1. sbtv24@sadhinbangla.tv : asd barta : asd barta
বুধবার, ১৮ মার্চ ২০২৬, ১০:৫২ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
কুয়াকাটায় আবারও বিতর্কের শীর্ষে পৌর মৎস্যজীবী দলের এক নেতা। পটুয়াখালীতে অনলাইন জুয়ার ভয়াবহ বিস্তার! নিঃস্ব হচ্ছে হাজারো পরিবার। পটুয়াখালীতে বরগুনার ব্যবসায়ীর রহস্যজনক মৃত্যু: ঝুলন্ত লাশের পায়ের নিচে বালিশ! পটুয়াখালীতে নদীখেকোদের রাজত্বের অবসান! পটুয়াখালী বাস টার্মিনালে এখনো কেন বহাল তবিয়তে ফ্যাসিস্টের দোসররা? প্রশ্ন তুলছে ছাত্র-জনতা পটুয়াখালী-৩ আসনে ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী মুফতি আবু বকর সিদ্দিকের গণসংযোগ ও পথযাত্রা অবৈধ মাটি দস্যুদের তাণ্ডব রুখে দিলো প্রশাসন শহীদ ওসমান হাদির শোকে জাতি যখন স্তব্ধ, পটুয়াখালীতে তখন উৎসবের ‘ধৃষ্টতা’ যৌতুক মামলায় হাজিরা দিতে এসে, সতিনের বর্বরোচিত হামলা! পটুয়াখালী জজ কোর্টে রক্তাক্ত প্রথম স্ত্রী। পটুয়াখালীর রাজনীতিতে নতুন মোড়!

পুলিশকে বোকা বানিয়ে প্রিজন ভ্যান থেকে পালালেন আসামি!

অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেটের সময় : শুক্রবার, ৫ মার্চ, ২০২১
  • ৫১৪ সময় দর্শন

ডাকাতি মামলার আসামি হারুন অর রশীদ কোর্টে হাজিরা দিতে এসে সুকৌশলে হাতকড়া খুলে পুলিশের চোখ ফাঁকি দিয়ে পালিয়ে যান। ঘটনাটি ঘটে গত ২৩ ফেব্রুয়ারি সিএমএম কোর্টে। এ ঘটনায় ৮ পুলিশ সদস্যকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। কিন্তু পালিয়ে গিয়েও হারুনের শেষ রক্ষা হয়নি। পালানোর ৮ দিন পর গোয়েন্দা পুলিশ তাকে গাজীপুরের একটি বনের ভেতর থেকে গ্রেফতার করে।

২৩ ফেব্রুয়ারি ডাকাতি মামলার হাজিরা দিতে তাকে নিয়ে আসা হয় সিএমএম কোর্টে। কোর্টে আনার সময় পূর্বপরিকল্পনা অনুযায়ী হাতকড়া লাগানোর সময় সুকৌশলে হাতটি বাকা করে হ্যান্ডকাফ লুস করে রাখেন। প্রিজন ভ্যান থেকে কারাগারে নেয়ার সময় হাতকড়া খুলে দায়িত্বরত পুলিশের চোখ ফাঁকি দিয়ে পালিয়ে যান।

এ ঘটনায় ৮ পুলিশ সদস্যকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। ঘটনার তদন্ত শুরু করে গোয়েন্দা পুলিশ। পালিয়ে গিয়ে সুমন গাজীপুরের কালিয়াকৈরের গহিন বনের একটি পরিত্যক্ত বাড়িতে আশ্রয় নেন। সেখানে কাটে ৭ দিন। পুলিশ তথ্যপ্রযুক্তি কাজে লাগিয়ে তার অবস্থান জানতে সক্ষম হয়। আবারও হাতকড়া পড়ে সুমনের হাতে।

জিজ্ঞাসাবাদে আসামি জানান, প্রিজন ভ্যান থেকে পালানোর পরিকল্পনা হয় জেলে বসেই।

আসামি হারুণ অর রশীদ বলেন, জেলখানায় খুব কষ্ট হতো। জেলখানায় বসে একটা প্ল্যানিং করি কেমনে পালানো যায়। সে পরিকল্পনা অনুযায়ী কোর্টে হাজিরার অপেক্ষায় ছিলাম। আমার একটা ডাকাতি মামলায় কোর্টে হাজিরা পড়ে। ওই দিনই চিন্তা করি, যা আছে কপালে ভাইগা যামু।

ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ লালবাগ বিভাগের উপপুলিশ কমিশনার রাজীব আল মাসুদ বলেন, হারুন অর রশীদের বিরুদ্ধে আমরা ৮টি মামলা পেয়েছি। তার মধ্যে খুন, দস্যুতা, মাদক মামলা এবং বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলা পেয়েছি। সে গ্রেফতার হয়েছে একটি ডাকাতি মামলায়। আমরা তার গ্যাংয়ের তথ্যও পেয়েছি। এর আগেও একবার ভ্যান থেকে পালানোর পরিকল্পনা করেন আসামি সুমন। বাড়ানো হয়েছে নজরদারি।

আরো পড়ুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

পড়ুন এই বিভাগের আরও খবর

Chairman Md. Azadul Islam. CEO Md. Amir Hossain. Editor S, M, Shamim Ahmed. Managing Director Md. Lokman Mridha, office House # 43 ( Ground Flooor ) 47 Road No. 30, Mirpur, Dhaka Division - 1216

 

ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Smart iT Host
Hwowlljksf788wf-Iu