1. sbtv24@sadhinbangla.tv : asd barta : asd barta
বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ ২০২৬, ০৭:৩৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
কুয়াকাটায় আবারও বিতর্কের শীর্ষে পৌর মৎস্যজীবী দলের এক নেতা। পটুয়াখালীতে অনলাইন জুয়ার ভয়াবহ বিস্তার! নিঃস্ব হচ্ছে হাজারো পরিবার। পটুয়াখালীতে বরগুনার ব্যবসায়ীর রহস্যজনক মৃত্যু: ঝুলন্ত লাশের পায়ের নিচে বালিশ! পটুয়াখালীতে নদীখেকোদের রাজত্বের অবসান! পটুয়াখালী বাস টার্মিনালে এখনো কেন বহাল তবিয়তে ফ্যাসিস্টের দোসররা? প্রশ্ন তুলছে ছাত্র-জনতা পটুয়াখালী-৩ আসনে ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী মুফতি আবু বকর সিদ্দিকের গণসংযোগ ও পথযাত্রা অবৈধ মাটি দস্যুদের তাণ্ডব রুখে দিলো প্রশাসন শহীদ ওসমান হাদির শোকে জাতি যখন স্তব্ধ, পটুয়াখালীতে তখন উৎসবের ‘ধৃষ্টতা’ যৌতুক মামলায় হাজিরা দিতে এসে, সতিনের বর্বরোচিত হামলা! পটুয়াখালী জজ কোর্টে রক্তাক্ত প্রথম স্ত্রী। পটুয়াখালীর রাজনীতিতে নতুন মোড়!

‘বাংলাদেশ প্রশ্নে ধীরে চলো নীতিতে বিশ্বাসী নয় নয়াদিল্লি’

অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেটের সময় : সোমবার, ৫ সেপ্টেম্বর, ২০২২
  • ২০৮ সময় দর্শন

ভূকৌশল এবং ভূ-অর্থনীতিতে প্রতিবেশীদের মধ্যে বাংলাদেশই যে ভারতের কাছে ঘনিষ্ঠতম রাষ্ট্র, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর সফরের ঠিক আগে এমন বার্তা দিয়েছে দেশটি।

 

দুই দেশের মধ্যে অমীমাংসিত কিছু বিষয় থাকলেও দক্ষিণ এশিয়ায় বাংলাদেশ যে ভারতের সব চেয়ে বড় বাণিজ্যিক অংশীদার, এ কথা মনে করিয়ে নয়াদিল্লি বলছে, ভারতের মোট উন্নয়নের সহযোগিতার ২৫ শতাংশ শুধু বাংলাদেশের জন্যই বরাদ্দ হয়েছে।

 

শুধু তাই নয়, বাংলাদেশ প্রশ্নে কোনও ‘ধীরে চলো’ নীতিতে বিশ্বাসী নয় নয়াদিল্লি।

 

ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণারয়ের এক কর্মকর্তা আনন্দবাজার পত্রিকাকে বলেন, “গত এক বছরে আমরা আমাদের লাইন অব ক্রেডিট (এলওসি) সবচেয়ে বেশি ছাড়া হয়েছে বাংলাদেশের জন্য। কোনও দেশের নাম না করেই বলতে চাই, এত দ্রুত কম সুদে (বছরে ১ শতাংশ) ঋণ কেউ বাংলাদেশকে দেয়নি।”

বলা হচ্ছে, ভারত তার ঋণের এক বিলিয়ন ডলার ইতিমধ্যেই বাংলাদেশের হাতে তুলে দিয়েছে।

 

বাংলাদেশ থেকে নেপাল এবং ভুটানে পণ্য রফতানিতে ভারতের বিনামূল্যে ট্রানজিট সুবিধা দেওয়া দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতার একটি বড় ধাপ বলে মনে করে সাউথ ব্লক। পাশাপাশি এ কথাও বলা হচ্ছে, চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর ভারত ব্যবহার করতে পারায় এক দিকে যেন ভারতের উত্তরপূর্বের রাজ্যগুলির বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক কার্যকলাপ বাড়বে, উপকৃত হবে ঢাকাও। তাদের উৎপাদন এবং রফতানি ভারতের উত্তর পূর্বাঞ্চলে লক্ষ্যণীয় রকম বাড়বে বলে আশা করে ভারত। তা ছাড়া যে ট্রানজিট ফি বাংলাদেশ পাবে, তার পরিমাণও খুবই ভাল।

 

ভারতের হিসাব, ২০১০ সালে বাংলাদশের উন্নয়নে ভারতের সহায়তার মোট পরিমাণ ছিল ১০০ কোটি ডলার। এখন তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে প্রায় হাজার ডলারের কাছাকাছি। এর থেকে বোঝা যাচ্ছে সম্পর্কের গতি গত এক দশকে কত দ্রুত বেড়েছে।

 

সূত্র: আনন্দবাজার পত্রিকা

 

আরো পড়ুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

পড়ুন এই বিভাগের আরও খবর

Chairman Md. Azadul Islam. CEO Md. Amir Hossain. Editor S, M, Shamim Ahmed. Managing Director Md. Lokman Mridha, office House # 43 ( Ground Flooor ) 47 Road No. 30, Mirpur, Dhaka Division - 1216

 

ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Smart iT Host
Hwowlljksf788wf-Iu