1. sbtv24@sadhinbangla.tv : asd barta : asd barta
বৃহস্পতিবার, ১৯ মার্চ ২০২৬, ১০:২২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
কুয়াকাটায় আবারও বিতর্কের শীর্ষে পৌর মৎস্যজীবী দলের এক নেতা। পটুয়াখালীতে অনলাইন জুয়ার ভয়াবহ বিস্তার! নিঃস্ব হচ্ছে হাজারো পরিবার। পটুয়াখালীতে বরগুনার ব্যবসায়ীর রহস্যজনক মৃত্যু: ঝুলন্ত লাশের পায়ের নিচে বালিশ! পটুয়াখালীতে নদীখেকোদের রাজত্বের অবসান! পটুয়াখালী বাস টার্মিনালে এখনো কেন বহাল তবিয়তে ফ্যাসিস্টের দোসররা? প্রশ্ন তুলছে ছাত্র-জনতা পটুয়াখালী-৩ আসনে ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী মুফতি আবু বকর সিদ্দিকের গণসংযোগ ও পথযাত্রা অবৈধ মাটি দস্যুদের তাণ্ডব রুখে দিলো প্রশাসন শহীদ ওসমান হাদির শোকে জাতি যখন স্তব্ধ, পটুয়াখালীতে তখন উৎসবের ‘ধৃষ্টতা’ যৌতুক মামলায় হাজিরা দিতে এসে, সতিনের বর্বরোচিত হামলা! পটুয়াখালী জজ কোর্টে রক্তাক্ত প্রথম স্ত্রী। পটুয়াখালীর রাজনীতিতে নতুন মোড়!

বহুল আলোচিত প্রজাপতি ব্যবসায়ি সমবায় সমিতির কোটি টাকা লুটপাট

লালমনিরহাট প্রতিনিধি।।
  • আপডেটের সময় : মঙ্গলবার, ১০ আগস্ট, ২০২১
  • ৩৬৪ সময় দর্শন

লালমনিরহাট জেলার আদিতমারী উপজেলার মহিষখোচা ইউনিয়ন বাজারস্থ মহিষখোচা প্রজাপতি ব্যবসায়ী সমবায় সমিতি লিঃ এর সভাপতি, সহঃ সভাপতি, সম্পাদক ও ক্যাশিয়ার এর বিরুদ্ধে সমিতির সদস্যদের সঞ্চয়ের ৩০ লক্ষ টাকা লোপাটের অভিযোগ উঠেছে ।

এ ব্যাপারে আদালতে একটি মামলা দায়ের করেছেন সমিতির এক সদস্য। দায়িত্ব এড়াতে সমিতির গভর্ণিং বডির সদস্যদের একে-অপরকে দোষারোপ ।

অভিযোগে জানা যায়, মহিষখোচা প্রজাপতি ব্যবসায়ী সমবায় সমিতি লিঃ গত ২০১২ সালের মার্চ মাসে প্রতিষ্ঠিত হয় । গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার অনুমোদিত এই সমিতির রেজি নং-৫৮ । বর্তমানে সমিতির সদস্য সংখা পাচ হাজার দুইশত ।

২০২০ সালের জুন পর্যন্ত তৎকালীন মাঠ পর্যায়ের বিতরণকৃত লোনের পরিমান ছিল প্রায় কোটি টাকার সমান হলেও এই প্রতিষ্ঠানের মোট মূলধনের পরিমান ছিল প্রায় তের কোটি টাকা। মুলধনের পুরো টাকাটাই সমিতির সদস্যদের কাছ থেকে দৈনিক, সাপ্তাহিক ও মাসিক হারে গ্রহনকৃত ।

সরেজমিন তদন্তকালে দেখা যায, সমিতির সদস্য মোছাঃ মর্জিনা বেগম, মোছাঃ দুলালি বেগম. মোঃ ফজলার রহমান, আব্দুল হান্নান, স্বপ্না বেগম, মুহসীন আলী, শাপলা বেগম এবং সাইদুুল ইসলাম ও মহুবর রহমানসহ মোট ১১জন সদস্যের অভিযোগের ভিত্তিতে দেখা যায় তারা দৈনিক, সাপ্তাহিক ও মাসিক হারে টাকা জমা রাখত । তাদের সকলের জমাকৃত টাকার পরিমান ছিল ৪ লাখ ৩৫ হাজার ৪শত ত্রিশ।

