Dhaka 9:58 pm, Tuesday, 5 May 2026

নেত্রকোণায় এক কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগ

নেত্রকোণা জেলার সদর উপজেলার মদনপুুর ইউনিয়নের মদনপুর ফকিরপাড়া গ্রামের আব্দুর রহিমের মেয়েকে ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। গতকাল সন্ধ্যায় আব্দুর রহিমের বাড়িতে হাবিকুল ইসলাম (২৩) নামের ছেলেটি এসে তার মেেয়েকে বসতঘরে ডুকে জোরপূর্বক দর্শন করে।

এলাকাবাসী সূত্রে জানা য়ায়, হাবিকুল ইসলাম নামের ছেলেটি আব্দুর রহিম মিয়ার বাড়িতে ১৩-০৮-২০২১ তারিখ শুক্রবার সন্ধ্যায় এসে লিজা আক্তারকে জোরকরে ধর্ষণ করে। পরে স্থানীয় লোকজন হাবিকুলকে আটক করে। তবে আরো জানা যায় হাবিকুলের বোনের স্বামী বদরুল মিয়ার সহযোগিতায় এ ঘটনাটি ঘটেছে।

হাবিকুলকে আটক করলে এলাকার গন্য মান্য ব্যাক্তিগন একটি গ্রাম্য শালিশে বিষটি মিমাংসার জন্য বসেছিল। কিন্তু পরে হাবিকুলের বোনের স্বামী বদরুল মিয়া এসে জানায় আপনারা যাহা পারেন তাহা করেন। এ বিষয়ে মদনপুর ফকির পাড়া গ্রামের লোকজন ক্ষিপ্ত হয়।

এলাকায় বর্তমানে সমালোচনার ঝর চলছে। এ বিষয়ে মদনপুর ইউনিয়নের ১ নং ওয়ার্ডের মেম্বার জাহাঙ্গীরের সাথে কথা বললে তিনি বলেন, ধর্ষণের ঘটনা সত্য তবে আমরা এলাকাবাসী মিমাংসার জন্য চেষ্টা করেছিলাম। কিন্তু বদরুল মিয়া বলেন আইনে যা হবে তাই হোক। পরে গ্রাম্য শালিশ থেকে সকলে চলে যায়।

এ ব্যাপারে মদনপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ফরিদ আহম্মেদের সাথে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন, আমি থানায় ফোন করেছি আইনি ব্যাবস্থা গ্রহন করার জন্য। এ ব্যাপারে নেত্রকোণা মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ খন্দকার শাকের আহমেদের সাথে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন, গতরাতে ধর্ষণকারীকে আটক করা হয়েছে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয় সংবাদ

কুয়াকাটায় আবারও বিতর্কের শীর্ষে পৌর মৎস্যজীবী দলের এক নেতা।

নেত্রকোণায় এক কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগ

আপডেটের সময় : 11:51:13 am, Saturday, 14 August 2021

নেত্রকোণা জেলার সদর উপজেলার মদনপুুর ইউনিয়নের মদনপুর ফকিরপাড়া গ্রামের আব্দুর রহিমের মেয়েকে ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। গতকাল সন্ধ্যায় আব্দুর রহিমের বাড়িতে হাবিকুল ইসলাম (২৩) নামের ছেলেটি এসে তার মেেয়েকে বসতঘরে ডুকে জোরপূর্বক দর্শন করে।

এলাকাবাসী সূত্রে জানা য়ায়, হাবিকুল ইসলাম নামের ছেলেটি আব্দুর রহিম মিয়ার বাড়িতে ১৩-০৮-২০২১ তারিখ শুক্রবার সন্ধ্যায় এসে লিজা আক্তারকে জোরকরে ধর্ষণ করে। পরে স্থানীয় লোকজন হাবিকুলকে আটক করে। তবে আরো জানা যায় হাবিকুলের বোনের স্বামী বদরুল মিয়ার সহযোগিতায় এ ঘটনাটি ঘটেছে।

হাবিকুলকে আটক করলে এলাকার গন্য মান্য ব্যাক্তিগন একটি গ্রাম্য শালিশে বিষটি মিমাংসার জন্য বসেছিল। কিন্তু পরে হাবিকুলের বোনের স্বামী বদরুল মিয়া এসে জানায় আপনারা যাহা পারেন তাহা করেন। এ বিষয়ে মদনপুর ফকির পাড়া গ্রামের লোকজন ক্ষিপ্ত হয়।

এলাকায় বর্তমানে সমালোচনার ঝর চলছে। এ বিষয়ে মদনপুর ইউনিয়নের ১ নং ওয়ার্ডের মেম্বার জাহাঙ্গীরের সাথে কথা বললে তিনি বলেন, ধর্ষণের ঘটনা সত্য তবে আমরা এলাকাবাসী মিমাংসার জন্য চেষ্টা করেছিলাম। কিন্তু বদরুল মিয়া বলেন আইনে যা হবে তাই হোক। পরে গ্রাম্য শালিশ থেকে সকলে চলে যায়।

এ ব্যাপারে মদনপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ফরিদ আহম্মেদের সাথে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন, আমি থানায় ফোন করেছি আইনি ব্যাবস্থা গ্রহন করার জন্য। এ ব্যাপারে নেত্রকোণা মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ খন্দকার শাকের আহমেদের সাথে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন, গতরাতে ধর্ষণকারীকে আটক করা হয়েছে।