1. sbtv24@sadhinbangla.tv : asd barta : asd barta
বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ ২০২৬, ০৩:২০ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
কুয়াকাটায় আবারও বিতর্কের শীর্ষে পৌর মৎস্যজীবী দলের এক নেতা। পটুয়াখালীতে অনলাইন জুয়ার ভয়াবহ বিস্তার! নিঃস্ব হচ্ছে হাজারো পরিবার। পটুয়াখালীতে বরগুনার ব্যবসায়ীর রহস্যজনক মৃত্যু: ঝুলন্ত লাশের পায়ের নিচে বালিশ! পটুয়াখালীতে নদীখেকোদের রাজত্বের অবসান! পটুয়াখালী বাস টার্মিনালে এখনো কেন বহাল তবিয়তে ফ্যাসিস্টের দোসররা? প্রশ্ন তুলছে ছাত্র-জনতা পটুয়াখালী-৩ আসনে ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী মুফতি আবু বকর সিদ্দিকের গণসংযোগ ও পথযাত্রা অবৈধ মাটি দস্যুদের তাণ্ডব রুখে দিলো প্রশাসন শহীদ ওসমান হাদির শোকে জাতি যখন স্তব্ধ, পটুয়াখালীতে তখন উৎসবের ‘ধৃষ্টতা’ যৌতুক মামলায় হাজিরা দিতে এসে, সতিনের বর্বরোচিত হামলা! পটুয়াখালী জজ কোর্টে রক্তাক্ত প্রথম স্ত্রী। পটুয়াখালীর রাজনীতিতে নতুন মোড়!

পারমাণবিক যুদ্ধ হলে খাবার সংকটে মারা যাবে ৫০০ কোটি মানুষ!

অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেটের সময় : মঙ্গলবার, ১৬ আগস্ট, ২০২২
  • ১২৪ সময় দর্শন

ইউক্রেনে রুশ সামরিক আগ্রাসনের পর থেকেই যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে রাশিয়ার সম্পর্ক তলানিতে গিয়ে ঠেকেছে। এরই মধ্যে গত রবিবার রাশিয়া যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করার হুমকি দিয়েছে।

 মস্কো ওয়াশিংটনকে সতর্ক করেছে যে, মার্কিন সিনেট যদি রাশিয়াকে ‘সন্ত্রাসবাদের রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষক’ দেশ হিসেবে চিহ্নিত করে আইন পাস করে তবে দুদেশের কূটনৈতিক সম্পর্ক ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে। এমনকি সম্পর্ক ছিন্নও হতে পারে। মস্কো হুমকি দিয়ে বলছে, এর মাধ্যমে সরাসরি যুদ্ধে টেনে নিয়ে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র এবং ইউরোপ।  

 

এদিকে বিশ্বের পারমাণবিক বোমা ও সামরিক শক্তিতে ক্ষমতাধর শীর্ষ এই দুই দেশের কথার লড়াইয়ে পারমাণবিক যুদ্ধেরও আভাস দিচ্ছেন বিশ্লেষকরা। এই অবস্থায় যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়ার মধ্যে পারমাণবিক যুদ্ধ বাঁধলে বিশ্বের ৫০০ কোটিরও বেশি মানুষ না খেয়ে মারা যাবে বলে জানিয়েছে এক সমীক্ষা। সোমবার (১৫ আগস্ট) প্রকাশিত নেচার ফুড জার্নালের একটি সমীক্ষায় এ আশঙ্কার কথা বলা হয়েছে। খবর আরটি

সমীক্ষা বলছে, যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়া পারমাণবিক যুদ্ধে জড়ালে এর ফলস্বরূপ ছাই ও কালি বায়ুমণ্ডলে প্রবেশ করে সূর্যের আলো আটকাবে।

এতে কৃষি উৎপাদন ব্যাহত হবে এবং অনাহারে ৫০০ কোটিরও বেশি মানুষ মারা যাবে। যদিও পারমাণবিক যুদ্ধ নিয়ে বেশিরভাগ জল্পনা-কল্পনা বোমা হামলার ভয়াবহতা থেকে এসেছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রুটগার্স বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকদের দিয়ে পরিচালিত এ গবেষণায় দেখা যায়, প্রকৃত দুর্ভোগ আসবে সংঘাতের পরের বছরগুলোতে, যখন সরবরাহ শৃঙ্খল ভেঙে পড়বে এবং স্থানীয়

পারমাণবিক যুদ্ধের প্রভাবে যুক্তরাষ্ট্র, চীন, জার্মানি ও যুক্তরাজ্যের মতো প্রধান উৎপাদকদের খাদ্য সরবরাহের সক্ষমতা ৯০ শতাংশ হ্রাস পাবে। এর ফলে পারমাণবিক যুদ্ধের সঙ্গে জড়িত নয়, এমন দেশগুলোও মানবিক বিপর্যয়ে পড়বে।

