Dhaka 5:01 pm, Tuesday, 26 May 2026

বমি বেঁচে রাতারাতি কোটিপতি তারা

সাগরে মাছ ধরতে গিয়ে বিশ্বের সবচেয়ে বড় প্রাণী তিমির বমি পান ৩৫ জন জেলের একটি দর। কিন্তু প্রথমে তারা বুঝতে পারেননি এটি কি। পরে তারা বুঝতে  পারেন তাদের হাতে এসেছে বিশ্বে অন্যতম দামি বস্তু তিমির বমি । আর সেই বস্তু পেয়ে রাতারাতি কোটিপতি হয়ে গেছে একদল জেলে।

ইয়েমেনের ওই জেলে দল সম্প্রতি ২৮০ পাউন্ড ওজনের বমির দলা পেয়েছেন। যার দাম প্রায় ১৫ লাখ ডলার বা ১২ কোটি ৭৮ লাখ ২৩ হাজার টাকা।

এডেন উপসাগরে মাছ ধরতে গিয়েছিল ইয়েমেনি এক জেলে দল। তখনই মহামূল্য তিমির বমি পান ৩৫ জন জেলের ওই দলটি। কিন্তু প্রথমে তারা বুঝতে পারেননি এটি কি। কিন্তু এর অত্যন্ত প্রবল গন্ধ থেকে তারা বুঝতে পারেন যে এটা তিমির বমি। স্পার্ম হোয়েলে নাড়িভুড়ি থেকে এই বস্তু নির্গত হয়।

সুগন্ধি তৈরিতে এই বমি ব্যবহার করা হয়। কেননা এর মধ্যে গন্ধহীন অ্যালকোহল থাকে। তাই সুগন্ধিকে দীর্ঘ সময় ধরে রাখতে সেই অ্যালকোহল ব্যবহার করা হয়।

কিন্তু সচরাচর তিমির বমি পাওয়া যায় না। তাই এটার দামও অনেক। এজন্য সুগন্ধি প্রস্তুতকারকরা এই অ্যালকোহলের পরিবর্তে সাধারণত সিনথেটিক ব্যবহার করে থাকে।

ওই জেলেরা মরা তিমি পেয়ে প্রথমে সেটির পেট কাটে। এরপরই বেরিয়ে আসে মহামূল্য ‘ভাসমান সোনা’। তখন সেটি সংযুক্ত আরব আমিরাতের এক ব্যক্তির কাছে বিক্রি করে দেয় তারা। এজন্য তারা ১৫ মিলিয়ন ডলার নিয়েছেন।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয় সংবাদ

কুয়াকাটায় আবারও বিতর্কের শীর্ষে পৌর মৎস্যজীবী দলের এক নেতা।

বমি বেঁচে রাতারাতি কোটিপতি তারা

আপডেটের সময় : 06:36:54 pm, Friday, 4 June 2021

সাগরে মাছ ধরতে গিয়ে বিশ্বের সবচেয়ে বড় প্রাণী তিমির বমি পান ৩৫ জন জেলের একটি দর। কিন্তু প্রথমে তারা বুঝতে পারেননি এটি কি। পরে তারা বুঝতে  পারেন তাদের হাতে এসেছে বিশ্বে অন্যতম দামি বস্তু তিমির বমি । আর সেই বস্তু পেয়ে রাতারাতি কোটিপতি হয়ে গেছে একদল জেলে।

ইয়েমেনের ওই জেলে দল সম্প্রতি ২৮০ পাউন্ড ওজনের বমির দলা পেয়েছেন। যার দাম প্রায় ১৫ লাখ ডলার বা ১২ কোটি ৭৮ লাখ ২৩ হাজার টাকা।

এডেন উপসাগরে মাছ ধরতে গিয়েছিল ইয়েমেনি এক জেলে দল। তখনই মহামূল্য তিমির বমি পান ৩৫ জন জেলের ওই দলটি। কিন্তু প্রথমে তারা বুঝতে পারেননি এটি কি। কিন্তু এর অত্যন্ত প্রবল গন্ধ থেকে তারা বুঝতে পারেন যে এটা তিমির বমি। স্পার্ম হোয়েলে নাড়িভুড়ি থেকে এই বস্তু নির্গত হয়।

সুগন্ধি তৈরিতে এই বমি ব্যবহার করা হয়। কেননা এর মধ্যে গন্ধহীন অ্যালকোহল থাকে। তাই সুগন্ধিকে দীর্ঘ সময় ধরে রাখতে সেই অ্যালকোহল ব্যবহার করা হয়।

কিন্তু সচরাচর তিমির বমি পাওয়া যায় না। তাই এটার দামও অনেক। এজন্য সুগন্ধি প্রস্তুতকারকরা এই অ্যালকোহলের পরিবর্তে সাধারণত সিনথেটিক ব্যবহার করে থাকে।

ওই জেলেরা মরা তিমি পেয়ে প্রথমে সেটির পেট কাটে। এরপরই বেরিয়ে আসে মহামূল্য ‘ভাসমান সোনা’। তখন সেটি সংযুক্ত আরব আমিরাতের এক ব্যক্তির কাছে বিক্রি করে দেয় তারা। এজন্য তারা ১৫ মিলিয়ন ডলার নিয়েছেন।