আগামী ২০ নভেম্বর পর্দা উঠতে যাচ্ছে কাতার বিশ্বকাপের। যেখানে বিশ্বকাপ দেখতে আসা পর্যটকদের জন্য আতিথেয়তায় কোনো ঘাটতি রাখছে না মধ্যপ্রাচ্যের দেশটি। বিশ্বকে
তাক লাগাতে আয়োজনের পশরা সাজিয়ে বসার প্রতিশ্রুতি দিলেও মাঠে বসে অ্যালকোহল সেবন নিয়ে সমর্থকদের ছিল শঙ্কা। তবে সেই শঙ্কাও আর থাকছে না।মাঠে বসে মদ্যপানের সুবিধা পাবেন দর্শকরা।
মুসলিম প্রধান দেশে বাড়তি কড়াকড়ি হবে সবকিছুতেই এমন ভাবনা ছিল বিশ্বের ক্রীড়া-প্রেমীদের। তবে মাঠে বসে প্রিয় দলকে সমর্থন জুগাতে সেই ঝুঁকি নিতেও প্রস্তুত ছিলেন দর্শকরা। সেক্ষেত্রে কাতারের কঠিন নিয়মের কারণে শাস্তির মুখে পড়তে হতো তাদের। নতুন করে মাঠে বসে মদ্যপানের উপর বিধি নিষেধ তুলে দেওয়ায় কাতারের উপর কৃতজ্ঞ হতেই পারেন বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে আগত ফুটবল দর্শকরা।
ফিফা নিশ্চিত করেছে সমর্থকদের মদ্যপানের সুবিধা দিতে আটটি স্টেডিয়াম কম্পাউন্ডের মধ্যে অ্যালকোহল সহ বুডওয়েজার বিয়ার কেনার অনুমতি দেওয়া হবে। তবে কনকোর্স কনসেশন স্ট্যান্ডে এ সুবিধা পাবেন না তারা। ম্যাচের আগে-পরে এবং সন্ধ্যায় শুধুমাত্র অফিসিয়াল ‘ফ্যান ফেস্টিভাল’ যা দোহা শহরের কেন্দ্রস্থলে অবস্থিত সেখান থেকে মদ সংগ্রহ করতে পারবেন সমর্থকরা।
বুডওয়েজার মদ্য প্রস্তুত কারক ব্র্যান্ডটি ১৯৮৬ সাল থেকে বিশ্বমানের মদ্য প্রস্তুত করে আসছে। যা পাওয়া যাবে কাতারের মাঠগুলোতে এমনটায় জানিয়েছে ফিফা, ‘কিকঅফের আগে এবং চূড়ান্ত বাঁশি বাজানোর পরে স্টেডিয়ামের পরিধির মধ্যে বিক্রি করা হবে। স্টেডিয়ামে টিকিট-ধারীদের অ্যালকোহলযুক্ত বাডওয়েজার জিরোতে অ্যাক্সেস থাকবে। ফিফা ফ্যান ফেস্টিভালে বুডওয়েজার সন্ধ্যা ৬.৩০ থেকে কেনার জন্য উপলব্ধ থাকবে। ’
কাতারই একমাত্র দেশ নয় যারা বিশ্বকাপে স্টেডিয়ামগুলোতে মদ সুবিধা রাখছে। এরআগে ২০১৪ ব্রাজিল বিশ্বকাপে শুরুতে মাঠে অ্যালকোহল নিষিদ্ধ থাকলেও পরে ফিফার চাপে উঠিয়ে নেওয়া হয় সেই নিষেধাজ্ঞা। এছাড়াও ইউরোপিয়ান ম্যাচগুলোতে নিয়মিতই মাঠে বসে অ্যালকোহল সেবনের সুবিধা পেয়ে থাকেন সমর্থকরা।