পিরোজপুরের কাউখালীর কালীগঙ্গা নদীতে ভাঙন যেন কিছুতেই থামছে না। প্রতিদিনই ভাঙন আতংকে দিন কাটছে পরিবারগুলোর।
https://www.youtube.com/watch?v=NTG99RSwaRQ
একদিকে প্রকৃতিক দুর্যোগে ভাঙছে আবার অন্যদিকে অপরিকল্পিত এবং অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের ফলেও ভাঙছে নদী। তাই দ্রুত বালু উত্তোলন বন্ধ চেয়ে প্রশাসনের কাছে চিঠি দিয়েছে ভুক্তভোগীরা। আর লিখিত অভিযোগ পাওয়ার সাথে সাথেই অনুমতিহীন জায়গায় বালু উত্তোলন বন্ধে অভিযান চালানো হচ্ছে বলে দাবি জেলা প্রসাশনের।
জেলার কাউখালী উপজেলার এক নম্বর সয়না-রঘুনাথপুর ইউনিয়নটি নদীবেষ্টিত। এখানে প্রায় ২৬ হাজার মানুষের বাস। এদের অধিকাংশই থাকে নদীর পাড়ে। নদীতে তীব্র ভাঙন থাকায়, দিন দিন কমছে এখানে বসবাসরত মানুষের সংখ্যা। গৃহহীন হচ্ছেন অসংখ্য পরিবার।
প্রকৃতিক দূর্যোগে তো ভাঙছেই, অপরিকল্পিত এবং অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের ফলেও ভাঙছে নদী। স্থানীয়দের অভিযোগ, বালু উত্তোলনের জন্য সরকারের কাছ থেকে লিজ নেয়া নির্দিষ্ট এলাকার সীমানা পেরিয়ে পুরো নদী থেকে বালি উত্তোলন করছে প্রভাবশালী কয়েকটি মহল।
যার ফলে নদী ভাঙনে তীব্রতা বাড়ছে। এখানকার জনপ্রতিনিধিরা বলছেন, বালু উত্তোলন বন্ধ চেয়ে প্রশাসনের কাছে চিঠি দিয়েছেন তারা। কিন্তু লাভ হয়নি কিছুই। এদিকে লিখিত অভিযোগ পাওয়ার সাথে সাথেই অবৈধভাবে বালু উত্তোলন বন্ধে অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে বলে দাবি জেলা প্রসাশনের।
গত ৩৫ বছরে কাউখালী উপজেলার সোনাকুর, সয়না, রঘুনাথপুর, হোগলা, বেতকা, রোঙ্গাকাঠী ও গন্ধর্ব গ্রাম সহ প্রায় ২৫ টিরও বেশি গ্রাম নদী ভাঙ্গনের কবলে পড়েছে। বিলিন হয়েছে কয়েক হাজার ঘর-বাড়ি, মসজিদ-মাদ্রাসা, সরকারি অফিসসহ বিভিন্ন স্থাপনা।