শেরপুরের নকলায় যৌতুকের দাবীকৃত টাকা না পেয়ে গৃহবধু মিম আক্তারকে নির্যাতনের অভিযোগে এক ইউপি সদস্যসহ ৮জনের বিরোদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
এ ঘটনায় সোমবার (২০ সেপ্টম্বর) রাতে রুবেল মিয়া নামে একজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (২১ সেপ্টেম্বর) সকালে তাকে আদালতে পাঠানো হয়েছে। গ্রেফতারকৃত রুবেল মিয়া উপজেলার নারায়নখোলা পুর্বপাড়ার হযরত আলীর ছেলে। মামলার অন্যান্য আসামীরা হলেন, নকলা উপজেলার নারায়নখোলা এলাকার হযরত আলীর ছেলে লিটন মিয়া (৩০), মৃত. কুদরত আলীর ছেলে হযরত আলী, মৃত. কাইল্লা সেখের ছেলে ও চরঅষ্টধর ইউনিয়ন পরিষদের বর্তমান সদস্য (মেম্বার) আজিজুল হক (৪০), মৃত. সিরাজ আলীর পুত্র কাজিমদ্দিন (৩০), আজিজুল হকের স্ত্রী বিলকিস বেগম (৩০), হযরত আলীর স্ত্রী জয়গন নেসা (৫০) ও মৃত. কাইল্লা সেখের স্ত্রী আছিয়া (৫২)।
মামলা সূত্রে জানা যায়, উপজেলার নারায়নখোলার পূর্বপাড়ার হযরত আলীর ছেলে লিটন মিয়ার সাথে প্রায় ৭বছর পূর্বে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন মিম আক্তার। তাদের সংসারে ৫বছরের একটি ছেলে সন্তান রয়েছে। তাদের সংসারের অশান্তি দেখে মেয়ের সুখের কথা চিন্তা তার বাবা লিটন মিয়াকে ২লাখ টাকা দেয়।
এর ৪/৫ মাস পরে আরো ১লাখ টাকা যৌতুক দাবী করেন লিটন ও তার পরিবার। ওই টাকা না পেয়ে প্রায় সময়ই শারিরীক ও মানসিক নির্যাতন করত লিটন ও তার পরিবার। গত রোববার (১৯ সেপ্টম্বর) বিকেলে পুনরায় সেই যৌতুকের টাকা দাবী করলে মিম দিতে আস্বীকার করায় তার উপর চালানো হয় অমানসিক নির্যাতন।
সেখান থেকে স্থানীয়রা উদ্ধার করে নকলা হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য ভর্তি করেন। নকলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মুশফিকুর রহমান জানান, যৌতুকের জন্য নির্যাতন করেছে উপজেলার নারায়ানখোলা এলাকার মিম আক্তার নামে এক গৃহবধুকে এমন একটি অভিযোগের ভিত্তিতে থানায় মামলা দায়ের হয়। পরে আমরা মিমের দেবর রুবেল মিয়াকে গ্রেফতার করি।