লালমনিরহাটের হাতীবান্ধায় খামারীর গরুর খামার থেকে পোষা ২৮টি গরু ভারতীয় গরু দাবী করে উদ্ধার করে নিয়ে যায় বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ বিজিবি । এ সময় প্রতিবাদ করায় ওই খামারের মালিক ওসমান গনিকেও আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেছে বিজিবি।তবে এ ঘটনায় ওইসব গরুর মালিকানা যাচাই করতে পুলিশকে নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।
শুক্রবার লালমনিরহাট আমলী আদালত-৪’র বিচারক আহসান হাবিব ভার্চয়ালী এ নিদের্শ প্রদান করেন। এর আগে বৃহস্পতিবার বিকালে হাতীবান্ধা উপজেলার বড়খাতা ইউনিয়নের ৫ নং ওয়ার্ডে একটি গরুর খামার থেকে পোষা ২৮টি গরুকে ভারতীয় গরু দাবী করেন উদ্ধার করেন স্থানীয় বিজিবি ক্যাম্পের টহল দল এমন অভিযোগ স্থানীয়দের । আটক করা হয় খামারের মালিককেও। আটককৃত ওসমান গনি উপজেলার ওই এলাকার মৃত শামসুদ্দিনের ছেলে।
জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে বাড়িতে খামার তৈরী করে গরু পালন করে আসছেন ওই এলাকার ওসমান গনি। বৃহস্পতিবার বিকালে হঠাৎ করে স্থানীয় বিজিবি ক্যাম্পের টহল দল ওই খামারে গিয়ে অভিযানের কথা বলে তার পোষা ২৮টি গরু নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন। এ সময় বাধা দিলে ওসমান গনিও আটক করে বিজিবি।
এ সময় পরিস্থিতি উত্তেজিত খবর পয়ে হাতীবান্ধা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সামিউল আমিন ও থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করেন। তবে গরু গুলো উদ্ধার করে নিয়ে যায় বিজিবি।
শুক্রবার ওই গরু গুলোর বৈধ মালিকানা দাবী করে আদালতে আবেদন করেন ওসমান গনির পরিবার । আবেদনের ভিত্তিতে লালমনিরহাট আমলী আদালত-৪’র বিচারক আহসান হাবিব ওই গরু গুলোর মালিকানা যাচাইয়ের নির্দেশ দিয়েছে হাতীবান্ধা থানা পুলিশকে।
তবে স্থানীয় বিজিবি’র দাবী , দীর্ঘদিন ধরে ওসমান গনি অবৈধভাবে ভারত থেকে চোরাই পথে গরু নিয়ে এসে ব্যবসা করছেন। এমন সংবাদের ভিত্তিতে বিজিবি ওসমানের বাড়িতে অভিযান চালায়। এ সময় তার বাড়িতে ভারতীয় ২৮টি গরু পাওয়া যায়। চোরাচালানের সাথে জড়িত থাকায় ওসমানকেও আটক করা।
হাতীবান্ধা থানার ওসি (তদন্ত) রফিকুল ইসলাম বলেন, আদালতের একটি নির্দেশ পেয়েছি। আমরা তদন্ত করে আদালতের নির্দেশে যথা সময় প্রতিবেদন জমা দিবো।