এবার রুশ আগ্রাসনে চরম বিপর্যয়ের মুখে ইউক্রেন বাসী। টানা অষ্টম দিনের মতো ইউক্রেনে সামরিক অভিযান অব্যাহত রেখেছে রাশিয়া।
https://www.youtube.com/watch?v=cEbdxYA21BU
এ কয়দিনে ইউক্রেনের বেশ কিছু অঞ্চলের দখল নিয়েছে রুশ সেনারা। ভিটে মাটি ছেড়ে প্রতিবেশি দেশে পাড়ি জমাচ্ছেন লাখো মানুষ। আর যারা মাতৃভূমি আকড়ে থাকতে চাচ্ছেন তাদের ঘিরে আছে হাজারো অনিশ্চয়তা ও আতঙ্ক।
দেয়ালে দেয়ালে গুলির ক্ষত চিহ্ন, চারদিকে ধ্বংসযজ্ঞ। দোনেস্কে আঘাত হেনেছে ইউক্রেনের ক্ষেপণাস্ত্র। হাসপাতালের কাছাকাছি একটি আবাসিক ভবনের বাইরের দেয়ালে, জানালা, বারান্দায় স্পষ্ট বুলেটের ছিদ্র। গোলাগুলির কারণে আতঙ্কের মধ্যে বসবাস করছি।
একটাই চাওয়া সংঘর্ষের অবসান। চরম ভয়াবহ পরিস্থিতি কিয়েভের উত্তর-পশ্চিমে বোরোদিয়াঙ্কা এলাকায়। বিদ্যুৎহীন অবস্থায় কাটছে স্থানীয়দের। সে এক বিভীষিকাময় রাত। দুই ঘন্টারও বেশি সময় ধরে চলছিল গোলাগুলি। বাড়ির বাইরেও যেকোনো মুহূর্তে হামলার শিকার হওয়ার আশংকা।
এমন ভয় বুকে নিয়েই ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভের মেট্রো স্টেশনগুলোতে আশ্রয় নিতে শুরু করেছিল অসহায় ইউক্রেনীয়রা। বর্তমানে তাদের সংখ্যা ১৫ হাজারের মতো। অনেকেই এটাও বুঝতে পারছেন না, কেন একটি স্লাভিক জাতি তাদের প্রতিবেশীকেই এই ধরণের কষ্ট দেবে।
রুশ সেনার আগ্রাসনে ভুতুরে নগরীতে পরিণত হয়েছে ইউক্রেনীয় ইরপিন শহর। প্রায় ২ হাজারের বেশি বেসামরিক নাগরিক নিহত হওয়ার পাশাপাশি হাসপাতাল, কিন্ডারগার্টেন, পরিবহন এবং বাড়ি সহ শত শত স্থাপনা ধ্বংস হয়ে গেছে জানিয়েছে ইউক্রেনের জরুরী বিভাগ। এদিকে, রাশিয়ার আগ্রাসনের পর ইউক্রেন ছেড়ে যাওয়ার হিড়িক পড়েছে। সোশ্যাল মিডিয়ায় বেশ কিছু ভিডিও চিত্রে দেখা গেছে ট্রেন স্টেশন এবং সীমান্ত পাড়ি দেয়ার সময় বৈষম্যের শিকার হচ্ছে কৃষ্ণাঙ্গ প্রবাসীরা।
এমন পরিস্থিতিতে সীমান্ত পারাপারে কৃষ্ণাঙ্গদের জাতীয়তা বড় করে না দেখে দেশ ছাড়ার অনুমতি দেয়ার জন্য আহ্বান জানিয়েছে জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থা ইউএনএইচসিআর।