বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলামের বাবা মির্জা রুহুল আমিন চোখা মিয়া চিহ্নিত রাজাকার ছিলেন বলে অভিযোগ করেছেন মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক।
মন্ত্রী বলেন, বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর জিয়াউর রহমান পাকিস্তানি নাগরিক গোলাম আজমকে দেশে ফিরিয়ে এনে ধর্ম ভিত্তিক রাজনীতি করার সুযোগ দেন। শুধু তাই নয় বিএনপি মহাসচিরের বাবা মির্জা রুহুল আমিন চোখা মিয়া রাজাকার ছিলেন। তিনি তখন কারাগারে বন্দি ছিলেন।চোখা মিয়াসহ এগারো হাজার যুদ্ধাপরাধীকে মুক্তি দিয়েছিলেন জিয়া।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ৭৬তম জন্মদিন উপলক্ষে গাজীপুর জেলা ছাত্রলীগ আয়োজিত সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক এ অভিযোগ করেন।
তিনি আরও বলেন, জিয়া কেবল ওই খুনিদের নিরাপদে বিদেশে পাঠাননি, তাদের বিভিন্ন দূতাবাসে উচ্চপদে পদায়ন করেছিলেন। বঙ্গবন্ধুর খুনদের যাতে বিচার না হয় সেজন্য ইনডেমনিটি অধ্যাদেশ জারি করা হয়।
শুক্রবার রাতে গাজীপুরের শ্রীপুরে তেলিহাটি উচ্চবিদ্যালয় মাঠে জেলা ছাত্রলীগ সভাপতি সুলতান মো. সিরাজুল হকের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক নাছির মোড়লের সঞ্চালবায় সমাবেশে প্রধান বক্তা ছিলেন ছাত্রলীগ সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয়। বিশেষ বক্তা ছিলেন ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্য।
ছাত্রলীগ সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয় বলেন, বাংলাদেশ ছাত্রলীগ কোনো ষড়যন্ত্র মেনে নেবে না, যে কোনো ষড়যন্ত্র প্রতিহত করে ছাত্রলীগ এগিয়ে যাবে। যারা ছাত্রলীগকে ব্যক্তি স্বার্থে ব্যবহার করতে চায় তাদের উদ্দেশ্য কখনোই সফল হবে না।
ছাত্রলীগ কমিটি বাণিজ্য করে না উল্লেখ করে তিনি বলেন, ছাত্রলীগ পদ বাণিজ্য করেনা। যারা বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে লালন করে তাদের মধ্য থেকেই নেতৃত্ব তুলে আনা হয়।