Dhaka 11:04 am, Monday, 25 May 2026

সুন্দরবনে বিষ দিয়ে মাছ শিকার, গ্রেপ্তার ৮

খুলনার দাকোপ কালাবগি সুন্দরবন এলাকায় বিষ দিয়ে মাছ ধরার অভিযোগে আটজনকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা পুলিশ। এসময় চারটি ডিঙ্গি নৌকা, ১২০০ ফুট মাছ ধরার জাল, চার বোতল কীটনাশক ও কীটনাশক দিয়ে মারা বিপুল পরিমাণ মাছ উদ্ধার করা হয়।

রোববার পুলিশ সুপার কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে খুলনা পুলিশ সুপার এসএম শফিউল্লাহ (বিপিএম) এ তথ্য জানান।

গ্রেপ্তাররা হচ্ছেন- তুহিন মীর (৩২), সোহরাব সানা (৪০), দীপক সরকার (৫০), তপন সরকার ওরফে নুছুল (৩৪), নিশীত মন্ডল (৩২), অলোক সরকার (৩৩), সেলিম শেখ (২৭), মিরাজ মল্লিক (৫০)। তাদের বিরুদ্ধে জেলা

গোয়েন্দা পুলিশের এসআই রাজিউল আমিন বাদী হয়ে দাকোপ থানায় বন আইনে মামলা দায়ের করেন।

জানা যায়, সুন্দরবন এলাকার ভদ্রা নদীর খালে কীটনাশক প্রয়োগ করে মাছ শিকারের খবর পেয়ে শনিবার সকালে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

পুলিশ সুপার এসএম শফিউল্লাহ বলেন, সুন্দরবনের অভ্যন্তরে প্রাকৃতিক সম্পদ বিনষ্টকারী ও ক্ষতিসাধনকারীদের বিরুদ্ধে পুলিশের ‘জিরো টলারেন্স’ ভূমিকা থাকবে। যারা এ সমস্ত কাজে জড়িত তাদের প্রত্যেককে আইনের আওতায় আনা হবে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয় সংবাদ

কুয়াকাটায় আবারও বিতর্কের শীর্ষে পৌর মৎস্যজীবী দলের এক নেতা।

সুন্দরবনে বিষ দিয়ে মাছ শিকার, গ্রেপ্তার ৮

আপডেটের সময় : 07:12:29 pm, Sunday, 19 July 2020

খুলনার দাকোপ কালাবগি সুন্দরবন এলাকায় বিষ দিয়ে মাছ ধরার অভিযোগে আটজনকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা পুলিশ। এসময় চারটি ডিঙ্গি নৌকা, ১২০০ ফুট মাছ ধরার জাল, চার বোতল কীটনাশক ও কীটনাশক দিয়ে মারা বিপুল পরিমাণ মাছ উদ্ধার করা হয়।

রোববার পুলিশ সুপার কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে খুলনা পুলিশ সুপার এসএম শফিউল্লাহ (বিপিএম) এ তথ্য জানান।

গ্রেপ্তাররা হচ্ছেন- তুহিন মীর (৩২), সোহরাব সানা (৪০), দীপক সরকার (৫০), তপন সরকার ওরফে নুছুল (৩৪), নিশীত মন্ডল (৩২), অলোক সরকার (৩৩), সেলিম শেখ (২৭), মিরাজ মল্লিক (৫০)। তাদের বিরুদ্ধে জেলা

গোয়েন্দা পুলিশের এসআই রাজিউল আমিন বাদী হয়ে দাকোপ থানায় বন আইনে মামলা দায়ের করেন।

জানা যায়, সুন্দরবন এলাকার ভদ্রা নদীর খালে কীটনাশক প্রয়োগ করে মাছ শিকারের খবর পেয়ে শনিবার সকালে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

পুলিশ সুপার এসএম শফিউল্লাহ বলেন, সুন্দরবনের অভ্যন্তরে প্রাকৃতিক সম্পদ বিনষ্টকারী ও ক্ষতিসাধনকারীদের বিরুদ্ধে পুলিশের ‘জিরো টলারেন্স’ ভূমিকা থাকবে। যারা এ সমস্ত কাজে জড়িত তাদের প্রত্যেককে আইনের আওতায় আনা হবে।