1. sbtv24@sadhinbangla.tv : asd barta : asd barta
মঙ্গলবার, ২৪ মার্চ ২০২৬, ০৪:৩৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
কুয়াকাটায় আবারও বিতর্কের শীর্ষে পৌর মৎস্যজীবী দলের এক নেতা। পটুয়াখালীতে অনলাইন জুয়ার ভয়াবহ বিস্তার! নিঃস্ব হচ্ছে হাজারো পরিবার। পটুয়াখালীতে বরগুনার ব্যবসায়ীর রহস্যজনক মৃত্যু: ঝুলন্ত লাশের পায়ের নিচে বালিশ! পটুয়াখালীতে নদীখেকোদের রাজত্বের অবসান! পটুয়াখালী বাস টার্মিনালে এখনো কেন বহাল তবিয়তে ফ্যাসিস্টের দোসররা? প্রশ্ন তুলছে ছাত্র-জনতা পটুয়াখালী-৩ আসনে ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী মুফতি আবু বকর সিদ্দিকের গণসংযোগ ও পথযাত্রা অবৈধ মাটি দস্যুদের তাণ্ডব রুখে দিলো প্রশাসন শহীদ ওসমান হাদির শোকে জাতি যখন স্তব্ধ, পটুয়াখালীতে তখন উৎসবের ‘ধৃষ্টতা’ যৌতুক মামলায় হাজিরা দিতে এসে, সতিনের বর্বরোচিত হামলা! পটুয়াখালী জজ কোর্টে রক্তাক্ত প্রথম স্ত্রী। পটুয়াখালীর রাজনীতিতে নতুন মোড়!

গলাচিপায় প্রধানমন্ত্রীর ঘরের আশায় পথে পথে ঘুরছে হত দরিদ্র পরিবার

সঞ্জিব দাস, গলাচিপা (পটুয়াখালী) প্রতিনিধিঃ
  • আপডেটের সময় : শনিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২২
  • ১৫৪ সময় দর্শন

পটুয়াখালীর গলাচিপায় প্রধানমন্ত্রীর ঘরের আশায় পথে পথে ঘুরছে হত দরিদ্র শহীদ হাওলাদার। শহীদ হাওলাদার হচ্ছেন উপজেলার আমখোলা ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ডের আলগী তাফাল বাড়িয়া গ্রামের হাচন হাওলাদারের ছেলে। স্ত্রী ও তিন কন্যা সন্তানের পরিবারটির একমাত্র উপার্জনকারী ব্যক্তি তিনি নিজেই।

জীবন যুদ্ধের এক অসহায় দিন মজুরের জীবনের গল্প বড়ই করুন। জীবিকার তাগিদে দীর্ঘ প্রায় ২০ বছর ধরে মানুষের সাথে কাজ করে যাচ্ছেন। নিজের বলতে বাবার দেয়া দুই শতক জায়গা আছে। আর সেই জায়গায় কোন রকম ছাউনি দিয়ে থাকে শহীদ হাওলাদার। ঘর তোলার সামর্থ্য তার নেই। কাজ করতে করতে হাঁপিয়ে উঠেছেন শহীদ হাওলাদার।

বয়স হয়ে গেছে। আগের মত আর কাজ করতে পারেন না বলে তিনি আজ হতাশাগ্রস্থ। পরের কাজ করে কত আর ভাল থাকা যায়। সংসারে অভাব অনটন লেগে থাকে প্রতিটি মূহুর্ত। এ বিষয়ে শহীদ হাওলাদার বলেন, সময়ের সাথে সাথে সবকিছুই আজ কেমন যেন অন্ধকার হয়ে যাচ্ছে।

নিজের ইচ্ছা থাকলেও মেয়েদেরকে ঠিকমত মানুষ করতে পারছি না। আমার কোন ছেলে না থাকায় সংসারের ঘানি আমাকে এখনো বয়ে বেড়াতে হচ্ছে। দিন দিন শরীরের কাজ করার ক্ষমতা কমে যাইতেছে। জীবনে মনে হয় ঘর তুলে শান্তি করা হবে না আমার।

স্ত্রী সন্তানদের নিয়ে দিন কাটাতে হয় বড় কষ্টের মাঝে। বর্ষা এলেই নেমে আসে জীবনের সবচেয়ে বড় কালো অধ্যায়। বৃষ্টির পানিতে ভিজে যায় ঘরের ভিতরের সবকিছু। ঘর ঠিক করানোর মত টাকাও নেই। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গরিব মানুষেরে ঘর দিতেছেন।

তাই আমি যদি একটা ঘর পেতাম তাহলে শেষ বয়সে একটু সুখে কাটাতে পারতাম। এ বিষয়ে ইউপি সদস্য মো. মামুন সরদার বলেন, আসলেই শহীদ অসহায় ও গরিব।

সরকারি একটি ঘর পেলে তার খুব উপকার হতো। আমখোলা ইউনিয়ন চেয়ারম্যান মো. মনিরুজ্জামান মনির বলেন, সরকারিভাবে একটি ঘর পেলে অসহায় পরিবারটি ভালো থাকতো। উপজেলা নির্বাহী অফিসার আশিষ কুমার বলেন, আমরা খোঁজ খবর নিচ্ছি। অসহায় পরিবার হলে অবশ্যই ঘর পাবে।

আরো পড়ুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

পড়ুন এই বিভাগের আরও খবর

Chairman Md. Azadul Islam. CEO Md. Amir Hossain. Editor S, M, Shamim Ahmed. Managing Director Md. Lokman Mridha, office House # 43 ( Ground Flooor ) 47 Road No. 30, Mirpur, Dhaka Division - 1216

 

ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Smart iT Host
Hwowlljksf788wf-Iu