Dhaka 6:46 am, Sunday, 14 June 2026

বিশ্ববাজারে পতনের মুখে পড়েছে সোনার দাম

চলতি মাসের শুরুতে অল্প ওঠানামার মধ্যে থাকলেও কয়েক দিন ধরে বিশ্ববাজারে পতনের মুখে পড়েছে সোনার দাম। তবে, বড় ব্যবধানে সোনার পতন শুরু হয় গত মাসেই (আগস্ট)।

এর আগে করোনা ভাইরাসের তাণ্ডবে বিশ্ব অর্থনীতি টালমাটাল হয়ে পড়লে কয়েক দফা রেকর্ড ভেঙে গেল জুলাইয়ে এ যাবতকালের দাম বৃদ্ধির রেকর্ড করে ধাতুটি।

রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) বিকেলে বিশ্ববাজারে প্রতি আউন্স সোনা হাত বদল হয় ১৯৪০.৪৩ ডলারে। যা শনিবারের চেয়ে এক ডলারের কম।

এর আগে ৯ সেপ্টেম্বর প্রতি আউন্স সোনার সবশেষ দাম ছিল ১৯৪৬.৫৬ ডলার। ১০ সেপ্টেম্বর ১৯৪৫.২৩ ডলারে থামে সোনার লেনদেন। দরপতনের ধারা অব্যাহত থাকে ১১ সেপ্টেম্বরও।

আগের দিনের চেয়ে প্রতি আউন্স সোনার দাম কমে ৩.৭২ ডলার; দিন শেষ হয় ১৯৪১.৫০ ডলারে। ১২ সেপ্টেম্বর আরেক দফা দরপতনে প্রতি আউন্স সোনার দাম নামে ১৯৩৯.৩৬ ডলারে।

বিশ্ববাজারে সোনার দরপতনের কারণ হিসেবে আন্তর্জাতিক বাজার বিশ্লেষকরা ডলারের দুর্বল অবস্থান ও করোনা ভাইরাসের টিকা আবিষ্কারের অগ্রগতিকে চিহ্নিত করছেন।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয় সংবাদ

কুয়াকাটায় আবারও বিতর্কের শীর্ষে পৌর মৎস্যজীবী দলের এক নেতা।

বিশ্ববাজারে পতনের মুখে পড়েছে সোনার দাম

আপডেটের সময় : 07:03:55 pm, Sunday, 13 September 2020

চলতি মাসের শুরুতে অল্প ওঠানামার মধ্যে থাকলেও কয়েক দিন ধরে বিশ্ববাজারে পতনের মুখে পড়েছে সোনার দাম। তবে, বড় ব্যবধানে সোনার পতন শুরু হয় গত মাসেই (আগস্ট)।

এর আগে করোনা ভাইরাসের তাণ্ডবে বিশ্ব অর্থনীতি টালমাটাল হয়ে পড়লে কয়েক দফা রেকর্ড ভেঙে গেল জুলাইয়ে এ যাবতকালের দাম বৃদ্ধির রেকর্ড করে ধাতুটি।

রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) বিকেলে বিশ্ববাজারে প্রতি আউন্স সোনা হাত বদল হয় ১৯৪০.৪৩ ডলারে। যা শনিবারের চেয়ে এক ডলারের কম।

এর আগে ৯ সেপ্টেম্বর প্রতি আউন্স সোনার সবশেষ দাম ছিল ১৯৪৬.৫৬ ডলার। ১০ সেপ্টেম্বর ১৯৪৫.২৩ ডলারে থামে সোনার লেনদেন। দরপতনের ধারা অব্যাহত থাকে ১১ সেপ্টেম্বরও।

আগের দিনের চেয়ে প্রতি আউন্স সোনার দাম কমে ৩.৭২ ডলার; দিন শেষ হয় ১৯৪১.৫০ ডলারে। ১২ সেপ্টেম্বর আরেক দফা দরপতনে প্রতি আউন্স সোনার দাম নামে ১৯৩৯.৩৬ ডলারে।

বিশ্ববাজারে সোনার দরপতনের কারণ হিসেবে আন্তর্জাতিক বাজার বিশ্লেষকরা ডলারের দুর্বল অবস্থান ও করোনা ভাইরাসের টিকা আবিষ্কারের অগ্রগতিকে চিহ্নিত করছেন।