1. sbtv24@sadhinbangla.tv : asd barta : asd barta
বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬, ০১:২২ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
কুয়াকাটায় আবারও বিতর্কের শীর্ষে পৌর মৎস্যজীবী দলের এক নেতা। পটুয়াখালীতে অনলাইন জুয়ার ভয়াবহ বিস্তার! নিঃস্ব হচ্ছে হাজারো পরিবার। পটুয়াখালীতে বরগুনার ব্যবসায়ীর রহস্যজনক মৃত্যু: ঝুলন্ত লাশের পায়ের নিচে বালিশ! পটুয়াখালীতে নদীখেকোদের রাজত্বের অবসান! পটুয়াখালী বাস টার্মিনালে এখনো কেন বহাল তবিয়তে ফ্যাসিস্টের দোসররা? প্রশ্ন তুলছে ছাত্র-জনতা পটুয়াখালী-৩ আসনে ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী মুফতি আবু বকর সিদ্দিকের গণসংযোগ ও পথযাত্রা অবৈধ মাটি দস্যুদের তাণ্ডব রুখে দিলো প্রশাসন শহীদ ওসমান হাদির শোকে জাতি যখন স্তব্ধ, পটুয়াখালীতে তখন উৎসবের ‘ধৃষ্টতা’ যৌতুক মামলায় হাজিরা দিতে এসে, সতিনের বর্বরোচিত হামলা! পটুয়াখালী জজ কোর্টে রক্তাক্ত প্রথম স্ত্রী। পটুয়াখালীর রাজনীতিতে নতুন মোড়!

গলাচিপায় ভিক্ষুক পরিবারটি চায় প্রধানমন্ত্রীর একটি ঘর

সজ্ঞিব দাস, গলাচিপা (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি
  • আপডেটের সময় : মঙ্গলবার, ২৮ ডিসেম্বর, ২০২১
  • ১৮৮ সময় দর্শন
গলাচিপায় ভিক্ষুক পরিবারটি চায় প্রধানমন্ত্রীর একটি ঘর

পটুয়াখালীর গলাচিপায় অসহায় ভিক্ষুক পরিবারটি আজও প্রধানমন্ত্রীর ঘরের আশায় বুক বেঁধে আছে। গোলখালী ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের ছোট গাবুয়া গ্রামের ফোরকান খার স্ত্রী মোমেলা বেগম (৬৫) ভিক্ষা বৃত্তি করে সংসার চালান। তার স্বামী ফোরকান খা দীর্ঘ ৩৩ বছর পূর্বে ৮ মাসের একটি ছেলে সন্তান রেখে নিখোঁজ হয়ে যান। তাকে আর খুঁজে পাওয়া যায় নি।

তারপর থেকেই মোমেলা বেগম অসহায় শ্বশুর-শ্বশুরী ও সন্তানের দায়িত্ব তুলে নিয়ে বাধ্য হয়ে তিনি ভিক্ষা করা শুরু করেন। সেই থেকেই জীবনের চড়াই উৎড়াই পেরিয়ে এসেছেন মোমেলা বেগম। ভিক্ষা করে অভাব নামের সংসারটি পরিচালনা করেন। প্রতিদিন সকাল হলেই নেমে পড়েন মানুষের দ্বারে দ্বারে দুমুঠো খাবারের জন্য। পাশাপাশি তিনি একই গ্রামের খন্দকার বাড়িতে ৩০ বছর যাবৎ গৃহ পরিচারিকার কাজ করে আসছেন। মোমেলার শ্বশুর-শ্বশুরী ও স্বামীর কোন জায়গা-জমি না থাকায় খন্দকার পরিবারটি তাকে ৩ শতক জায়গা দান করেন।

মোমেলা বেগম ওই জমিতেই ছাপড়া দিয়ে বসবাস করেন। বয়স হয়ে যাওয়ায় তিনি ভিক্ষা করা বন্ধ করে দেন। মাঝে মাঝে মানুষের বাড়িতে ধান ভাংগা, ধান শুকানো অথবা ধান মলানোর কাজ করেন। মোমেলা বেগমের ছেলে রেজাউল খা (৩২) রিক্সা চালিয়ে সংসারের হাল ধরেছেন। তার একটি পুত্র সন্তান রয়েছে। এ বিষয়ে মোমেলা বেগম বলেন, আমার তিন শতাংশ জমি আছে। আমার নেই কোন ঘর। জীবনে কোনদিন ঘর তুলতে পারবো কিনা জানি না।

আমার ছেলেটি রিক্সা চালায়। আমার পরিবারের সদস্য সংখ্যা চার জন। শুনেছি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা যাদের জায়গা আছে ঘর নাই তাদের ঘর দিতেছেন। আমিও যদি একটি ঘর পেতাম তাহলে মরার আগেও অন্তত একটু শান্তি পেতাম। এ বিষয়ে রেজাউলের স্ত্রী রেকসনা বেগম বলেন, বৃষ্টি এলেই আমরা বিছানা গুছিয়ে এককোনে বসে থাকতে হয়।

স্বামীর অভাবের সংসারে কষ্টে বুকটা ফেটে যায়। আমার স্বামী কোনদিন ঘর তুলে আমাদের শীত এবং বৃষ্টির হাত থেকে বাঁচাতে পারবে কিনা জানি না। ইউপি সদস্য রবিউল আকন বলেন, আসলেই মোমেলা বেগম অসহায় জীবন যাপন করছে। তাদের থাকার মত তেমন ঘর নাই। তারা যদি একটি ঘর পায় তাহলে হয়ত পরিবারটির একটু মাথা গোঁজার মত ঠাঁই হবে। গোলখালী ইউপি চেয়ারম্যান মো. নাসির উদ্দিন বলেন, আসলেই ওরা গরীব এবং অসহায়।

ওদের একটা সরকারি ঘরের প্রয়োজন। একটি ঘর পেলে সুন্দরভাবে জীবন গড়তে পারবে দরিদ্র পরিবারটি। এ বিষয়ে গোলখালী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আ. হালিম হাওলাদার বলেন, মোমেলা বেগম অনেক বছর ধরেই মানুষের বাড়িতে বাড়িতে ভিক্ষা করে সংসার চালিয়েছেন। সরকারিভাবে একটি ঘর তার প্রয়োজন।

আরো পড়ুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

পড়ুন এই বিভাগের আরও খবর

Chairman Md. Azadul Islam. CEO Md. Amir Hossain. Editor S, M, Shamim Ahmed. Managing Director Md. Lokman Mridha, office House # 43 ( Ground Flooor ) 47 Road No. 30, Mirpur, Dhaka Division - 1216

 

ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Smart iT Host
Hwowlljksf788wf-Iu