Dhaka 8:17 pm, Wednesday, 6 May 2026

জোড়া খুনের মামলায় ৬ আসামির মৃত্যুদণ্ড

টাঙ্গাইলের সদর থানার রসুলপুর গ্রামের স্কুল শিক্ষক (অবসরপ্রাপ্ত) অনিল কুমার দাস ও তার সহধর্মিণী কল্পনা দাস হত্যা মামলায় ৬ আসামিকে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত।

রোববার ( ১৩ সেপ্টেম্বর) ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারক আবু জাফর মো. কামরুজ্জামানের আদালত এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন- স্বপন কুমার দাস, মো. জাহিদুল ইসলাম, মো. ফরহাদ, মো. মনিরুজ্জামান ভূইয়া, মঞ্জুরুল ইসলাম মঞ্জু,  মো. শয়ান মিয়া।

মামলার বিবরণ থেকে জানা যায়, আসামি স্বপন কুমার দাস অন্যান্য আসামিদের সাথে পরস্পর যোগসাজসে পূর্বপরিকল্পিতভাবে অনিল কুমার দাস ও তার স্ত্রী কল্পনা দাসের সম্পত্তি আত্মসাৎ করার পরিকল্পনা করতে থাকে।

স্বপন কুমার দাসের সাথে অন্যান্য আসামিরা অনিল কুমারের সম্পত্তি আত্মসাৎ করার জন্য তাকে দিয়ে তিনটি স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর নেয়ার পরিকল্পনা করে। পরে ২০১৭ সালের ২৬ জুলাই সন্ধ্যার পর আসামিরা অনিল কুমার দাসের বাড়িতে গিয়ে তাকে ও তার স্ত্রীকে হত্যা করে।

হত্যার পর তাদের গলায় ১০ টি ইট বস্তায় ভর্তি করে বাড়ির বাথরুমের সেপটিক ট্যাংকির মধ্যে ফেলে রাখে। পরে পুলিশ সেখান থেকে লাশ দুটি উদ্ধার করে।

এ ঘটনায় দুদিন পর ২৮ জুলাই ভিকটিমদের ছেলে নির্মল কুমার দাস টাঙ্গাইল মডেল থানায় মামলা দায়ের করেন। ২০১৮ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর মামলাটিতে আদালতে অভিযোগ গঠন দাখিল করা হয়।

২০১৯ সালের ৭ আগস্ট আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন আদালত। মামলাটির বিচার চলাকালে আদালত অভিযোগ পত্রে উল্লেখিত ৩৫ জন সাক্ষীর মধ্যে ২৭ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করেন।

আসামিদের মধ্যে জাহিদুল ইসলাম ও মো. ফরহাদ আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে।

 

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয় সংবাদ

কুয়াকাটায় আবারও বিতর্কের শীর্ষে পৌর মৎস্যজীবী দলের এক নেতা।

জোড়া খুনের মামলায় ৬ আসামির মৃত্যুদণ্ড

আপডেটের সময় : 06:09:31 pm, Sunday, 13 September 2020

টাঙ্গাইলের সদর থানার রসুলপুর গ্রামের স্কুল শিক্ষক (অবসরপ্রাপ্ত) অনিল কুমার দাস ও তার সহধর্মিণী কল্পনা দাস হত্যা মামলায় ৬ আসামিকে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত।

রোববার ( ১৩ সেপ্টেম্বর) ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারক আবু জাফর মো. কামরুজ্জামানের আদালত এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন- স্বপন কুমার দাস, মো. জাহিদুল ইসলাম, মো. ফরহাদ, মো. মনিরুজ্জামান ভূইয়া, মঞ্জুরুল ইসলাম মঞ্জু,  মো. শয়ান মিয়া।

মামলার বিবরণ থেকে জানা যায়, আসামি স্বপন কুমার দাস অন্যান্য আসামিদের সাথে পরস্পর যোগসাজসে পূর্বপরিকল্পিতভাবে অনিল কুমার দাস ও তার স্ত্রী কল্পনা দাসের সম্পত্তি আত্মসাৎ করার পরিকল্পনা করতে থাকে।

স্বপন কুমার দাসের সাথে অন্যান্য আসামিরা অনিল কুমারের সম্পত্তি আত্মসাৎ করার জন্য তাকে দিয়ে তিনটি স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর নেয়ার পরিকল্পনা করে। পরে ২০১৭ সালের ২৬ জুলাই সন্ধ্যার পর আসামিরা অনিল কুমার দাসের বাড়িতে গিয়ে তাকে ও তার স্ত্রীকে হত্যা করে।

হত্যার পর তাদের গলায় ১০ টি ইট বস্তায় ভর্তি করে বাড়ির বাথরুমের সেপটিক ট্যাংকির মধ্যে ফেলে রাখে। পরে পুলিশ সেখান থেকে লাশ দুটি উদ্ধার করে।

এ ঘটনায় দুদিন পর ২৮ জুলাই ভিকটিমদের ছেলে নির্মল কুমার দাস টাঙ্গাইল মডেল থানায় মামলা দায়ের করেন। ২০১৮ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর মামলাটিতে আদালতে অভিযোগ গঠন দাখিল করা হয়।

২০১৯ সালের ৭ আগস্ট আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন আদালত। মামলাটির বিচার চলাকালে আদালত অভিযোগ পত্রে উল্লেখিত ৩৫ জন সাক্ষীর মধ্যে ২৭ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করেন।

আসামিদের মধ্যে জাহিদুল ইসলাম ও মো. ফরহাদ আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে।