নিউমার্কেট এলাকায় সংঘর্ষের ঘটনায় গ্রেপ্তার বিএনপি নেতা অ্যাডভোকেট মকবুল হোসেনের মুক্তি ও মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে করা সমাবেশে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র বলেছেন, ‘আমাদের প্রতিবাদের জায়গা শুধু প্রেসক্লাব নয়, ঢাকা শহরের কমপক্ষে শতাধিক গুরুত্বপূর্ণ এলাকা রয়েছে সেখানেও প্রতিবাদ করতে হবে’।
তিনি বলেন, এ আন্দোলন সবাইকে নিজ-নিজ এলাকায় ছড়িয়ে দিতে হবে। বড় রাস্তা, ছোট রাস্তা, অলিগলি পাড়া মহল্লায় ছড়িয়ে দিতে হবে। সব জায়গায় প্রতিবাদের ঝড় তুলতে হবে।
গয়েশ্বর চন্দ্র মঙ্গলবার (২৬ এপ্রিল) জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে এক সমাবেশে এসব কথা বলেন। দলের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ঢাকাসহ সারা দেশের মহানগরগুলোতে প্রতিবাদ সমাবেশ হয়।
এ সরকারের অধীনে বিএনপি কোনো প্রহসনের নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে না জানিয়ে গয়েশ্বর বলেন, শেখ হাসিনা ক্ষমতায় থাকলে এবং পার্লামেন্ট বাতিল করা না হলে অবাধ সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন সম্ভব নয়। নিরপেক্ষ সরকার ছাড়া দেশের জনগণ ভোট দিতে পারবে না।
বিএনপি নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে অন্যায়ভাবে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে মামলা দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন গয়েশ্বর।
‘এ পর্যন্ত দেশে বিএনপি নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে অন্যায়ভাবে যত মামলা হয়েছে, প্রত্যেকটা মামলার আইও আছে। তাদের বাড়ি ঘরের ঠিকানাও কিন্তু সবাই জানে। শেখ হাসিনার ক্ষমতা চিরকালের না। আর কতকাল তাও বলতে পারি না। তবে আর সম্ভব নয়। কারণ, দেশি-বিদেশিরা শেখ হাসিনার প্রতারণা বুঝতে সক্ষম হয়েছে’ মন্তব্য করেন গয়েশ্বর চন্দ্র।
গয়েশ্বর আরও বলেন, ‘এক দফা এক দাবি, শেখ হাসিনা তুই কবে যাবি’ এই আন্দোলন আমাদের চলমান। কখন বেগমান হবে, তার জন্য আমাদের প্রস্তুত থাকতে হবে।
‘আমরা এখানে আজ প্রতিবাদ করছি নিউমার্কেটের ঘটনার জন্য। ঢাকা শহরের যত মার্কেট আছে সব মার্কেটেরই বেহাল অবস্থা। এখানে ব্যবসায়ীরা প্রতিবাদ করেছে, সে কারণে মারামারি হয়েছে। কিন্তু অন্যান্য মার্কেটের ব্যবসায়ীরা বছরের পর বছর চাঁদা দিয়ে যাচ্ছে। আজকে শেখ হাসিনা ছাত্রদের লেখাপড়ার সুযোগ দিক বা না দিক কিন্তু ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা চাঁদাবাজি, ছিনতাইসহ নানা অপকর্মের মধ্যদিয়ে অর্থলুটের সুযোগ করে দিয়েছে।