ড. মুহাম্মদ ইউনূসের তত্ত্বাবধানে ফেব্রুয়ারিতে হতে যাওয়া জাতীয় নির্বাচনকে ঘিরে রাজনৈতিক অঙ্গনে চলছে নানা হিসাব-নিকাশ। এমন পরিস্থিতিতে বিএনপি কোনো ধরনের উসকানি বা পাতানো ফাঁদে পা না দিয়ে, সর্বোচ্চ ধৈর্য ধরে নির্বাচন পর্যন্ত টিকে থাকার কৌশল নিয়েছে। তাদের লক্ষ্য, দেশের বৃহত্তর স্বার্থে নির্বাচন বানচালের সব চেষ্টা রুখে দেওয়া। দলটির নেতারা মনে করছেন, সরকারের একটি অংশ, জামায়াতে ইসলামী, এনসিপি এবং কিছু ছোট রাজনৈতিক দল নির্বাচন ঠেকাতে চাইছে। এই পরিস্থিতিতে বিএনপি কৌশলী পদক্ষেপ নিচ্ছে।
গয়েশ্বর চন্দ্র রায়: বিএনপির স্থায়ী কমিটির এই সদস্য বলেন, “আগামী সংসদ নির্বাচন বানচালের ষড়যন্ত্র হচ্ছে। এ ব্যাপারে প্রত্যেক নেতা-কর্মীকে সতর্ক থাকতে হবে। কোনো রকম পাতানো ফাঁদে পা দেওয়া যাবে না।”
সালাহউদ্দিন আহমদ: তিনি জানান, “বিএনপি কারও উসকানির ফাঁদে পা দেবে না এবং সবকিছু ধৈর্যের সঙ্গে মোকাবিলা করবে। ড. মুহাম্মদ ইউনূসের ঘোষিত সময়ে নির্বাচন অনুষ্ঠানে বিএনপি সর্বাত্মক সহযোগিতা করবে।”
নাসির উদ্দিন নাসির: জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক বলেন, “রাজনৈতিক পরিবেশ নষ্ট করার অনেক চেষ্টা চলছে। পরিকল্পিতভাবে একটার পর একটা অপচেষ্টা চালানো হচ্ছে। তবে আমরা সর্বোচ্চ ধৈর্যের পরিচয় দিচ্ছি।”
মাওলানা আজিজুল হক ইসলামাবাদী: হেফাজতে ইসলামের সাংগঠনিক সম্পাদক জানান, “হেফাজত কোনো রাজনৈতিক সংগঠন নয়। তবে তারা আগামী নির্বাচনে কোন দলকে সমর্থন দেবে, তা নির্ভর করবে দলগুলোর কর্মকাণ্ডের ওপর।”
সব মিলিয়ে, বিএনপি মনে করছে, জাতীয় নির্বাচন বানচালের জন্য বিভিন্ন দিক থেকে ফাঁদ পাতা হতে পারে। দেশের বৃহত্তর স্বার্থে তারা এই সব ফাঁদ কৌশল এবং ধৈর্য সহকারে মোকাবিলা করবে।