ইতোমধ্যে যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়া- এ দুই প্রধান রফতানিকারক দেশের খাদ্য উৎপাদন ক্ষমতা হ্রাস পেয়েছে। যদি পারমাণবিক যুদ্ধের প্রভাবে তারা পুরোপুরি ক্ষতিগ্রস্ত নাও হয়, তবে আমদানি নির্ভরশীল দেশগুলো পুরোপুরি বিপর্যস্ত হয়ে পড়বে।

জলবায়ু বিজ্ঞানের অধ্যাপক ও সমীক্ষাটির সহ-লেখক অ্যালান রোবক বলেছেন, তথ্যগুলো আমাদের একটি বার্তাই দিচ্ছে, তা হলো- যে কোনো মূল্যে অবশ্যই পারমাণবিক যুদ্ধ ঠেকাতে হবে। তা ঘটতে দেয়া যাবে না।

এর আগে ১৮১৫ সালে ইন্দোনেশিয়ার মাউন্ট তামবোরা এবং ১৭৮৩ সালে আইসল্যান্ডের লাকির মতো বড় আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাতের পরে বায়ুমণ্ডলে ছাই প্রবেশে জলবায়ুতে মারাত্মক পরিবর্তন আসে। যার ফলে দুর্ভিক্ষ এবং রাজনৈতিক উত্থান ঘটেছিল।

প্রকৃতপক্ষে, এ জলবায়ু বিজ্ঞানী উদ্বিগ্ন যে, বায়ুমণ্ডলকে বিষাক্ত কণা দিয়ে ভরাট করলে অপ্রত্যাশিত ফলাফল হতে পারে এবং এটি পৃথিবীকে আরও জলবায়ু সংক্রান্ত অস্থিতিশীলতার দিকে নিয়ে যেতে পারে।

অবকাঠামো ধ্বংস ও খাদ্যশস্য উৎপাদন বাধাগ্রস্ত হবে।

উল্লেখ্য, সামরিকভাবে বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিধর দেশ যুক্তরাষ্ট্র। তার পরই অবস্থান রাশিয়ার। গ্লোবাল ফায়ারপাওয়ার ইনডেক্স ২০২২ অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রের সক্রিয় সৈন্য সংখ্যা ১২ লাখ ৮১ হাজার ৯০০ জন। রিজার্ভ আছে ৮ লাখ ১ হাজার ২০০ সৈন্য। যুদ্ধবিমান ১৩ হাজার ৩৬২টি, ট্যাংক ৫ হাজার ৮৮৪টি, যুদ্ধজাহাজ ৪১৫টি।

দ্বিতীয় অবস্থানে থাকা রাশিয়ার সক্রিয় সৈন্য সংখ্যা ১০ লাখ ১৩ হাজার ৬২৮ জন। রিজার্ভ আছে ২৫ লাখ ৭২ হাজার ৫০০ সৈন্য। যুদ্ধবিমান ৩ হাজার ৯১৪টি, ট্যাংক ২০ হাজার ৩০০টি, যুদ্ধজাহাজ ৩৫২টি।

যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধবিমান আছে ১৩ হাজার ৩৬২টি। ট্যাংক আছে ৫ হাজার ৮৮৪টি। অন্যদিকে মার্কিনিদের যুদ্ধজাহাজ ৪১৫টি। এর বিপরীতে বিভিন্ন প্রতিরক্ষা গণমাধ্যমের আনুমানিক হিসাব অনুযায়ী, রাশিয়ার যুদ্ধবিমান রয়েছে ৪ হাজার ১৭৩টি। রাশিয়ার ট্যাংক আছে ১২ হাজার ৪২০টি, আর কামান রয়েছে ৭ হাজার ৫৭১টি। এসব হিসাব মাথায় নিলে বলাই যায় যে, যুক্তরাষ্ট্র সামরিক দিক থেকে কিছুটা এগিয়ে রয়েছে রাশিয়ার তুলনায়। তবে সাবেক সোভিয়েত আমলের কথিত গোপন প্রকল্পের বিষয় মাথায় নিলে এতটা নিশ্চিত হওয়া ঢের কঠিন। স্নায়ুযুদ্ধের সময়কার সেই হিসাব–নিকাশের সত্যিকারের সুরাহা যে কখনোই হয়নি!

আরো পড়ুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

পড়ুন এই বিভাগের আরও খবর

Chairman Md. Azadul Islam. CEO Md. Amir Hossain. Editor S, M, Shamim Ahmed. Managing Director Md. Lokman Mridha, office House # 43 ( Ground Flooor ) 47 Road No. 30, Mirpur, Dhaka Division - 1216

 

ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Smart iT Host
Hwowlljksf788wf-Iu