Dhaka 9:21 am, Wednesday, 6 May 2026

গলাচিপায় ভয়াবহ অগ্নিকান্ডে ৫০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি

পটুয়াখালী জেলার গলাচিপা উপজেলার গোলখালী ইউনিয়নের নলুয়াবাগী মাধ্যমিক বিদ্যালয় এলাকায় অগ্নিকাণ্ডে ৯টি দোকান আগুনে ভস্মিভূত হয়েছে। স্থানীয়রা মনে করছেন এতে কমপেক্ষে ৫০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

শুক্রবার গভীর রাতে আগুনের ঘটনা ঘটে। ওই ইউপি চেয়ারম্যান মো. নাসির উদ্দিন এ আগুন লাগার ঘটনা নিশ্চিত করেছেন। ইউপি চেয়ারম্যান জানান, গলাচিপা উপজেলার গোলখালী ইউনিয়নের নলুয়াবাগী হাইস্কুলের দক্ষিণ পাশের বাজারে শুক্রবার রাতে আগুনের লেলিহান শিখা দেখে আশপাশ এলাকা থেকে লোকজন ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়।উপস্থিত লোকজন আগুন নিভানোর জন্য আপ্রান চেষ্টা চালায়।

কিন্তু শেষ রক্ষা হয়নি। এর মধ্যেই নয়টি দোকান পুড়ে ছাই হয়ে যায়। এর মধ্যে কালাম সিকদারের মুদি দোকান, ইদ্রিস প্যাদার মুদি দোকান ও বসত ঘর, নাসির গাজীর রেস্টুরেন্ট, লোকমান খার মুদি দোকান, দোকান শাহ আলম প্যাদার ওষুধের দোকান, হালেম প্যাদার মুদি দোকান, মিজানুর প্যাদার কাপড়ের দোকান, পরি বেগমের টেইলরিং দোকান পুড়ে ছাই হয়ে যায়।জানতে চাইলে উপজেলা নির্বাহী অফিসার আশিষ কুমার বলেন, ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে সাধ্যমতো সরকারি সহায়তা প্রদানের ব্যবস্থা করা হবে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয় সংবাদ

কুয়াকাটায় আবারও বিতর্কের শীর্ষে পৌর মৎস্যজীবী দলের এক নেতা।

গলাচিপায় ভয়াবহ অগ্নিকান্ডে ৫০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি

আপডেটের সময় : 08:48:27 pm, Saturday, 11 September 2021

পটুয়াখালী জেলার গলাচিপা উপজেলার গোলখালী ইউনিয়নের নলুয়াবাগী মাধ্যমিক বিদ্যালয় এলাকায় অগ্নিকাণ্ডে ৯টি দোকান আগুনে ভস্মিভূত হয়েছে। স্থানীয়রা মনে করছেন এতে কমপেক্ষে ৫০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

শুক্রবার গভীর রাতে আগুনের ঘটনা ঘটে। ওই ইউপি চেয়ারম্যান মো. নাসির উদ্দিন এ আগুন লাগার ঘটনা নিশ্চিত করেছেন। ইউপি চেয়ারম্যান জানান, গলাচিপা উপজেলার গোলখালী ইউনিয়নের নলুয়াবাগী হাইস্কুলের দক্ষিণ পাশের বাজারে শুক্রবার রাতে আগুনের লেলিহান শিখা দেখে আশপাশ এলাকা থেকে লোকজন ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়।উপস্থিত লোকজন আগুন নিভানোর জন্য আপ্রান চেষ্টা চালায়।

কিন্তু শেষ রক্ষা হয়নি। এর মধ্যেই নয়টি দোকান পুড়ে ছাই হয়ে যায়। এর মধ্যে কালাম সিকদারের মুদি দোকান, ইদ্রিস প্যাদার মুদি দোকান ও বসত ঘর, নাসির গাজীর রেস্টুরেন্ট, লোকমান খার মুদি দোকান, দোকান শাহ আলম প্যাদার ওষুধের দোকান, হালেম প্যাদার মুদি দোকান, মিজানুর প্যাদার কাপড়ের দোকান, পরি বেগমের টেইলরিং দোকান পুড়ে ছাই হয়ে যায়।জানতে চাইলে উপজেলা নির্বাহী অফিসার আশিষ কুমার বলেন, ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে সাধ্যমতো সরকারি সহায়তা প্রদানের ব্যবস্থা করা হবে।