গত তিন বছরে পার্বত্য তিন জেলায় পাহাড় ধ্বসে প্রাণ গেছে দুই শতাধিক মানুষের। পরিবেশ বিশেষজ্ঞরা এর কারণ হিসেবে নির্বিচারে পাহাড় কাটাকে দায়ি করলেও এখনো থেমে নেই অবৈধ এই কর্মকাণ্ড।
বরং প্রশাসনের নাকের ডগায় পরিবেশ বিধ্বংসী কর্মকাণ্ড এখন চলছে অনেকটা প্রকাশ্যেই। যা আরো বড় ধরনের পরিবেশ বিপর্যয়কে ডেকে আনবে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।
প্রকৃতিগত কারণেই চট্টগ্রাম অঞ্চলের পাহাড় বা মাটি ধ্বস হয়। কিন্তু অপরিকল্পিতভাবে চাষাবাদ,পাহাড় কাটা এবং বৃক্ষনিধনের ফলে প্রতিবছর পাহাড় ধস, বন্যাসহ নানা দুযোর্গে মারা যাচ্ছে অসংখ্য মানুষ। স্থানীয় বিশেজ্ঞারা মনে করছেন, প্রকৃতির চলার গতিকে যখন মানুষ বাধাগ্রস্ত করে তখনই দূর্যোগের আশঙ্কা বাড়ে।
স্থানীয়দের অভিযোগ পাহাড় ধ্বস ও গাছ কাটা রোধে আইন থাকলেও বাস্তবে তার প্রয়োগ নেই। তিন পার্বত্য জেলায় সনাতনি প্রদ্ধতিতে চাষাবাদ, পাহাড় কেটে বসতি স্থাপনের কারণে পাহাড় ধ্বস ও ভূমি ক্ষয় বৃদ্ধি পাচ্ছে। পাহাড় ধ্বস রোধ করতে হলে পাহাড় কাটা সর্ম্পূণ বন্ধ ও বৈজ্ঞানিক প্রদ্ধতিতে চাষাবাদ বৃদ্ধি করা জরুরি বলে মনে করছেন স্থানীয় নেতারা।
বিশেষজ্ঞরা মনে করেন প্রাণহানী কমাতে প্রতিবছর বর্ষায় ঝুকিপূর্ণ বসবাসরতদের পূর্ণবাসনের কথা বলা হলেও বর্ষা গেলেই তা রুপ কথায় রুপ নেয়। ফলে থেকেই যায় প্রানহানীর শঙ্কা।