1. sbtv24@sadhinbangla.tv : asd barta : asd barta
শুক্রবার, ২০ মার্চ ২০২৬, ১২:১৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
কুয়াকাটায় আবারও বিতর্কের শীর্ষে পৌর মৎস্যজীবী দলের এক নেতা। পটুয়াখালীতে অনলাইন জুয়ার ভয়াবহ বিস্তার! নিঃস্ব হচ্ছে হাজারো পরিবার। পটুয়াখালীতে বরগুনার ব্যবসায়ীর রহস্যজনক মৃত্যু: ঝুলন্ত লাশের পায়ের নিচে বালিশ! পটুয়াখালীতে নদীখেকোদের রাজত্বের অবসান! পটুয়াখালী বাস টার্মিনালে এখনো কেন বহাল তবিয়তে ফ্যাসিস্টের দোসররা? প্রশ্ন তুলছে ছাত্র-জনতা পটুয়াখালী-৩ আসনে ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী মুফতি আবু বকর সিদ্দিকের গণসংযোগ ও পথযাত্রা অবৈধ মাটি দস্যুদের তাণ্ডব রুখে দিলো প্রশাসন শহীদ ওসমান হাদির শোকে জাতি যখন স্তব্ধ, পটুয়াখালীতে তখন উৎসবের ‘ধৃষ্টতা’ যৌতুক মামলায় হাজিরা দিতে এসে, সতিনের বর্বরোচিত হামলা! পটুয়াখালী জজ কোর্টে রক্তাক্ত প্রথম স্ত্রী। পটুয়াখালীর রাজনীতিতে নতুন মোড়!

চেইন অব কমান্ড মেনে চলবেন, বিজিবি সদস্যদের প্রধানমন্ত্রী

ডেস্ক রিপোর্ট Sadhin BanglaTV
  • আপডেটের সময় : রবিবার, ১৯ ডিসেম্বর, ২০২১
  • ১৩৮ সময় দর্শন
চেইন অব কমান্ড মেনে চলবেন, বিজিবি সদস্যদের প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) সদস্যদের দেশপ্রেম, সততা ও শৃঙ্খলার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, আপনাদের কাছে আমার প্রত্যাশা- আপনারা দেশপ্রেম, সততা ও শৃঙ্খলার সঙ্গে নিজ নিজ দায়িত্ব পালন করবেন। রোববার সকালে ‘বিজিবি দিবস-২০২১’ উদযাপনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন। রাজধানীর পিলখানায় বিজিবি সদর দপ্তরে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে ভার্চুয়ালি যোগ দেন তিনি।

 

প্রধানমন্ত্রী বলেন, মনে রাখবেন- শৃঙ্খলা ও চেইন অব কমান্ড বাহিনীর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ চালিকাশক্তি। কখনও শৃঙ্খলার ব্যাঘাত ঘটাবেন না। তাতে নিজেদেরই ক্ষতি। চেইন অব কমান্ড মেনে চলবেন। কর্তৃপক্ষের আদেশ মেনে চলা শৃঙ্খলা বাহিনীর অবশ্য কর্তব্য। তিনি আরও বলেন, আমার বিশ্বাস- জাতির পিতার প্রত্যাশিত আধুনিক সীমান্তরক্ষী বাহিনী হিসেবে বিজিবি এগিয়ে যাবে তার অভীষ্ট লক্ষ্যে ও দেশের মানুষের আস্থার প্রতীক হয়ে সীমান্তের অতন্দ্রপ্রহরী হিসেবে অগ্রযাত্রা অব্যাহত রাখবে।

 

প্রধানমন্ত্রী বিজিবি সদস্যদের কুচকাওয়াজ প্রত্যক্ষ করেন। এ সময় তাকে একটি সুসজ্জিত দল অভিবাদন জানায়। প্রধানমন্ত্রীর পক্ষে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল বিজিবি সদস্যদের বীরত্বপূর্ণ কাজের স্বীকৃতি পদক বিতরণ করেন। অনুষ্ঠানে বিজিবির মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মো. সাফিনুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।

