সিরাজগঞ্জের সয়দাবাদ ইউপির কড্ডামোড় এলাকায় আওয়মী লীগ ও বিএনপি নেতাকর্মীদের পাল্টাপাল্টি হামলায় উভয়পক্ষের ৬ জন আহত হয়েছে। এদের মধ্যে বিএনপির তিনজনকে সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
এরা হলো- সদর উপজেলা বিএনপির যুগ্ন আহ্বায়ক ও সয়দাবাদ ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি রফিক সরকার, একই ইউপির ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি শহিদুল ইসলাম মোল্লা ও পাশ্ববর্তী কালিযা হরিপুর ইউপির সাংগঠনিক সম্পাদক মনিরুলল ইসলাম। এদিকে আহতদের হাসপাতালে নেওয়ার পরই বিএনপি, যুবদল ও ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা ভিড় জমায়।
অন্যদিকে ইউনিয়ন যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক রিগ্যান, ছাত্রলীগ সভাপতি সাদ্দাম ও ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সম্পাদক কোবাদ মণ্ডল আহত হয়েছে বলে আওয়ামী লীগ দাবি করেছে।
আহত বিএনপি নেতা শহিদুল ইসলাম জানান, সন্ধ্যার পর কড্ডা এলাকায় চাযের আড্ডা শেষে মোটর সাইকেল নিয়ে শহরের উদ্দেশ্যে রওনা হই। রাস্তায় ওঠার পরই সয়দাবাদ ইউপি চেয়ারম্যান ইউপি আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পদকের বাহিনী রিগ্যান ও সাদ্দামসহ ১৫/২০ গতিরোধ করে হামলা চালিয়ে বেদম মারপিট করে। পরে স্থানীরা উদ্ধার হাসপাতালে ভর্তি করেন।
অন্যদিকে ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ইউপি চেয়ারম্যান নবিদুল ইসলাম জানান, বিএনপির রফিক সরকার মিছিল করছিল। এ সময় মিছিলের সামনে যুবলীগ নেতা রিগ্যান পড়লে তাকে মারপিট করা হয়। পরবর্তীতে প্রতিবাদ করলে ছাত্রলীগ নেতা সাদ্দাম ও কোবাদ মণ্ডলকে মারপিট করে ককটেল ফাটিয়ে চলে যায়।
সিরাজগঞ্জ সদর থানার অফিসার ইনচার্জ হুমায়ুন কবির জানান, কড্ডায় আওয়ামী লীগ-বিএনপির সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে জানতে পুলিশ পাঠানো হয়েছিল। বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে। কোন পক্ষই অভিযোগ দেয়নি। অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।