রোববার দক্ষিণ-পশ্চিম জাপানে আঘাত হেনেছে ভয়াবহ টাইফুন নানমাডল। ঘণ্টায় ১৫০ কিলোমিটার বেগে বওয়া বাতাসে এখন পর্যন্ত ১৫ জন আহত হওয়ার খবর দিয়েছে দেশটির জাতীয় টিভি সম্প্রচারকারী প্রতিষ্ঠান এনএইচ।
জাপানের আবহাওয়া সংস্থা জানিয়েছে, ‘ঝড়টি আনুষ্ঠানিকভাবে স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৭ টায় কাগোশিমার কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে পতিত হয়েছে। এসময় বাতাসের গতিবেগ ছিল ১৫০ কিলোমিটার।এছাড়াও দক্ষিণ-পশ্চিম কিউশু অঞ্চলের কিছু অংশে গত ২৪ ঘণ্টারও কম সময়ে ৫০০ মিমি পর্যন্ত বৃষ্টিপাতের রেকর্ড করা হয়েছে। ’
স্থানীয় কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, টাইফুন ঝড়ে বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন। এরমধ্যে দক্ষিণ মিয়াজাকি প্রিফেকচারের কুশিমা শহরে, একটি জিমনেসিয়ামের জানালা ভেঙ্গে কাঁচের টুকরোয় একজন মহিলা সামান্য আহত হয়েছেন। এছাড়াও বিভিন্ন স্থানে মোট ১৫ জন আহত হয়েছে বলে জানা গেছে। নিরাপত্তার স্বার্থে কমপক্ষে ২০ হাজার মানুষ কিউশুর কাগোশিমা এবং মিয়াজাকি প্রিফেকচারে আশ্রয়কেন্দ্রে রাত কাটিয়েছে।
ন্যাশনাল ব্রডকাস্টার এনএইচ স্থানীয় কর্তৃপক্ষের বরাত দিয়ে বলেছে, ঝড় থেকে বেরিয়ে আসতে ৭ মিলিয়নেরও বেশি লোককে আশ্রয়কেন্দ্রে যেতে বা মজবুত ভবনগুলিতে আশ্রয় নিতে বলা হয়েছে।
বর্তমানে জাপানে টাইফুনের মৌসুম চলছে। দেশটি প্রতি বছর এই ধরনের ২০টি ঝড়ের মুখোমুখি হয়। এছাড়াও নিয়মিতভাবে ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে ভূমিধ্বস বা আকস্মিক বন্যা দেখা দেয়। উল্লেখ্য, ২০১৯ সালে, টাইফুন হাগিবিস জাপানে আঘাত হেনেছিল। সে সময় দেশটিতে ১০০ জনেরও বেশি মানুষের মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়। এছাড়াও ২০১৮ সালে, বন্যা এবং ভূমিধ্বসে দেশটিতে মারা গেছে ২০০ জনেরও বেশি মানুষ।