সোমবার ৭.৬ মাত্রার ভূমিকম্পে কেঁপেছে মেক্সিকোর মধ্য প্রশান্ত মহাসাগরীয় উপকূল। এতে এ পর্যন্ত একজনের মৃত্যু খবর পাওয়া গেছে।
স্থানীয় সময় ১.০৫ মিনিটে আঘাত হানে শক্তিশালী ভূমিকম্পটি। ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল আকুইলার ৩৭ কিলোমিটার দক্ষিণ-পূর্বে কোলিমা এবং মিচোয়াকান রাজ্যের সীমানার কাছে ১৫.১ কিলোমিটার গভীরতায়।
ভূমিকম্পের কেন্দ্রস্থলে বেশ কিছু ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তাৎক্ষণিকভাবে আহত হওয়ার খবর পাওয়া যায়নি। তবে বন্দর নগরী মানজানিলো, কলিমায় একটি মলের দেয়াল ধসে একজন ব্যক্তি নিহত হয়েছেন।
মেক্সিকোর ন্যাশনাল সিভিল ডিফেন্স এজেন্সি বলেছে, ‘মেক্সিকোতে সুনামির ঐতিহাসিক তথ্যের ভিত্তিতে, উপকেন্দ্রের কাছাকাছি উপকূলীয় জলের স্তরে ৮২ সেমি পর্যন্ত বৈচিত্র্য সম্ভব ছিল। ইউএস সুনামি সতর্কীকরণ কেন্দ্র বলেছে যে উপকূলের ৩০০ কিলোমিটারের মধ্যে বিপজ্জনক সুনামি তরঙ্গ সম্ভব ছিল। তবে আশার কথা শেষ পর্যন্ত কোনো বড় সুনামি হয়নি। ’
মেক্সিকো সিটির মেয়র ক্লডিয়া শিনবাউম টুইটে নিশ্চিত করেছেন, রাজধানীতে কোনো ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি।
এর আগে ১৯৮৫ সালে ভয়াবহ ভূমিকম্পের মুখোমুখি হয় মেক্সিকো। ৮ মাত্রার ভূমিকম্পে দেশটিতে মারা যায় ৯ হাজার ৫০০ মানুষ। এরপর ২০১৭ সালে ৭.১ মাত্রার ভূমিকম্পে মারা গিয়েছিল ৩৬০ জন মানুষ। সদ্য হওয়া ৭.৬ মাত্রার ভূমিকম্পে এত কম মৃত্যুর ঘটনাকে কাকতালীয় বলছেন, ইউএস জিওলজিক্যাল সার্ভে সিসমোলজিস্ট পল আর্লে।
তিনি বলেন, ‘এটি একটি কাকতালীয় যে এ ভূমিকম্পের ফলে এখনও সে অর্থে কোনও শারীরিক কারণ বা পরিসংখ্যানগত পক্ষপাত নেই। ভূমিকম্পটি এক ঘণ্টা বা তার আগে ড্রিলের সাথে সম্পর্কিত বা সৃষ্ট নয়, আগের দিন হওয়া তাইওয়ানের ক্ষতিকারক কম্পনের সাথেও যুক্ত ছিল না এটি। ’