লকডাউনের নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে শিমুলিয়া-বাংলাবাজার নৌরুটের ফেরিতে যাত্রীদের ভিড় দেখা গেছে। আজ রোববার ভোর থেকে ফেরিতে ঢাকা ও দক্ষিণবঙ্গগামী উভয়মুখী হাজার হাজার যাত্রী পারাপার হতে দেখা যায়। আসন্ন লকডাউনের ঘোষণায়
ঘুর্ণিঝড় “ইয়াস” এবং পূর্ণিমার জোয়ারের প্রভাবে নোয়াখালীর কবিরহাট উপজেলার ৬ নং ধানশালিক ইউনিয়নের বিস্তীর্ণ এলাকা বঙ্গোপসাগরের লবনাক্ত জোয়ারের পানিতে প্লাবিত হয়েছে। এতে পানি বন্দী হয়ে পড়েছে হাজার হাজার মানুষ, আবাদি
এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে রুট অ্যাসাইনমেন্টের মধ্যে থাকা পাইপলাইন স্থানান্তরের কাজের জন্য রাজধানীর বেশ কিছু এলাকায় আজ বৃহস্পতিবার (২৭ মে) কয়েক ঘণ্টা গ্যাস সরবরাহ বন্ধ থাকবে। এক বিজ্ঞপ্তিতে তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড
ঘূর্ণিঝড় ইয়াসের প্রভাবে পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌরুটে ফেরি ও লঞ্চ চলাচল বন্ধ রয়েছে। এতে দুর্ভোগে পড়েছে হাজারও যাত্রী। পারাপারের অপেক্ষায় সহস্রাধিক ছোট-বড় যানবাহন। বুধবার (২৬ মে) ফেরিঘাটে এমন দৃশ্য দেখা গেছে। ঘাট
পদ্মা নদীতে ঘন কুয়াশার কারণে দীর্ঘ ১১ ঘণ্টা বন্ধ থাকার পর পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া রুটে আবারও ফেরি চলাচল শুরু হয়েছে। কুয়াশা কেটে যাওয়ার পর মঙ্গলবার সকাল ১০টা থেকে এই নৌপথে
সামান্য বৃষ্টিতেই যশোর পৌরসভার ৬ ও ৭ নং ওয়ার্ডে সৃষ্টি হয় জলাবদ্ধতা। স্থানীয়দের অভিযোগ, এ সংকট নিরসনে গেল কয়েক বছরে পৌর কর্তৃপক্ষ কোটি কোটি টাকা ব্যয় করার পরও কোন সুফল
সাগরে সৃষ্ট লঘুচাপ এবং মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে ঝালকাঠির সুগন্ধা ও বিষখালী নদীতে পানি বৃদ্ধি পেয়েছে। বুধবার সকাল থেকে নদীর পানি বিপদসীমার ৩৫ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে বইছে। এতে জেলার নিম্নাঞ্চলের অন্তত
বরিশাল সহ দক্ষিনাঞ্চলে বিরামহীনভাবে দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়া বিরাজ করছে। অব্যাহত বৃষ্টিতে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। নগরীর বিভিন্ন স্থানে সৃষ্টি হয়েছে জলাবদ্ধতার। বঙ্গোপ সাগরে লঘুচাপের কারণে আরও দুই-একদিন বৃষ্টি হতে পারে বলে