পটুয়াখালীর গলাচিপায় ঝুকিঁপূর্ণ ১৫ কপাট স্লুইস গেট এর বেহাল দশা। রক্ষণাবেক্ষণ ও সংস্কারের অভাবে বর্তমান সময়ে আমন ও ইরি মৌসুমে পর্যাপ্ত পানির অভাবে কৃষকগোষ্ঠীর ভোগান্তির যেন
শেষ নেই।এক অনুুসন্ধানে জানা যায়, বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড ১৯৭২ইং সালে পটুয়াখালী ঠিকাদার ভরসা তুল্লা চৌধুরীর মাধ্যমে ১৫ কপাট সুইজ গেট নির্মাণ করা হয়। ১৯৯৭ এবং সর্বশেষ
সি,আর,পি সংস্থার মাধ্যমে বিশ্ব ব্যাংকের অর্থায়নে ১৯৯৮ সালে স্লুইস গেট সংস্করণ করা হয়।
এটি বোয়ালিয়া খাল যা ৫৬০ একর জমির এরিয়া, প্রায় ১০ কিলোমিটারের অধিক দৈর্ঘ্য এবং গড় প্রস্থ
প্রায় ৫০০ ফুট। এটি গলাচিপা, উলানিয়া, পানপট্টি, এবং রতনদি তালতলি ইউনিয়নের সংযোগ খাল। স্লুইস গেটটি বোয়ালিয়া খালের মোহনা থেকে পশ্চিম পাশে নতুন একটি ছোট সংযোগ ছোট
খালের মোহনায় নির্মাণ করা হয়। যা বর্তমানে জরাজীর্ণ ও ঝুকিঁপূর্ণ হয়ে পরে আছে। এছাড়া দীর্ঘ বছর ধরে পানি উঠা নামার সুইজ গেটটির ১৫ কপাট থাকলেও কালের বিবর্তনে অবহেলায় অযত্নে
লোহার কপাট গুলো ভেঙ্গে আজ হারিয়ে যেতে বসেছে, তাই সংস্কারের দাবী করেন কৃষক ব্যবসায়ী মহল ও জন প্রতিনিধি। তারা জানান, কপাট গুলো ভেঙ্গে যাওয়া প্যাডেল না থাকায় স্থানীয়
জনসাধারণ ও প্রতিনিধির মাধ্যমে নিজেদের অর্থায়নে দরি কাচি কিনে কোন রকম পানি উঠা-নামার কাজ চালিয়ে যাচ্ছি। এ বিষয়ে স্থানীয় ইউপি সদস্য মোঃ আবু তাহের গণমাধ্যম কে বলেন, এ
ঝুকিঁপূর্ণ ১৫ কপাটের স্লুইস গেটটি এখন আমাদের মরণ ফাদেঁ পরিণত হয়েছে।
জরাজীর্ণ অবস্থায় স্থানীয়দের সহায়তায় দরি কাচি বাশঁ দিয়ে কোন রকম কাজ চালিয়ে যাচ্ছি। তিনি আরো জানান
স্থানীয় কৃষকগোষ্ঠীর দাবী কৃষি আবাদযোগ্য গড়ে তোলার জন্য পানি উন্নয়ন বোর্ডের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ সরেজমিনে পরিদর্শন করে অতি দ্রুত’ই যেন স্লুইস গেটটি রক্ষণাবেক্ষন করে উপজেলার প্রায়
চার লাখ জনসাধারণের সুনিশ্চিত পানির ব্যাবস্থা করে দেন। এ বিষয়ে পটুয়াখালী পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ আরিফ হোসেন মুঠোফোনে জানান, বিভিন্ন উপজেলার ঝুকিঁপূর্ণ স্লুইস
গেট গুলোর সংস্কার পুণঃরায় নির্মাণ করার জন্য সরকারিভাবে অর্থ বরাদ্দের চাহিদার চিঠি পাঠানো হয়েছে। আশা করছি অর্থ বরাদ্দ হলে দ্রুতই বোয়ালিয়া স্লুইস গেটটির ব্যাপারে সিদ্ধন্ত নেয়া হবে।