1. sbtv24@sadhinbangla.tv : asd barta : asd barta
শুক্রবার, ২০ মার্চ ২০২৬, ০৫:৫০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
কুয়াকাটায় আবারও বিতর্কের শীর্ষে পৌর মৎস্যজীবী দলের এক নেতা। পটুয়াখালীতে অনলাইন জুয়ার ভয়াবহ বিস্তার! নিঃস্ব হচ্ছে হাজারো পরিবার। পটুয়াখালীতে বরগুনার ব্যবসায়ীর রহস্যজনক মৃত্যু: ঝুলন্ত লাশের পায়ের নিচে বালিশ! পটুয়াখালীতে নদীখেকোদের রাজত্বের অবসান! পটুয়াখালী বাস টার্মিনালে এখনো কেন বহাল তবিয়তে ফ্যাসিস্টের দোসররা? প্রশ্ন তুলছে ছাত্র-জনতা পটুয়াখালী-৩ আসনে ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী মুফতি আবু বকর সিদ্দিকের গণসংযোগ ও পথযাত্রা অবৈধ মাটি দস্যুদের তাণ্ডব রুখে দিলো প্রশাসন শহীদ ওসমান হাদির শোকে জাতি যখন স্তব্ধ, পটুয়াখালীতে তখন উৎসবের ‘ধৃষ্টতা’ যৌতুক মামলায় হাজিরা দিতে এসে, সতিনের বর্বরোচিত হামলা! পটুয়াখালী জজ কোর্টে রক্তাক্ত প্রথম স্ত্রী। পটুয়াখালীর রাজনীতিতে নতুন মোড়!

গলাচিপায় সরকারি ঘর পাওয়ার আকুতি অসহায় ফিরোজার

সঞ্জিব দাস, গলাচিপা (পটুয়াখালী) প্রতিনিধিঃ
  • আপডেটের সময় : বুধবার, ২০ এপ্রিল, ২০২২
  • ১৪৫ সময় দর্শন

সঞ্জিব দাস, গলাচিপা (পটুয়াখালী) প্রতিনিধিঃ পটুয়াখালীর গলাচিপায় প্রধানমন্ত্রীর সরকারি ঘর পাওয়ার আকুতি জানিয়েছে অসহায় ফিরোজা বেগম।

ফিরোজা বেগম (৬১) হচ্ছেন উপজেলার গলাচিপা সদর ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের জবি প্যাদা বাড়ির হানিফ প্যাদার স্ত্রী। বর্তমানে পরিবারটি অসহায় জীবনযাপন করছে। স্বামীর ঝুপড়ি ঘরে থেকে চলছে তাদের বসবাস। তার পরিবারের সদস্য সংখ্যা ৫ জন। ফিরোজা বেগমের স্বামী একজন দিনমজুর। মানুষের সাথে যখন যে কাজ পান তাই করে সংসার চালান তিনি।

ফিরোজা বেগমের শ^শুরের দেয়া ২ শতক জমির উপর একটি ঝুপড়ি ঘরে বসবাস করছে অসহায় দরিদ্র পরিবারটি। ফিরোজা বেগম জানান, আমার স্বামী একজন দিন মজুর। মানুষের সাথে কাজ করে যে আয় করেন তাতে আমাদের সংসার চলে না। আমাদের ঝুপড়ি ঘরটিতে বৃষ্টির সময় পানিতে তলিয়ে যায়। ঘর উঠানোর সামর্থ্য আমাদের নাই। নুন আনতে পানতা ফুরায় আমাদের। সরকারি একটি ঘর পেলে আমরা বৃষ্টির হাত থেকে রক্ষা পেয়ে সুখে থাকতে পারতাম। জানি না সরকারি ঘর আমাদের কপালে আছে কিনা।

ফিরোজা বেগমের স্বামী হানিফ প্যাদা জানান, আমার জন্মের পরেই দারিদ্রতা আমাদের নিত্য সঙ্গী। মানুষের সাথে কাজ করে আর কি আয় করা যায়। আমার দুই শতাংশ জায়গা থাকলেও টাকার অভাবে তাতে ঘর তোলা হয় নি। তাই বাধ্য হয়ে পুরনো ঝুপড়ি ঘরেই থাকি।

শীতে যেমন কষ্ট করি, বৃষ্টি এলেও কষ্ট করতে হয়। তাই মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার একটি ঘর পেলে বাকি জীবনটা সুখে কাটাতে পারতাম। আমাদেরকে সরকারীভাবে একটি ঘর দিলে আমরা সরকারের কাছে কৃতজ্ঞতা জানাতাম। এ বিষয়ে ইউপি সদস্য মো. আনোয়ার হোসেন বলেন, আমার ওয়ার্ডে ওরা খুব অসহায় পরিবার।

বাপ-দাদার দুই শতক জমি আছে। টাকা না থাকায় সেখানে কোন ঘর তুলতে পারে নাই। তাদের একটি ঘর খুব প্রয়োজন। গলাচিপা সদর ইউপি চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর হোসেন টুটু বলেন, ফিরোজা বেগমের পরিবার একটি অসহায়। তার স্বামী অন্য মানুষের সাথে কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করছে। সরকারীভাবে ফিরোজা বেগমের একটি ঘর খুব দরকার।

আরো পড়ুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

পড়ুন এই বিভাগের আরও খবর

Chairman Md. Azadul Islam. CEO Md. Amir Hossain. Editor S, M, Shamim Ahmed. Managing Director Md. Lokman Mridha, office House # 43 ( Ground Flooor ) 47 Road No. 30, Mirpur, Dhaka Division - 1216

 

ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Smart iT Host
Hwowlljksf788wf-Iu