রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে করোনারি কেয়ার ইউনিটে চিকিৎসাধীন রয়েছেন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। গতকাল বুধবার তার শ্বাসকষ্ট বাড়লে অক্সিজেনের মাত্রা বাড়ান চিকিৎসকরা। তা ছাড়া ফুসফুসে যে পানি জমেছিল, তা আগেই বের করা হয়েছে।এরই মধ্যে খালেদা জিয়ার চিকিৎসায় গঠিত মেডিকেল বোর্ডের সদস্যরা তার সর্বশেষ শারীরিক অবস্থা সম্পর্কে সাংবাদিকদের অবহিত না করায় উদ্বেগ বাড়ছে দলটির নেতাকর্মীদের মাঝে।গতকাল রাতে খালেদা জিয়াকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশে পাঠানোর আবেদন নিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বাসায় যান তার ছোট ভাই শামীম ইস্কান্দারসহ পরিবারের সদস্যরা।পরে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল সাংবাদিকদের বলেন, ‘আজ (গতকাল) রাত সাড়ে ৮টায় খালেদা জিয়ার ছোট ভাই শামীম ইস্কান্দার একটি আবেদন নিয়ে এসেছিল। আমরা এটি গ্রহণ করেছি। এটি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে আইন মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হবে। আইন মন্ত্রণালয় যে গাইডলাইন দেবে সেটি যাচাইবাছাই করে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।’তিনি আরও বলেন, ‘যদি তার চিকিৎসার প্রয়োজন হয় তাহলে ইতিবাচক সিদ্ধান্ত নেবে সরকার। তবে আলোচনার বিষয়বস্তু নিয়ে গণমাধ্যমে কিছু জানাননি স্বজনরা।স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বাসা থেকে বের হয়ে শামীম এস্কান্দার সংবাদমাধ্যমকে বলেন, ‘খালেদা জিয়াকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশে নিতে চাই আমরা। তাই দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালের সঙ্গে যে কথা বলেছেন তার ধারাবাহিকতার অংশ হিসেবে তার কাছে আবেদনপত্র পৌঁছে দিয়েছি। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনার আশ্বাস দিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।’