সদর পট বদরপুর ইউনিয়নে মামাতো ভাই খলিল বাবুর্চির কোলয় আলকাস ফারা (৬৫)প্রাচীন এক ব্যক্তি সক্রিয় ব্যক্তি। আজ (মঙ্গলবার) ইউনিয়নের ৮ নং ওয়াডের মিঠাপুর এই বাঁশবুনিয়া এলাকায় শুরু হয়েছে।
স্থানীয়ভাবে জানা যায়, সূত্রপাত হয় বেলা ১১টা থেকে ১২টার মধ্যে। আকাশের সময়কাস ফরাজীর মামাতো ভাই খোল বাবুর্চির সাথে কথাটি আলকাটি হয়। বিতর্কের এক খলিল উত্তরে তার উপর নিয়ন্ত্রণ চালায়। আপনার নির্বাচনের সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য আলাপচারিতা আলকাস কোনো ঘটনা না নিয়ে ১৮ বছরের এক সপ্তাহ আগে তার বাড়িতে নিয়েছিলেন। সেখানে একটি নাগরিক পল্লী দিয়ে তার চিকিৎসা করা হয়।
তবে উত্তরটি ঘট স্থানীয় এলাকাবাসী জানতে পারে, যা নিয়ে নেওয়া হয়েছে। এলাকাবাসীর মালিকানা, পুরো ঘটনাটি স্থানীয় একটি ময় আবহ রয়েছে। আপনার পরের বাড়িতে কোনো কান্নার রোল বা শোকের মাতম দেখাতে। এমনকি দেখা গেছে আলকাস ফররাজীর স্ত্রীকে দেখা গেছে, যা এলাকাবাসীর মধ্যে সন্দেহের জন্ম দিতে পারে। সংবাদদাতারা ভিডিও ফুটেজ নেওয়ার সময় এক নারী এ বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানাতে বলেও তার স্ত্রী তাকে ইশারায় কথা বলতে নিষেধ করেন।
এ বিষয়ে এ বিষয়ে উয়াখালী মুখ্যভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জানান, “আমরা সংবাদটি সম্পর্কে অবগত হয়েছি এবং প্রশ্ন তাৎসিকভাবে পুলিশকে বলা হয়েছে। বিস্তারিত বলা যাবে।”
একই সময়ে, আপনেল সদস্যরা রাজনৈতিক নেতা বাবুল হোসেন বলেন, “আমরা আলকাস ফর বীর সদস্য অংশ রহিছি এবং তাদের বিকল্পের সার্বিক অংশগ্রহণ করতে হবে। বদরপুর অন্যান্য তা প্রদান করবে।
থানা পুলিশ জানতে পেরেছে, পুলিশ থেকে মরদেহ উদ্ধারের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। প্রশাসনের পর থেকে অভিযুক্ত খলিল বাবুর্চি পলাক রয়েছে এবং তাকে বলার জন্য চেষ্টা করছে পুলিশ।