সমিতির অধিকাংশ সদস্যরা নিতান্তই খেটে খাওয়া অসহায় গরীব মানুষ। এদের কেউ ডিম বিক্রি করে এবং মুদি দোকান করে তাদের কষ্টার্জিত টাকা ভবিষ্যতে মুনাফা লাভের আশায় দৈনিক, সাপ্তাহিক ও মাসিক হারে সমিতিতে সঞ্চয় জমা রেখেছিল। এই টাকা সমিতির সভাপতি-সহঃ সভাপতি-সম্পাদক-ক্যাশিয়ারসহ যারা দ্বায়িত্বে ছিলেন তারা কৌশলে তাদের টাকা আত্মসাত করবার অপচেষ্টায় ব্যস্ত ছিলেন মর্মে অভিযোগে জানা যায়। তারা বলেন, আমরা গরীব মানুষ আমাদের টাকা ফেরত দেবার ব্যবস্থা করে দেন।

অর্থ আত্মসাতের ব্যাপারে সমিতির সভাপতি মোঃ জাহিদুল ইসলাম বলেন, আমি সভাপতি ছিলাম ২০১২ থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত । তাও আবার নামে মাত্র। সমিতিতে কে কখন কাকে কিভাবে টাকা পয়সা লোন দিয়েছেন আমি কিছুই জানিনা । কিভাবে সঞ্চয় তারা আদায় করেছেন তাও জানিনা ।

তবে এতটুকু বলতে পারবো আমি দায়িত্বে থাকাকালীর অবস্থায় সমিতির চার বারে লাভ হয়েছিল তিন লাখ ৩৭ হাজার টাকা। তাছাড়া আমি নিজেও এ সমিতির সদস্য ছিলাম। আমার নিজ নামীয় সাপ্তাহিক জমার পরিমান ছিল প্রায় ৭২০০০টাকা । তাছাড়া সভাপতি আরও বলেন, আমার অনুপস্থিতিতে কাশিয়ার- সম্পাদক-সহ:সভাপতি নামে বেনামে প্রায় চার লাখ টাকা সরিযে নেয় ।

কোন কোন ক্ষেত্রে ১০ লাখ টাকার সঞ্চয় ৫ লাখ টাকায় পরিশোধ করেছে।

সমিতির সম্পাদক আঃ হক বলেন,অত্র প্রতিষ্ঠানের মোট সদস্য সংখ্যা ৫২০০জন,জমাকৃত টাকার পরিমান দাড়িয়েছিল প্রায ১৩ কোটি টাকা যা সদস্যের বিভিন্ন মেয়াদে জমাকৃত সঞ্চয়ের টাকা । গত ২০১২ সালের ১২ মার্চ প্রতিষ্টিত হয়ে ১১ই সেপ্টেম্বর ২০২০ইং সাল পর্যন্ত সমিতির কার্যত্রম অব্যাহত ছিল ।

আমার দায়িত্ব নেবার পূর্বে পার্টনারশীপ ছিল ৬জন। তিন জন চলে যাওয়ার পর এবং নতুন একজন (জিয়াউর) যোগ দিলে সমিতির দায়িত্বশীল বডিতে আমরা চারজন দায়িত্ব গ্রহন করি। পূর্বের তিনজন চলে যাওয়ার সময় তাদের লাভ্যাংশের পাচ লাখ একষট্টি হাজার টাকা নিয়ে চলে যায় ।

আমি দায়িত্ব গ্রহনকালে মূলধনের পরিমান ছিল (৫০-৬০) লাখ টাকা
আপনারা কত বেতন নিতেন ? এমন প্রশ্নের উত্তরে বলেন, সভাপতি, সহঃ সভাপতি আট হাজার টাকা, সম্পাদক-ক্যাশিয়ার দশ হাজার টাকা মাসিক হারে বেতন নেয়াহতো ।

আমাদের দ্বন্দের মূল কারণ সভাপতি এবং ক্যাশিয়ার । কোন মিটিং ডাকলে সভাপতি-সম্পাদক সে মিটিং এ উপস্থিত থাকতেন না। অভ্যন্তরীন কোন্দল যখন বেশী মাত্রায় দেখা দেয় সে সুযোগে সভাপতি নিজ ক্ষমতাবলে এমদাদের দ্বারা ভারপ্রাপ্ত উপজেলা চেয়ারম্যান চিত্তবাবুর মাধ্যমে মাধ্যমে পূরো কমিটি পরিবর্তন করবার অপচেষ্টা করেন । কোষাধ্যক্ষ এককভাবে (২০১৮-২০২০) মোট ২-৩ সাল পর্যন্ত একাই অফিস পরিচালনা করেন ।

সমিতির সমস্ত টাকা ব্যাংকে জমা না রেখে একাই হস্তগত করেন ।আমার যানামতে সে সময় কোষাধক্ষের হাতে টাকা ছিল সাত লাখ। সে সময় লেনদেন কার্যক্রমকোষাধ্যক্ষ একাই পরিচালনা করেন । রজুলেশন বই ও কর্মীর অংগিক্ার পত্র সহ অনেক কাগজপত্র নিজেইকোষাধ্যক্ষ সড়িয়ে রাখেন ।

