কানাডায় প্রবেশে ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ডের (আইআরজিসি) ১০ হাজারেরও বেশি নেতার ওপর নিষেধাজ্ঞা দিতে যাচ্ছে দেশটি। মূলত ইরানে নারীদের সঙ্গে বৈষম্যমূলক আচরণ এবং ২০২০ সালে একটি বেসামরিক বিমান বিধ্বস্ত করার ঘটনায় এ নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হচ্ছে।
ইরানে সেনা পুলিশ হেফাজতে ২২ বছরের তরুণী মাহসা আমিনির মৃত্যুর পর দেশটি আন্তর্জাতিক নানা চাপে রয়েছে এবং দেশব্যাপী আন্দোলন ছড়িয়ে পড়েছে। শুক্রবার একজন ইরানি করোনার রিপোর্ট পুলিশ হেফাজতে থাকা অবস্থায় তার মাথা ও শরীরে আঘাতের কারণে মৃত্যুর কথা অস্বীকার করেছে।
২০২০ সালের জানুয়ারিতে ইউক্রেনীয় ইন্টারন্যাশনাল এয়ারলাইন্সের বিমানটি গুলি করে ভূপাতিত করার বিষয়ে ইরানকে এখনো চাপ দিচ্ছে অটোয়া। ফ্লাইটে নিহত ১৭৬ জনের মধ্যে ১৩৮ জনেরই কানাডার সঙ্গে সম্পর্ক ছিল।
শুক্রবার কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো এক সংবাদ সম্মেলনে জানিয়েছেন, তারা ইরানের ওপর নিষেধাজ্ঞা প্রসারিত করার এবং একটি নিষেধাজ্ঞা ব্যুরো প্রতিষ্ঠা করার পরিকল্পনা করছেন।
আইআরজিসি হলো ইরানের একটি শক্তিশালী দল। তারা একটি ব্যবসায়িক সাম্রাজ্য নিয়ন্ত্রণ এবং বিশ্বব্যাপী সন্ত্রাসী কার্যক্রম চালানোর জন্য ইরানের অভিজাত সশস্ত্রগোষ্ঠীর নিয়ন্ত্রণ করে বলে পশ্চিমা দেশগুলো অভিযোগ করে আসছে। তবে এই অভিযোগ বরাবর অস্বীকার করে আসছে ইরান।
কানাডা বলছে, আইআরজিসি একটি সন্ত্রাসী সংগঠন। এই গোষ্ঠীটিকে অভিবাসন ও শরণার্থী সুরক্ষা আইনের অধীনে শ্রেণিবদ্ধ করা হবে। এই পদক্ষেপের মধ্যে রয়েছে আইআরজিসি নেতৃত্বের শীর্ষ ৫০ শতাংশ বা ১০ হাজারেরও বেশি কর্মকর্তা এবং সিনিয়র সদস্যদের কানাডায় প্রবেশ নিষিদ্ধ করা।
ট্রুডো বলেছেন, এটি সবচেয়ে শক্তিশালী পদক্ষেপ, যা বাস্তবায়নে আমাদের রাজ্য এবং রাষ্ট্রীয় সংস্থাগুলোকে এগিয়ে আসতে হবে।
সূত্র: আরব নিউজ