গত সপ্তাহে চীনে শেষ হয়েছে দুই দশকের কংগ্রেস। যেখানে আলোচনা হয়েছে চীনের আগামী দিনের নানা পরিকল্পনা নিয়ে। কথা হয়েছে তাইওয়ানের ব্যাপারেও। চীনের সেই আলোচিত কংগ্রেস নিয়ে বার্তা সংস্থা রয়টার্সে কথা বলেছেন তাইওয়ানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জোসেফ উ।
জানিয়েছেন, তাদের উপর আগামীতে কূটনৈতিক আক্রমণ বাড়াতে পারে চীন।
গত শনিবার কংগ্রেস শেষ করেছে চীনের ক্ষমতাসীন কমিউনিস্ট পার্টির সদস্যরা। যেখানে নিজের ক্ষমতাকে আরও সমৃদ্ধ করেছে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং। তিনি এখন চাইছেন তাইওয়ানকে নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিতে। তবে বরাবরই অঞ্চলটিকে নিজেদের বলে দাবি করে আসছে তাইওয়ান। ফলে আগামীতে এই অঞ্চল ঘিরে উত্তেজনা বাড়তে পারে।
তাইওয়ানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জোসেফ উ বলেন, সম্ভবত বেইজিং তাইওয়ান দ্বীপে নিরাপত্তা হুমকি এবং কূটনৈতিক দমন বাড়াবে। কেননা তাইওয়ানের কঠোর আপত্তি সত্ত্বেও চীন অঞ্চলটিকে নিজেদের বলে দাবি করে আসছে। এটা নিয়ে আমরা চিন্তিত।
উ আরও বলেন, তাইওয়ান তার কূটনৈতিক মিত্রদের কাছ থেকে কিছু দিক নির্দেশনা ও পরামর্শ পেয়েছে। চীনের মিত্রদের বেইজিংয়ের সরকারী স্বীকৃতি পরিবর্তন করার জন্য প্রলুব্ধ করার প্রচেষ্টা করা হচ্ছে। আমরা যে কূটনৈতিক চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করছি তা দিন দিন আরও বাড়ছে। সামনে আমাদের পরিস্থিতি আরও কঠিন হয়ে উঠছে। ’
উ এর মেয়াদে এখন পর্যন্ত মাত্র ১৪টি দেশ তাইওয়ানকে স্বীকৃতি দিয়েছে। যার বেশিরভাগই প্রশান্ত মহাসাগরীয়, লাতিন আমেরিকা এবং ক্যারিবিয়ান অঞ্চলের দরিদ্র এবং উন্নয়নশীল দেশ। সমর্থন পেতে বাকি দেশগুলোর সাথেও কূটনৈতিক আলোচনা চালাচ্ছে তাইওয়ান।
অন্যদিকে চীনা শাসন মেনে নিতে বাধ্য করতে তাইওয়ানের উপর কূটনৈতিক ও সামরিক চাপ বাড়িয়েছে চীন। এ ব্যাপারে তাইওয়ান সরকার বলছে, শুধুমাত্র দ্বীপের ২৩ মিলিয়ন মানুষ তাদের ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করতে পারে। যেহেতু আমরা গণপ্রজাতন্ত্রী চীন দ্বারা শাসিত হয়নি কাজেই তাদের সার্বভৌমত্বের দাবি অকার্যকর।