আমি, গত জুন ২০২০ইং এ বাধ্য হয়ে মাঠ কর্মী ফখরুল এবং আ: খালেক এর মাধ্যমে এসমস্ত ঘটনা ইউএনও মহোদ্বয় আদিতমারীকে জানাই ।

ইউএনও মহোদ্বয় উপজেলা সমবায় কর্মকর্তাকে নির্দেশ দিলে তিনি সবাইকে মহিষখোচা ইউনিয়ন পরিষদে ডেকে মিটিং এর মাধ্যমে এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তি বর্গের উপস্থিতিতে সদস্যদের টাকা দু-তৃতীয়াংশ ফিরত দানের ব্যবস্থা করেন । সেসময় আমরা চারজন (১৫-০২-২১ইং এবং ১২-০৩-২০২১) ইং দুই তারিখে ৪৪ লাখ একানব্বই হাজার তিন শত পচানব্বই টাকা পরিশোধ করলেও অনেক সদস্য বাকী থেকে যায় ।

ইউএনও মহোদ্বয় বাকী সদস্যদের টাকা স্থানীয় কামাল,হোছট মেম্বার,আ:হক,সেকেন্দার মেম্বারসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তি বর্গের দারা পরিষোধ করবার তাগিত দেন । কিন্তু আদৌ এ পর্যন্ত প্রায় দু-তিনশ সদস্য তাদের সচ্ঞয়ের টাকা ফিরত পাননি

অত্র প্রতিষ্ঠানের ক্যাশিয়ার আঃ সালাম বলেন, মাঠে যে সমস্ত টাকা অলস পরে আছে সেগুলো তুলে সাধারণ সদস্যের মাঝে ভাগ করে দেবার দায়িত্ব নিয়েছেন, তাদেরকে বলেননা কেন ? তিনি গর্ব করে বলেন, মতিয়ার উকিল পর্যন্ত কিছু করতে পারেনি আর তো বাকী সব ।

তিনি আরো বলেন রক্ষক যদি ভক্ষক হয় তাদের সাথে পাওয়া যায়না । এ ক্ষেত্রে তিনি বিচারকদের দূর্বলতার কথাও বলেন। সঞ্চয়ের টাকা সদস্যরা না পাওয়ার পিছনে বিচারকগণ ও দ্বায়ী।

উপজেলা যুবলীগ সভাপতি কামাল বলেন আমি এবং আমরা যারা দায়িত্বে ছিলাম সবাই চেষ্টা করেছি বিষয়টি সমাধান করবার জন্য । আমরা কিছু টাকা সদস্যের মাঝে বিতরণ ও করেছি ।তিনি ক্যাশিয়ারের কথা নাকচ করে বলেন ওনারা গরীব মানুষের মেরে খেলে তার জবাব তারাই দিবে ।

 

রহমানকে ফোন দিলে তার ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।

টাকা ফিরত না পাওয়ার ব্যাপারে উপজেলা সমবায় কর্মকর্তার সেল ফোনে কথা হলে তিনি বলেন মহিষখোচা প্রজাপতি বাবসায়ী সমবায় সমিতি লিঃ এ্র সকল কার্যত্রম বন্ধ এবং তাদের নিবন্ধন বাতিল করা হয়েছে । সদস্যদের টাকা স্থানীয় কামাল, হোছট মেম্বার, আঃ হক,সেকেন্দার মেম্বারসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তি বর্গের দারা পরিষোধ করবার অনুরোধ করা হয়েছে।

দীর্ঘদিন ঘোড়াঘুড়ির এক পর্যায়ে টাকা ফেরত না পাওয়ার কারণে অত্র প্রতিষ্ঠিানের সদস্য মহুবর রহমান, সদস্য কোড নং : ৬৫১ বিজ্ঞ সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট,আমলী আদালত-২ এ ৪২০/৪০৬/১০৯ ধারায় মামলা দ্বায়ের করেন । মামলা নং সিআর ১১৬/২০২১(এ) তারিখ: ২৩-০৬-২১ইং মহুবর রহমান বনাম জাহিদুল ইসলাম ্। আদালত ফৌজদারী কার্যবিধির২০০ধারা মতে,অভিযোগকারীর হলফ পাঠঅন্তে জবানবন্দি গ্রহণ করে ১৬-৮-২০২১ইং তারিখের মধ্যে সমস্ত কাগজপত্র পিআরবি- ২৬১ প্রবিধান মতে ওসি আদিতমারী কে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন ।

আরো পড়ুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

পড়ুন এই বিভাগের আরও খবর

Chairman Md. Azadul Islam. CEO Md. Amir Hossain. Editor S, M, Shamim Ahmed. Managing Director Md. Lokman Mridha, office House # 43 ( Ground Flooor ) 47 Road No. 30, Mirpur, Dhaka Division - 1216

 

ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Smart iT Host
Hwowlljksf788wf-Iu