1. sbtv24@sadhinbangla.tv : asd barta : asd barta
সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬, ০৭:১৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
কুয়াকাটায় আবারও বিতর্কের শীর্ষে পৌর মৎস্যজীবী দলের এক নেতা। পটুয়াখালীতে অনলাইন জুয়ার ভয়াবহ বিস্তার! নিঃস্ব হচ্ছে হাজারো পরিবার। পটুয়াখালীতে বরগুনার ব্যবসায়ীর রহস্যজনক মৃত্যু: ঝুলন্ত লাশের পায়ের নিচে বালিশ! পটুয়াখালীতে নদীখেকোদের রাজত্বের অবসান! পটুয়াখালী বাস টার্মিনালে এখনো কেন বহাল তবিয়তে ফ্যাসিস্টের দোসররা? প্রশ্ন তুলছে ছাত্র-জনতা পটুয়াখালী-৩ আসনে ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী মুফতি আবু বকর সিদ্দিকের গণসংযোগ ও পথযাত্রা অবৈধ মাটি দস্যুদের তাণ্ডব রুখে দিলো প্রশাসন শহীদ ওসমান হাদির শোকে জাতি যখন স্তব্ধ, পটুয়াখালীতে তখন উৎসবের ‘ধৃষ্টতা’ যৌতুক মামলায় হাজিরা দিতে এসে, সতিনের বর্বরোচিত হামলা! পটুয়াখালী জজ কোর্টে রক্তাক্ত প্রথম স্ত্রী। পটুয়াখালীর রাজনীতিতে নতুন মোড়!

একুশে ফেব্রুয়ারির গানটি লেখার কৃতিত্ব আমার না: আব্দুল গাফফার চৌধুরী

অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেটের সময় : রবিবার, ২১ ফেব্রুয়ারী, ২০২১
  • ৫০৭ সময় দর্শন

একুশের গান, প্রভাত ফেরীর গান। আমার ভায়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি। গানটির স্রষ্টা আব্দুল গাফফার চৌধুরী বিনয়মিশ্রিত কণ্ঠে বলেন, গানটি লেখার পেছনে তার নিজের কোন কৃতিত্ব নেই। তখনকার সময়, বাঙালীর আবেগ, অনুভূতিই তাকে গানটি লিখেয়েছে। কালজয়ী করেছে।

গানটি লেখার অপরাধে তাকে কলেজ থেকে বহিষ্কারও করা হয়েছিল। প্রভাত ফেরীর এ গানকে ঘিরে আব্দুল গাফফার চৌধুরী তার স্মৃতিকথা জানান নিউজ টোয়েন্টিফোরকে।

ফাগুনের এই দিনে রক্তাক্ত হয়েছিল রাজপথ। ভাষাসৈনিক রফিকের নিথর দেহ দেখে কবিতার লাইন লিখেছিলেন আব্দুল গাফফার চৌধুরী।

তিনি বলেন, রফিকের নিথর দেহ পড়ে আছে। মাথার খুলি নেই। মনে হচ্ছে যেন আমার ভাই পড়ে আছে। তখন হঠাৎ করেই ‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি’ এই লাইন মুখে চলে আসে। গানটি লিখতে আমার কোন কৃতিত্ব নেই। গানটা এমন সময় লিখেছিলাম নিজের অজান্তেই।

ভাষা আন্দোলনের প্রথম প্রকাশিত লিফলেটে এটি ’একুশের গান’ শিরোনামে প্রকাশিত হয়। আব্দুল গাফফার চৌধুরী তখন ঢাকা কলেজের ছাত্র। গানটি লেখার অপরাধে তাকে বহিষ্কার করা হয়েছিল।

আব্দুল গাফফার চৌধুরী বলেন, ওই সময় গানিটিকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়। এরপর হাসান হাফিজুর রহমানের একটি সংকলনে এই কবিতাটি ছিল। ওই সংকলনটিও নুরুল আমীন সরকার নিষিদ্ধ ঘোষণা করে।

গানটিতে প্রথমে আব্দুল লতিফ সুর করেন। পরে তার অনুমতি নিয়ে আলতাফ মাহমুদ সুর দেন। ১৯৫৪ সালে প্রভাত ফেরিতে প্রথম আলতাফ মাহমুদের সুরে গানটি গাওয়া হয়। সেই সুরই এখন গানটির প্রতিষ্ঠিত সুর।

১৯৬৯ সালে জহির রায়গান তাঁর জীবন থেকে নেওয়া চলচ্চিত্রে এই গান ব্যবহার করেন। ২০১৬ সালে গানটি হিন্দি, মালয়, আরবি, ফরাসি, স্পেনীয়, সুইডিশ, রুশ, জাপানিজ, চীনা, ইতালীয়, বাংলা ও ইংরেজী মোট ১২টি ভাষায় গাওয়া হয়। সিয়েরা লিয়নের ক্রিয় ভাষায়ও গানটি গাওয়া হয়।

বিবিসি শ্রোতা জরিপে বাংলা ভাষার শ্রেষ্ঠ গানের তালিকায় এটি তৃতীয় স্থান লাভ করেছে।

আরো পড়ুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

পড়ুন এই বিভাগের আরও খবর

Chairman Md. Azadul Islam. CEO Md. Amir Hossain. Editor S, M, Shamim Ahmed. Managing Director Md. Lokman Mridha, office House # 43 ( Ground Flooor ) 47 Road No. 30, Mirpur, Dhaka Division - 1216

 

ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Smart iT Host
Hwowlljksf788wf-Iu