Dhaka 9:47 am, Saturday, 9 May 2026

আড়াই মাসে শেষ হলো সিলেট গণধর্ষণ মামলার তদন্ত

সিলেট এমসি কলেজ ছাত্রবাসে গণধর্ষণ মামলায় সাইফুর রহমানকে প্রধান আসামি করে ৮ জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দিয়েছে পুলিশ।

 

গ্রেপ্তার করা আট আসামির মধ্যে ৬ জনের বিরুদ্ধে সরাসরি ধর্ষণ ও ২ জনের বিরুদ্ধে সহায়তার বিষয়টি উল্লেখ করা হয়েছে অভিযোগপত্রে।

 

 

২৫ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় স্বামীর কাছ থেকে ছিনিয়ে নিয়ে সিলেটের এমসি কলেজ ছাত্রাবাসে গণধর্ষণ করা হয় এক গৃহবধূকে। এঘটনায় নির্যাতিতার স্বামী মামলা করলে ৮ জনকে গ্রেফতার করে আইন শৃঙ্খলা বাহিনী। যারা সবাই ছাত্রলীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত।এরমধ্যে প্রধান আসামী সাইফুর, তারেক, শাহ মাহবুব ও অর্জুন লষ্কর আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে। পুলিশের কাছে দেয়া জবানবন্দিতে রবিউল ও মাহফুজ ধর্ষণের কথা স্বীকার করেছেন।

 

 

ডিএনএ নমুনার প্রতিবেদনেও এই ছয়জনের ধর্ষণে সরাসরি যুক্ত থাকার প্রমাণ পাওয়া গেছে। বাকি দুইজনকে ধর্ষণে সহযোগিতা করেছেন। বৃহস্পতিবার সকালে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ইন্দ্রনীল ভট্টাচার্য চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আবুল কাশেমের আদালতে অভিযোগপত্র হস্তান্তর করেন।

 

একই সঙ্গে প্রধান আসামি সাইফুরের বিরুদ্ধে অস্ত্র মামলায় আরেকটি অভিযোগপত্র জমা দিয়েছে পুলিশ।মাত্র আড়াই মাসের মাথায় চাঞ্চল্যকর এই ঘটনায় তদন্তের কাজ শেষ হওয়াকে ইতিবাচক হিসেবেই দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয় সংবাদ

কুয়াকাটায় আবারও বিতর্কের শীর্ষে পৌর মৎস্যজীবী দলের এক নেতা।

আড়াই মাসে শেষ হলো সিলেট গণধর্ষণ মামলার তদন্ত

আপডেটের সময় : 06:41:35 pm, Thursday, 3 December 2020

সিলেট এমসি কলেজ ছাত্রবাসে গণধর্ষণ মামলায় সাইফুর রহমানকে প্রধান আসামি করে ৮ জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দিয়েছে পুলিশ।

 

গ্রেপ্তার করা আট আসামির মধ্যে ৬ জনের বিরুদ্ধে সরাসরি ধর্ষণ ও ২ জনের বিরুদ্ধে সহায়তার বিষয়টি উল্লেখ করা হয়েছে অভিযোগপত্রে।

 

 

২৫ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় স্বামীর কাছ থেকে ছিনিয়ে নিয়ে সিলেটের এমসি কলেজ ছাত্রাবাসে গণধর্ষণ করা হয় এক গৃহবধূকে। এঘটনায় নির্যাতিতার স্বামী মামলা করলে ৮ জনকে গ্রেফতার করে আইন শৃঙ্খলা বাহিনী। যারা সবাই ছাত্রলীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত।এরমধ্যে প্রধান আসামী সাইফুর, তারেক, শাহ মাহবুব ও অর্জুন লষ্কর আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে। পুলিশের কাছে দেয়া জবানবন্দিতে রবিউল ও মাহফুজ ধর্ষণের কথা স্বীকার করেছেন।

 

 

ডিএনএ নমুনার প্রতিবেদনেও এই ছয়জনের ধর্ষণে সরাসরি যুক্ত থাকার প্রমাণ পাওয়া গেছে। বাকি দুইজনকে ধর্ষণে সহযোগিতা করেছেন। বৃহস্পতিবার সকালে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ইন্দ্রনীল ভট্টাচার্য চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আবুল কাশেমের আদালতে অভিযোগপত্র হস্তান্তর করেন।

 

একই সঙ্গে প্রধান আসামি সাইফুরের বিরুদ্ধে অস্ত্র মামলায় আরেকটি অভিযোগপত্র জমা দিয়েছে পুলিশ।মাত্র আড়াই মাসের মাথায় চাঞ্চল্যকর এই ঘটনায় তদন্তের কাজ শেষ হওয়াকে ইতিবাচক হিসেবেই দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।