ইউক্রেনে সামরিক অভিযান চালাচ্ছে বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম পরাশক্তি রাশিয়া। গত ২৪ ফেব্রুয়ারি ভোর থেকে শুরু হয় এই অভিযান। রাশিয়ার চলমান অভিযানে ইউক্রেনকে বিভিন্নভাবে সহায়তা করে আসছে আমেরিকা ও পশ্চিমা বিশ্ব। এবার আমেরিকার কাছ থেকে আরও ১৫০ কোটি ডলারের ‘আন্তর্জাতিক অর্থসাহায্য’ গ্রহণের কথা ঘোষণা করেছে ইউক্রেন।
ইউক্রেনের প্রধানমন্ত্রী ডেনিস শ্যামিহাল এই ‘অনুদান’ প্রদানের জন্য ওয়াশিংটনকে বিশেষভাবে ধন্যবাদ জানিয়েছেন।
শনিবার নিজের অফিসিয়াল টুইটার পেজে দেয়া এক পোস্টে ইউক্রেনের প্রধানমন্ত্রী লিখেছেন, ‘ইউক্রেনের রাষ্ট্রীয় বাজেট ১৫০ কোটি ডলারের অনুদান গ্রহণ করেছে। বিশ্বব্যাংক ট্রাস্ট ফান্ড থেকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের যে ৪৫০ কোটি ডলার অনুদান দেয়ার কথা ছিল এটি তার শেষ কিস্তি। ‘
ডেনিস শ্যামিহাল দাবি করেন, এই অর্থ তার দেশের অবসরপ্রাপ্ত চাকুরিজীবীদের পেনশন প্রদান এবং সামাজিক সহায়তা কর্মসূচির কাজে ব্যবহার করা হবে।
এর আগে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের প্রশাসন সম্প্রতি ইউক্রেনের জন্য নতুন করে আরো ৬০ কোটি ডলার মূল্যের অস্ত্র সাহায্য অনুমোদন করেছে; যদিও রাশিয়া হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেছে, এ ধরনের অস্ত্র সাহায্য হবে যুদ্ধের আগুনে ঘি ঢেলে দেয়ার শামিল।
গত ফেব্রুয়ারি মাসে রাশিয়া ইউক্রেনে বিশেষ সামরিক অভিযান শুরু করার পর থেকে এ পর্যন্ত মার্কিন সরকার কিয়েভকে এক হাজার ৫৮০ কোটি ডলারের সমরাস্ত্র সরবরাহ করেছে। তবে রাশিয়া ইউক্রেনকে সমরাস্ত্র সহায়তা দেয়ার ব্যাপারে আমেরিকাসহ পশ্চিমা দেশগুলোকে সতর্ক করে দিয়েছে।
গত বৃহস্পতিবার রাশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মারিয়া জাখারোভা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে এ বিষয়ে কড়া সতর্কবার্তা দিয়েছে যে, কিয়েভকে দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র সরবরাহ করা হলে তা হবে ‘রেড লাইন’ এবং সেক্ষেত্রে আমেরিকা চলমান সংঘাতের সরাসরি একটি পক্ষ হয়ে দাঁড়াবে।