মিনিকেট নামে কোনো চাল হয় না। আবারো জানিয়েছে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর। এ বিষয়ে শিগগিরই সুপার শপ ও মিল মালিকদের চিঠি দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক এ এইচ এম সফিকুজ্জামান।
আজ মঙ্গলবার সকালে কারওয়ান বাজার অধিদপ্তরের কার্যালয়ে পণ্যমূল্য নিয়ে কোম্পানি ও সুপার শপ প্রতিনিধিদের সাথে বৈঠকে এ কথা বলেন মহাপরিচালক।
এ এইচ এম সফিকুজ্জামান বলেন, প্রথম সতর্ক করার পরই অভিযানে নামবেন তারা।
তিনি বলেন, মিনিকেট চালের নামে ক্রেতাদের সঙ্গে প্রতারণা করা হচ্ছে। মোটা চালকে বিভিন্ন মেশিনের মাধ্যমে কেটে মিনিকেট বানানো হয়। এই চালের যেহেতু কোনো ভ্যারাইটি নেই তাই এ চাল বন্ধের জন্য ব্যবস্থা নেয়া হবে বলেও জানান তিনি।
এদিকে, পণ্যের দাম বাড়ানো নিয়ে সুপার শপ ও কোম্পানি কেউ দায় না নিলেও একে অন্যকে দোষারোপ ও করছেন না। তারা বিভিন্ন যুক্তি দিয়ে দাম বাড়ানোর বৈধতা প্রমাণ করতে চেয়েছেন। তবে পলিসির নামে ভোক্তা অধিকার খর্ব হলে কঠোর ব্যবস্থা নেয়ার কথাও জানান ডিজি এ এইচ এম সফিকুজ্জামান।