1. sbtv24@sadhinbangla.tv : asd barta : asd barta
মঙ্গলবার, ২৪ মার্চ ২০২৬, ১২:৫০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
কুয়াকাটায় আবারও বিতর্কের শীর্ষে পৌর মৎস্যজীবী দলের এক নেতা। পটুয়াখালীতে অনলাইন জুয়ার ভয়াবহ বিস্তার! নিঃস্ব হচ্ছে হাজারো পরিবার। পটুয়াখালীতে বরগুনার ব্যবসায়ীর রহস্যজনক মৃত্যু: ঝুলন্ত লাশের পায়ের নিচে বালিশ! পটুয়াখালীতে নদীখেকোদের রাজত্বের অবসান! পটুয়াখালী বাস টার্মিনালে এখনো কেন বহাল তবিয়তে ফ্যাসিস্টের দোসররা? প্রশ্ন তুলছে ছাত্র-জনতা পটুয়াখালী-৩ আসনে ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী মুফতি আবু বকর সিদ্দিকের গণসংযোগ ও পথযাত্রা অবৈধ মাটি দস্যুদের তাণ্ডব রুখে দিলো প্রশাসন শহীদ ওসমান হাদির শোকে জাতি যখন স্তব্ধ, পটুয়াখালীতে তখন উৎসবের ‘ধৃষ্টতা’ যৌতুক মামলায় হাজিরা দিতে এসে, সতিনের বর্বরোচিত হামলা! পটুয়াখালী জজ কোর্টে রক্তাক্ত প্রথম স্ত্রী। পটুয়াখালীর রাজনীতিতে নতুন মোড়!

মিথ্যা মামলা : পুলিশের ২ সদস্যের বিরুদ্ধে বিচারকের মামলা

অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেটের সময় : বুধবার, ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২২
  • ১০৭ সময় দর্শন

চট্টগ্রামে শিশুকে আসামি করে মিথ্যা মামলা, সাক্ষ্য ও প্রতিবেদন দেয়ায় দুই পুলিশের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন এক বিচারক। গত ৪ সেপ্টেম্বর শিশুটি নির্দোষ বলে রায় দেন আদালত। এরপরই দুই পুলিশের বিরুদ্ধে চট্টগ্রাম আদালতে মামলাটি করেন নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৭ এর বিচারক ফেরদৌস আরা। আদালতের বেঞ্চ সহকারী সৈয়দ নুর এ খুদা এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

এদিকে, অভিযুক্ত এসআই আনোয়ার হোসেন ও সুবীর পালের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছেন চট্টগ্রামের মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জুয়েল দেব।

শুল্ক ফাঁকি দিয়ে দুটি স্বর্ণের বার পাচারের অভিযোগে ২০১৯ সালের ২১ এপ্রিল শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর এলাকার বাটারফ্লাই পার্ক থেকে নাজমুল হাসান জুয়েল নামে এক শিশুকে গ্রেফতার করে পুলিশ। পরদিন ওই শিশুর বিরুদ্ধে এসআই আনোয়ার হোসেন বাদী হয়ে মামলা করেন। বিষয়টি আদালত পর্যন্ত গড়ালে মামলার তদন্তের দায়িত্ব পান পতেঙ্গা থানার এসআই সুবীর পাল।

তদন্ত শেষে শিশু নাজমুলকে অভিযুক্ত করে ২০১৯ সালের ৩ অক্টোবর আদালতে প্রতিবেদন জমা দেয়া হয়। মামলায় এক সাক্ষী সোনার বারের কাগজপত্র উপস্থাপন করেন। মামলা সত্য প্রমাণ করতে আদালতে মিথ্যা সাক্ষ্য দেন বাদী। রাজস্ব অফিস থেকে প্রয়োজনীয় তথ্য না নিয়ে মিথ্যা প্রতিবেদন দেন তদন্তকারী কর্মকর্তা। ২০১৯ সালের ২২ এপ্রিল গ্রেফতারের পর এক মাস ৬ দিন জেলহাজতে আটক থাকার পর শিশুটি জামিন পায়।

দীর্ঘ বিচার প্রক্রিয়া শেষে চলতি বছরের গত ৪ সেপ্টেম্বর শিশুটি নির্দোষ বলে রায় দেন আদালত। জানিয়েছেন আসামি পক্ষের আইনজীবী আজমুল হুদা।

মিথ্যা মামলা, প্রতিবেদন ও সাক্ষী দেয়ায় দুই এসআই আনোয়ার হোসেন ও সুবীর পালের বিরুদ্ধে এরপর মামলার করেন বিচারক। আদালত মামলাটি গ্রহণ করে দুজনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন বলে জানান নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল ৭ এর পাবলিক প্রসিকিউটর খন্দকার আরিফুল ইসলাম।

আরো পড়ুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

পড়ুন এই বিভাগের আরও খবর

Chairman Md. Azadul Islam. CEO Md. Amir Hossain. Editor S, M, Shamim Ahmed. Managing Director Md. Lokman Mridha, office House # 43 ( Ground Flooor ) 47 Road No. 30, Mirpur, Dhaka Division - 1216

 

ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Smart iT Host
Hwowlljksf788wf-Iu