তিস্তার সমস্যা শিগগিরই সমাধান হবে নরেন্দ্র মোদীর এমন আশ্বাসের মধ্য দিয়ে শেষ হয়েছে বাংলাদেশ-ভারত প্রধানমন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠক। মঙ্গলবার দুপুরে হায়দ্রাবাদ ভবনে অনুষ্ঠিত বৈঠক শেষে যৌথ ঘোষণায় একথা জানান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
ভারতের প্রধানমন্ত্রী বলেন, করোনাসহ বর্তমান বৈশ্বিক পরিস্থিতি দুই দেশ একসঙ্গে মোকাবেলা করছে। ভারতকে এশিয়ার সর্ববৃহৎ বাজার ঘোষণা করে নরেন্দ্র মোদী বলেন, ভারত বাংলাদেশ দুই দেশের বাণিজ্যিক সম্পর্ক আরও জোরদার হবে আগামী দিনগুলোতে।
সাতটি সমঝোতা স্মারকে সই করেন দুই দেশের প্রধানমন্ত্রী।
এর আগে দিল্লির রাজঘাটে মহাত্মা গান্ধীর স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা নিবেদনের মধ্য দিয়ে সফরের দ্বিতীয় দিনের কর্মসূচি শুরু করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এর পর ভারতের রাষ্ট্রপতি ভবনে লাল গালিচায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে স্বাগত জানান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। সশস্ত্র বাহিনীর পক্ষ থেকে গান স্যালুট ও গার্ড অফ অনারও জানানো হয় বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে।
পরে হায়দ্রাবাদ ভবনে বৈঠকে বসেন দুই প্রধানমন্ত্রী। রুদ্ধদ্বার বৈঠক শেষে তারা যোগ দেন দ্বিপাক্ষিক সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনায়। এ সময় বাণিজ্য সম্প্রচার বিনিয়োগসহ বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়। সই হয় সাক্ষী সমঝোতা স্মারক।
পরে যৌথ ঘোষণার কথা বলেন দুই দেশের প্রধানমন্ত্রী। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশের উন্নয়ন অগ্রগতির প্রশংসা করে বলেন, দুই দেশের সম্পর্কের কারণে ব্যবসা এবং অর্থনীতিতে ব্যাপক উন্নয়ন হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তার বক্তব্য বলেন, ভারত বাংলাদেশের দীর্ঘ দিনের পরীক্ষিত বন্ধু। শুধু বাংলাদেশ নয় দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার মানুষের জীবন মান উন্নয়নে দুই দেশ একসাথে কাজ করবে। অমীমাংসিত বিষয়গুলোর ও সমাধান হবে মোদী সরকারের সময়ে।
দুই দেশের ৫৪টি অভিন্ন নদীর বিষয়েও বাংলাদেশ শীঘ্রই ভারত সরকারের কাছ থেকে সাড়া পাবে বলে আশাবাদ প্রকাশ করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।