জুলাই বিপ্লবের যোদ্ধা শরিফ ওসমান হাদির মৃত্যুতে যখন সারা দেশে শোকের ছায়া, তখন পটুয়াখালীতে দেখা গেলো ভিন্ন চিত্র। ঐতিহাসিক জুবিলী উচ্চ বিদ্যালয়ে আয়োজন করা হয়েছে কনসার্ট ও উৎসবের। রাষ্ট্রীয় শোকের সময়ে এমন আয়োজন নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে সাধারণ মানুষ। বিস্তারিত জানাচ্ছেন পটুয়াখালী প্রতিনিধি লোকমান মৃধা।
সিঙ্গাপুরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বৃহস্পতিবার রাতেই না ফেরার দেশে চলে গেছেন জুলাই বিপ্লবের অন্যতম যোদ্ধা ও ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদি। তার মৃত্যুতে শোকে স্তব্ধ পুরো জাতি। খোদ প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসও জানিয়েছেন গভীর শোক।
অথচ এই শোকের আবহ কাটতে না কাটতেই, শুক্রবার পটুয়াখালী সরকারি জুবিলী উচ্চ বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে দেখা গেল উৎসবের আমেজ। সাড়ম্বরে আয়োজন করা হয়েছে গান-বাজনা ও কনসার্টের।
স্থানীয়রা অভিযোগ করছেন, রাষ্ট্রীয় শোক এবং একজন বীরের আত্মত্যাগের প্রতি সম্মান না দেখিয়ে এই উৎসব আয়োজন নিছক ধৃষ্টতা। দুর্বৃত্তদের গুলিতে আহত হয়ে দীর্ঘ ছয় দিন লড়াইয়ের পর হাদির শাহাদাতবরণের পরদিনই এমন আয়োজন মেনে নিতে পারছেন না জেলার সাধারণ শিক্ষার্থী ও জনতা।
আগামীকাল ২০ ডিসেম্বর দেশজুড়ে যখন তার স্মরণে কর্মসূচি পালিত হওয়ার কথা, তখন এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ভূমিকা নিয়ে জেলাজুড়ে বইছে সমালোচনার ঝড়।