 

পরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিজিবি সদর দপ্তরে বিজিবি সম্মেলনকেন্দ্রের উদ্বোধন করেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, আপনারা ঐতিহ্যবাহী বিজিবির গর্বিত সদস্য। এ বাহিনীর রয়েছে ২২৬ বছরের গৌরবময় ইতিহাস। ১৭৯৫ সালে রামগড় লোকাল ব্যাটালিয়ন নামে প্রতিষ্ঠার পর থেকে কালের পরিক্রমায় এ বাহিনী আজ একটি সুসংগঠিত সীমান্তরক্ষী বাহিনীতে পরিণত হয়েছে।

 

তিনি বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আহ্বানে সাড়া দিয়ে মুক্তিযুদ্ধ শুরুর প্রথম প্রহরেই এ বাহিনীর সদস্যরা পাকসেনাদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চের প্রথম প্রহরে পিলখানা থেকে তৎকালীন ইপিআরের বেতারকর্মীরা বঙ্গবন্ধুর স্বাধীনতার ঘোষণা ওয়্যারলেসের মাধ্যমে দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে পৌঁছে দেন। তৎকালীন ইপিআর প্রচার করায় পাকবাহিনীর হাতে প্রাণ দেন ইপিআরের সুবেদার মেজর শওকত আলী।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ইপিআরের প্রায় সাড়ে ১২ হাজার বাঙালি সৈনিক সরাসরি মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেন এবং ৮১৭ জন শাহাদত বরণ করেন। ইপিআরের দুজন বীরশ্রেষ্ঠ শহিদ ল্যান্সনায়েক নুর মোহাম্মদ শেখ ও শহিদ ল্যান্সনায়েক মুন্সী আব্দুর রউফ আমাদের গর্বের প্রতীক।

ইপিআরের আটজন বীরউত্তম, ৩২ বীরবিক্রম ও ৭৭ বীরপ্রতীক মুক্তিযুদ্ধে বীরত্ব প্রদর্শন করে বিজিবির ইতিহাস সমৃদ্ধ করেছেন উল্লেখ করে তিনি শাহাদাতবরণকারী সদস্যদের অবদান শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন এবং তাদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন।

দ্বিতীয় মেয়াদে সরকার গঠনের পর পরই বিডিআরে সংঘটিত অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার প্রসঙ্গ টেনে সরকারপ্রধান বলেন, ২০০৯ সালের ৬ জানুয়ারি আমরা সরকার গঠন করি। সরকার গঠনের এক মাস ১৯ দিনের মাথায় ২৫ ও ২৬ ফেব্রুয়ারি পিলখানায় অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটে, যা দ্রুত সমাধান করি। তৎকালীন বিডিআরের ট্রাজিক ঘটনায় শহিদ ৫৭ চৌকস সেনা কর্মকর্তাসহ ৭৪ জন মৃত্যুবরণ করেন। সকল শহিদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান তিনি।

 

স্বাধীনতার পর যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশ গড়ে তোলার সময় একটি অত্যাধুনিক সীমান্তরক্ষী বাহিনী গড়ে তোলার জন্য জাতির পিতা এ বাহিনী পুনর্গঠনের উদ্যোগ গ্রহণ উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, বঙ্গবন্ধু দেশ স্বাধীনের পর ১৯৭২ সালের ৩ মার্চ তৎকালীন ইপিআরের পরিবর্তে বিডিআর (বাংলাদেশ রাইফেলস) নামকরণ করেন। পরে এই আওয়ামী লীগ সরকারই ‘বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ’ আইন-২০১০ পাসের পর এই বাহিনীকে পুনর্গঠন করে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিজিবিকে একটি যুগোপযোগী ও আধুনিক বাহিনী হিসেবে গড়ে তুলতে ব্যাপক পরিকল্পনা গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করে যাচ্ছি। এই বাহিনীকে আরও গতিশীল করার লক্ষ্যে সমগ্র বাংলাদেশের দায়িত্বপূর্ণ এলাকা পুনর্বিন্যাস করে পাঁচজন অতিরিক্ত মহাপরিচালকের নেতৃত্বে পাঁচটি রিজিয়নে (অঞ্চল) বিভক্ত করা হয়েছে।

