আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘর পাওয়ার পর যখন মানুষের মুখে হাসি ফোটে তখন বেশি ভালো লাগে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। দেশের কেউই ঠিকানাবিহীন থাকবে না।
বঙ্গবন্ধুর আদর্শের কর্মী হিসেবে জনগণের সেবক হয়ে কাজ করে যাওয়ার কথাও বলেছেন তিনি।
মুজিববর্ষ উপলক্ষ্যে তৃতীয় ধাপে আজ মঙ্গলবার সকালে প্রায় ৩৩ হাজার মানুষকে জমির মালিকানাসহ আশ্রয়ণের ঘর ঈদের উপহার হিসেবে হস্তান্তর করেন প্রধানমন্ত্রী।
নতুন ঘর হস্তান্তর অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
ফরিদুপরের নগরকান্দা, চট্টগ্রামের আনোয়ারা, বরগুনা ও সিরাজগঞ্জে এই উপলক্ষ্যে আজ মঙ্গলবার সকালে আয়োজিত অনুষ্ঠানে গণভবন থেকে ভার্চুয়ালি যুক্ত হন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, বঙ্গবন্ধুই প্রথম গৃহহীনদের জন্য ভিটেমাটির ব্যবস্থা করেছিলেন। এরপর যারা ক্ষমতা নিয়েছিলো তারা নিজেদের ভাগ্যপরিবর্তন করলেও দুস্থ মানুষের কোন উন্নতি হয়নি।
স্বাধীনতা বিরোধীরা এখনো অগ্রযাত্রায় বাধা দিচ্ছে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সব ষড়যন্ত্র মোকাবেলা করে মর্যাদা নিয়েই এগিয়ে যাবে বাংলাদেশ ।
এর আগে, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের জ্যেষ্ঠ সচিব তোফাজ্জল হোসেন মিয়া জানান, প্রথম পর্যায়ে ২০২১ সালের ২৩ জানুয়ারি ৬০ হাজার ১৯১টি ঘর, ২০ জুন ৫৩ হাজার ৩০০টি ঘর হস্তান্তর করা হয়েছে। প্রথম ও দ্বিতীয় পর্যায়ে নির্মিত মোট ঘরের সংখ্যা এক লাখ ১৭ হাজার ৩২৯টি। তৃতীয় পর্যায়ে নির্মাণাধীন একক ঘরের সংখ্যা ৬৫ হাজার ৬৭৪টি। এর মধ্যে ৩২ হাজার ৯০৪টি হস্তান্তর হবে।
সিনিয়র সচিব আরও জানান, যে ঘর দেওয়া হচ্ছে এগুলো স্বামী-স্ত্রীর যৌথ নামে দেওয়া হচ্ছে। যাঁর স্বামী নেই, সেক্ষেত্রে স্ত্রীর নামে দেওয়া হচ্ছে। এসব ঘরের ডিজাইন প্রধানমন্ত্রী নিজেই প্রণয়ন করেছেন বলে জানান সিনিয়র সচিব।