সময় এসেছে বাংলাভাষাকে জাতিসংঘের দাপ্তরিক ভাষা করার।

আন্তজার্তিক মাতৃভাষা দিবসের এবার প্রতিপাদ্য ‘‘শিক্ষা ও সমাজ ব্যবস্থায় অন্তর্ভিুক্তির জন্য বহুভাষিকতাকে উৎসাহিত করা।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয় সংবাদ

কুয়াকাটায় আবারও বিতর্কের শীর্ষে পৌর মৎস্যজীবী দলের এক নেতা।

করোনাতেও থেমে যায়নি জাতিসংঘসহ বিশ্বে ২১ ফেব্রুয়ারির কর্মসূচি

আপডেটের সময় : 01:16:38 pm, Sunday, 21 February 2021

শুধু বাংলাদেশে না, ২১ ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে স্বীকৃতি পাওয়ার পর থেকে জাতিসংঘসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে দিবসটি পালিত হচ্ছে। দিবসটির এবারের প্রতিপাদ্য ‘‘শিক্ষা ও সমাজ ব্যবস্থায় অন্তর্ভুক্তির জন্য বহুভাষিকতাকে উৎসাহিত করা। এ বছর করোনার কারণে বিশ্ব কিছুটা থমকে গেলেও থেমে যায়নি একুশের কর্মসূচী।

বাংলা ভাষার অমূল্য ইতিহাসের স্বীকৃতি দিয়ে ১৯৯৯ সালের ১৭ই নভেম্বর ২১শে ফেব্রুয়ারীকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ঘোষণা করে জাতিসংঘ। এরপর থেকেই দেশে-দেশে একুশের চেতনা আরো ব্যাপক পরিসরে ছড়িয়ে পড়ে। ভাষা শহীদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদনের মাধ্যমে দিবসটি পালন করে সমগ্র বিশ্ব।

এ বছর জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী মিশন, জাতিসংঘ সদরদপ্তর ও ইউনেস্কো এবং জাতিসংঘে নিযুক্ত ব্রাজিল, কানাডা, মিশর জর্ডান, লিথুনিয়া এবং নিউজিল্যান্ড মিশনের যৌথ উদ্যোগে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালিত হচ্ছে।

তবে করোনার কারণে কর্মসূচীর ধরণ কিছুটা পরিবর্তন করে ভার্চুয়াল অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। ২২ ফেব্রুয়ারী যুক্তরাষ্ট্রের স্থানীয় সময় বেলা ১২ টায় এই ভার্চুয়াল অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। যেখানে আলোচনার পাশাপাশি একটি বহুভাষিক সাষ্কৃতিক পর্ব অনুষ্ঠিত হবে।

সব মিলিয়ে বর্তমানে সারাবিশ্বের ৩০ কোটি মানুষের ভাষা এখন বাংলা। আর তাই ভাষাবিদরা মনে করেন, সময় এসেছে বাংলাভাষাকে জাতিসংঘের দাপ্তরিক ভাষা করার।

আন্তজার্তিক মাতৃভাষা দিবসের এবার প্রতিপাদ্য ‘‘শিক্ষা ও সমাজ ব্যবস্থায় অন্তর্ভিুক্তির জন্য বহুভাষিকতাকে উৎসাহিত করা।