তিনি বলেন, বিজিবিকে আধুনিক সীমান্তরক্ষী বাহিনী হিসেবে রূপান্তরের জন্য ‘বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ ভিশন ২০৪১’ পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। আগামী ২০৪১ সাল নাগাদ ৯২ হাজারে উন্নীত করার পরিকল্পনা ইতোমধ্যে গ্রহণ করা হয়েছে।

বিজিবির উন্নয়নে সরকারের বিভিন্ন পদক্ষেপ তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বর্তমানে বিজিবির কার্যক্রম পূর্বের চেয়ে বহুলাংশে বৃদ্ধি পাওয়ায় একটি স্বতন্ত্র এয়ার উইং সৃষ্টির মাধ্যমে রাশিয়া থেকে কেনা দুটি অত্যাধুনিক এমআই-১৭১ই হেলিকপ্টার সংযোজনের মাধ্যমে এ বাহিনীকে একটি ‘ত্রিমাত্রিক বাহিনী’ হিসেবে গড়ে তোলা হয়েছে। বিজিবি এখন জল, স্থল ও আকাশপথে দায়িত্ব পালনে সক্ষম।

 

 

তিনি বলেন, তার সরকার সীমান্ত এলাকায় নিশ্ছিদ্র নজরদারি ও আন্তঃরাষ্ট্রীয় সন্ত্রাসবাদ মোকাবিলায় ঝুঁকিপূর্ণ সীমান্তে স্মার্ট ডিজিটাল সার্ভেইল্যান্স অ্যান্ড টেকটিক্যাল রেসপন্স সিস্টেম স্থাপন ও সম্প্রসারণ করেছে।

বিজিবির সাংগঠনিক কাঠামোতে ১২টি আর্মাড পার্সোনেল ক্যারিয়ার (এপিসি), ১০টি রায়ট কন্ট্রোল ভেহিকল, ২৪৭টি অল টেরেইন ভেহিকল (এটিভি), উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন বিভিন্ন সিরিজের ১২টি হাইস্পিড বোট, দুটি ভেহিকল এক্সরে স্ক্যানার মেশিন কেনা হয়েছে।

এ ছাড়া ১৪টি আধুনিক ও যুগোপযোগী এন্টি ট্যাংক গাইডেড উইপন্স কেনা হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, কর্মক্ষেত্রে পুরুষের পাশাপাশি নারীদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ২০১৫ সাল থেকে এ পর্যন্ত বিজিবিতে নয়টি নিয়মিত ব্যাচের সঙ্গে সর্বমোট ৮১৮ নারী সৈনিক ভর্তি করা হয়েছে। তারা সফলভাবে তাদের মৌলিক প্রশিক্ষণ শেষে ইউনিটে যোগদান করেছেন, পুরুষ সৈনিকের পাশাপাশি তারা সুচারুরূপে দায়িত্ব পালন করছেন।

তিনি বলেন, ভারত ও মিয়ানমার সীমান্তে ইতোমধ্যে চারটি ব্যাটালিয়ন এবং সুন্দরবন এলাকায় দুটি ভাসমান বিওপিসহ মোট ৬২টি বিওপি সৃ

 

আরো পড়ুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

পড়ুন এই বিভাগের আরও খবর

Chairman Md. Azadul Islam. CEO Md. Amir Hossain. Editor S, M, Shamim Ahmed. Managing Director Md. Lokman Mridha, office House # 43 ( Ground Flooor ) 47 Road No. 30, Mirpur, Dhaka Division - 1216

 

ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Smart iT Host
Hwowlljksf788wf-Iu